1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে বঙ্গবন্ধু অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন: ড.কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু স্বপ্নচারী এবং দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব ছিলেন: ড.কলিমউল্লাহ বিজিবির রাতভর অভিযানে ভোরে ৯ গরু জব্দ, আরো ৫১টি গরু পাহাড়ে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও সার্জন,ভুয়া এমবিবিএস ও এমডি পদধারী প্রতারক ডাক্তার আটক র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের জন্য ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঈদগাঁও বাজারে চাঁদা দাবির অভিযোগ! বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হারাগাছ সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত। রংপুরের গংচড়ায় বিধবা ভাতা ও একটি টিনের ঘরের জন্য আকুতি জানিয়েছেন রুনা লায়লা গ্লোবাল টিভির সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসী মুন্নার গ্রেফতারের দাবিতে সাভারে বিভিন্ন কর্মসূচী

পুলিশী বাঁধায় সংবাদ সম্মেলন পন্ড, ইউপি চেয়াম্যানকে ষড়যন্ত্রের স্বীকার বলে দাবি

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৩ মে, ২০২০
  • ১২৭ বার

কালিয়া (নড়াইল) প্রতিনিধি : নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ৭নং জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যানের নামে ত্রানের চাউল আত্মসাতের অভিযোগে মামলা হয়েছে। গত ৯ এপ্রিল মহামারী করোনা (কোভিড-১৯) সাহায্যের জন্য জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদে ৩ টন সরকারী চাউল বরাদ্দ আসে। উক্ত চাউল বন্টনে অনিয়ম হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গত ২১শে এপ্রিল কালিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিজে বাদী হয়ে নড়াগাতি থানায় একটি মামলা করে। পরিবারের দাবী জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন চৌধুরী নির্দোষ। কারণ এ সকল সমস্ত তথ্য প্রমান তাদের কাছে রয়েছে। তাকে হয়রানী করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করে তার পরিবার। সে প্রেক্ষিতে গত ২৯ এপ্রিল তার পরিবার নিজস্ব বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। সেখানে উপস্থিত হন কিছু সাংবাদিক। অবশেষে নড়াগাতি থানা পুলিশী বাঁধায় তাদের সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া হয়নি ওই পরিবারটিকে। সংবাদ সম্মেলন করতে না পেরে উপস্থিত সাংবাদিকদের জয়নগর ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন চৌধুরী ছেলে মোঃ মঞ্জুরুল চৌধুরী বলেন, গত ৯ এপ্রিল মহামারী করোনা (কোভিড১৯) উপলক্ষ্যে ৭নং জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদে ৩ টন চাউল আসে। আমার বাবা ইউনিয়নের ৯জন ইউপি সদস্যকে ডেকে জনসংখ্যা অনুপাতে প্রত্যেক সদস্যকে সম্পূর্ণ চাউল বন্টনের জন্য ভাগ করে দেন এবং প্রত্যেকেই যার যার ওয়ার্ডের চাউল স্বাক্ষর পূর্বক বুঝে নেন। কিন্তু ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য শাহীন চাউল গ্রহন করিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ সময় আমার বাবা ইউএনও কালিয়াকে ফোন করলে তিনি সংরক্ষিত মহিলা সদস্য (৪,৫ ও ৬নং ওয়ার্ড) খালেদা বেগমকে উক্ত চাউল বোঝাইয়া দেওয়ার জন্য মৌখিক নির্দেশনা দেন। কালিয়া ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশক্রমে আমার বাবা আলাউদ্দিন চৌধুরী উক্ত চাউল স্বাক্ষর পূর্বক খালেদা বেগমকে বুঝিয়ে দেন। চাউল বিতরণের দিন সমস্ত ওয়ার্ডে রেজুলেশন মেইটেইন করে সুষ্ঠ ভাবে চাউল বিতরণ করা হয়। অথচ ওই রেজুলেশনে ৪নং ওয়ার্ডের ২৮ জন দুস্থ্য ও হতদরীদ্র যারা চাউল পেয়েছে তাদের কপি সরিয়ে ওখানে ভূয়া টিপ সহির মাধ্যমে অন্য ২৮ জনের নাম বসানো হয়েছে এবং লক্ষ্য করলে দেখা যাবে ওই টিপ গুলি কারসাজি করে রেজুলেশন জমা দেওয়া হয়েছে। মঞ্জুরুল চৌধুরী সাংবাদিকদের আরো বলেন, আমার বাবা চাউল বুঝে দেওয়ার পর সমস্ত ওয়ার্ডে দায়িত্ব প্রাপ্তরাই বন্টন করেছে। যদি ভুল হয়ে থাকে খালেদা বা শাহীন করেছে আর রেজুলেশনের আসল কপি সরিয়ে নকলটা সচিবের সহযোগীতায় তারা জমা দিয়েছেন। সচিবকে আসলটা কোথায় বললে সে ওটা খুঁজে পাচ্ছেনা বলে জানায়। এটা একজন সরকারী কর্মচারীর কেমন দায়িত্বহীনতা তার সঠিক তদন্তে আরো সত্যতা বেরিয়ে আসবে বলে আমি মনে করি। মঞ্জুরুল চৌধুরী আরো বলেন, আমার বাবা ১৯৮৩ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ৩বার ১নং সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বিএনপির শাসনামলে অত্র থানায় তিনিই আওয়ামীলীগের একমাত্র চেয়ারম্যান এবং ২০১৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। আমার বাবাকে ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। কিছু হাইব্রিড নেতাদের উস্কানীতে আমাদের সংবাদ সম্মেলন করতে দেওয়া হয়নি। কারণ আমার বাবাকে ফাঁসানোর পিছনে তাদের হাত রয়েছে। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সবিনয়ে অনুরোধ করছি ঘটনাটির সুষ্ঠ তদন্ত হোক, তবেই আসল সত্য বেরিয়ে আসবে। তখনই বোঝা যাবে যে আমার বাবা নির্দোষ। এ ব্যাপারে জয়নগর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য শাহীন চৌধুরীর ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭৩৪-২৫৩৬৬৪ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি আমার ৪নং ওয়ার্ডের সব চাউল বুঝে নেইনি। আমি শুধু মাত্র আমার ওয়ার্ডের ২২ জনের চাউল বুঝে নেই এবং আমি মাত্র ২২জন কে চাউল বিতরন করি। বাকি চাউল আমি বুলু দফাদারকে বুঝিয়ে দেই। পরে সে চাউল কি হয়েছে আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে জয়নগর ইউনিয়নের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য খালেদা খানমের ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭২০-৪৭৭৪৪৫ নম্বরে বার বার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। এ ব্যাপারে জয়নগর ইউনিয়নের সচিব মহিদুল ইসলামের ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭১৫-৯৩৫৪১০ নম্বরে বার বার যোগাযোগ করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নাজমুল হুদার ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭১৮-৩৪৬০৫৭ নম্বরে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে ওই চাউল গুলি সঠিক ভাবে বন্টন করতে নির্দেশ দিয়েছিলাম। কিন্তু চেয়ারম্যান একই নাম দুইবার দেখিয়েছে মাস্টার রোলে।এতে বোঝা যায় চাউল সুষ্ঠ ভাবে বন্টন হয়নি। যার কারনে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..