1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahmed : Sohel Ahmed
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজধানীর বাজারগুলোয় কিছুটা কমেছে চালের দাম, বেড়েছে মুরগির দাম মুম্বাইয়ে ফের জঙ্গি হামলার হুমকি, সতর্কতা জারি বিএনপির আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয় না : আমু দেশের ৩২ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ চন্দনাইশ হাশিমপুরে মিলাদ মাহফিলে শায়েখ মাও. হাসান আল- আজহারী ভৈরবে ছাত্রী অপহরণ মামলার আসামী গ্রেফতার সত্যিই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাত্রা শুরু করেছি – শিক্ষামন্ত্রী পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অবজ্ঞা আর রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু : ড.কলিমউল্লাহ বাগেরহাটের রামপালে ০৯ (নয়) কেজির অধিক তামারসহ চোর চক্রের ০৩ জন সদস্য আটক জাপানি মেয়েসহ আত্মগোপনে থাকা বাবাকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব

শ্রমিক-মালিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে উৎপাদন বৃদ্ধির আহ্বান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১ মে, ২০২০
  • ২৫৪ বার

লাল সুবুজের দেশ ডেস্কঃ শুক্রবার (১ মে) মহান মে দিবস। কর্মক্ষেত্রে বঞ্চনার বিরুদ্ধে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের অনন্য সংগ্রামের দিন। এবারের দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য- ‘শ্রমিক-মালিক ঐক্য গড়ি, সোনার বাংলা গড়ে তুলি’। এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দেশে শুক্রবার পালিত হবে মহান মে দিবস।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা শ্রমিক-মালিক পরস্পর সুসম্পর্ক বজায় রেখে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধিতে নিবেদিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেন, মহান মে দিবস সারাবিশ্বের শ্রমজীবী মানুষের ঐক্য ও সংহতির প্রতীক। মহান মে দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মানুষকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তিনি বলেন, শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষই হচ্ছে দেশের উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের মধ্যেই নিহিত রয়েছে দেশের সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা ‘রূপকল্প-২০২১ ও ২০৪১’ বাস্তবায়নে শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা তাই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের মতো শ্রম নিবিড় উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শ্রমিক ও মালিকের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতা ও হৃদ্যতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমিকের স্বার্থ সংরক্ষণ ও অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দেশ সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী-মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক অবিস্মরণীয় দিন। এ দিবস উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল দেশের মেহনতি মানুষের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করছি। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন শোষিত, বঞ্চিত, মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘বিশ্ব আজ দু’ভাগে বিভক্ত, একদিকে শোষক, আরেকদিকে শোষিত- আমি শোষিতের পক্ষে’। শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে তিনি ১৯৭২ সালে শ্রমনীতি প্রণয়ন করেন। তিনি পরিত্যক্ত কল-কারখানা জাতীয়করণ করে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী এবং শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন।

বর্তমান সরকার দেশের শ্রমজীবী মানুষের জীবন-মান উন্নয়ন ও কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা পোশাক শিল্পসহ ৩৮টি শিল্প খাতের শ্রমিকদের জন্য নিম্নতম মজুরি ঘোষণা করেছি। শ্রমঘন গার্মেন্টস শিল্প খাতের শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ১,৬৬২ টাকা থেকে ৫ হাজার ৩ শ টাকায় উন্নীত করেছি। ইতোমধ্যে শ্রম আইন যুগোপযোগী করে ‘বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন-২০১৩’ প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা-২০১৫’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমি আশা করি মহান মে দিবসের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শ্রমিক এবং মালিক উভয়ই সুসম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে কল-কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধিতে আরও নিবেদিত হবেন।

উল্লেখ্য ১৮৮৬ সালে পহেলা মে-তে আমেরিকার শিকাগো শহরের হে মার্কেট চত্বরে শ্রমের ন্যায্যমূল্য ও দৈনিক আট ঘণ্টার কাজের দাবিতে কর্মঘট আহ্বান করেন শ্রমিকরা। এতে প্রায় তিন লাখ শ্রমিক অংশ নেন। শ্রমিকদের আন্দোলন দমন করতে সেদিন সমাবেশে পুলিশ এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। এতে অনেকে নিহত হন। এছাড়া গ্রেফতার করা হয় অনেককে। আন্দোলনে অংশ নেওয়ার অপরাধে ছয় শ্রমিককে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয় সে সময়কার শাসকগোষ্ঠী। কারাগারে বন্দি অবস্থায় এক শ্রমিক আত্মহত্যা করেন।

এই আন্দোলনের ফলে শ্রমিকের অধিকার আদায়ের পথ প্রশস্ত হয়। মালিকরা স্বীকার করে নেয়, শ্রমিকদেরও বিশ্রামের প্রয়োজন আছে। কাজের সময়সীমা কমে নেমে আসে ৮ ঘণ্টায়। এরপর ১৮৮৯ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে শ্রমিকের অধিকার আদায়ে একটি দিবস পালনের জন্য পহেলা মে ‘মে দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সেই থেকে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন হয়ে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..