1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনের অযৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাভারে সাংবাদিক সোহেল রানাকে প্রকাশ্যে হত্যার চেষ্টা দুর্নীতিতে আক্রান্ত রুটিরুজিও? জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল উদ্ধোধন মনে পড়ে ড্রিম গার্ল শ্রীদেবীকে? ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে নরসিংদী সদর প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠন। ফেনী শহরের আবাসিক হোটেল গুলোতে মাদক, জুয়াসহ চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা,ধ্বংসের মুখে তরুণ সমাজ বঙ্গবন্ধুর সংবেদনশীলতা ছিল অতুলনীয়: ড.কলিমউল্লাহ সাবেক সিনিয়র সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী (সৌরেন)আগামী নমিনেশনের জন্য দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে প্রচারনা চালাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু বাঙালির প্রতি ভালবাসার অফুরান ঝর্ণাধারার উৎস: ড.কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু অধ্যবসায়ী নেতা ছিলেন: ড.কলিমউল্লাহ

দুনিয়ার জীবনে চলছে কেয়ামতের মহড়া:

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২০
  • ১৪১ বার

..

আলহাজ্ব সোহেল আহমেদ.

এপ্রিল ফুলের কথা আজ আমরা ভূলে গেছি , ।
জানেন কি কি ঘটেছিলো স্পেনে সেদিন ?
সেদিন পবিত্র মসজিদে পরাজিত ‌মুসলমানদের ধোঁকা দিয়ে নিয়ে ইহুদিরান্দ্বি্িি্ অসহায় মুসলমানদের মসজিদের ভিতরেই পুড়িয়ে নির্মম ভাবে হত্যা
করেছিলো ।
আর সব মসজিদকে গির্জায় রুপান্তরিত করা হয়েছিলো । হায়রে মুসলিম বিশ্ব ..কারো গায়ে লাগেনি , বরং আমরা তা এপ্রিল ফুল হিসাবে পালন করি ।
কত নির্লজ্জ আমরা । সেদিন কোন প্রতিবাদ আর নিন্দাটুকুও জানাবার সাহস ছিলনা আমাদের মুসলমান ভাইদের ।
২০২০ সালের এপ্রিল মাসে চলছে বিশ্বজুড়ে মহা দুর্যোগ, আর মৃত্যুর মিছিল ।

চীন ঘোষণা করেছিলো কোনো মুসলিম
রোজা রাখলে তাকে শুকরের মাংস খেতে বাধ্য করা হবে।
মুসলিম শিশুদের বাবা মা থেকে আলাদা করে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রেখে বৌদ্ধ ধর্মে দীক্ষিত করা শুরু করেছিলো এবং উইঘুর মুসলিম নারীদের বাধ্যতামূলকভাবে চাইনিজদের সাথে শারিরীক সম্পর্ক কিংবা বিয়ে দিচ্ছিলো যাতে পরবর্তী প্রজন্ম মুসলিম হিসেবে না জন্মায়।
সবশেষে সমাজতান্ত্রিক দর্শনের আলোকে কোরআন সংশোধন করতে শুরু করেছিলো।
মুসলিম বিশ্ব কোনো প্রতিবাদ করেনি।

সুচির কথা মনে নেই ? কিভাবে রোহিন্গা মুসলিম যুবক যুবতি, নর নারীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে আর সেই দৃশ্য বিশ্ববাসীকে জানান দিলো ।
ধর্ষন , খুন , বাড়িঘর পুরানোর দৃশ্যতো বিশ্ব মুসলিমবাসী দেখেছে , অবশেষে বাংলাদেশ এর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ লাখ মুসলিম রোহিন্গাকে আশ্রয় দিলো , যা সারা বিশ্ব মুসলমান নেতারা চেয়ে চেয়ে দেখলো । বিচার আজও হয়নি মিয়ানমার সরকারের।

ইতালীতে san petronio basilica নামক গির্জায় Giovanni da modena ব্যঙ্গচিত্রটি মুহাম্মদ( স)কে নিয়ে আঁকা।
১৪১০ সাল থেকে তা রক্ষিত থাকলেও তা স্থানীয় মুসলিমদের নজরে আসে ২০০১ সাল থেকে।তখন স্থানীয় মুসলিমরা প্রতিবাদ করলেও সরকার তাদের উপর দমন পীড়ন করে স্তব্ধ করে দেয়। বিশ্ব মুসলিম কোনো প্রতিবাদ করেনি।

ফ্রান্স মুসলিম নারীদের পর্দাকে নিষিদ্ধ করলো এবং রাসুল (স) এর ব্যঙ্গচিত্র অংকনকে ব্যক্তিস্বাধীনতা বলে স্বীকৃতি দিলেও মুসলিমদের গায়ে জ্বালা ধরেনি।

প্রথম ক্বেবলায় মুসলিমদের কোনো অধিকার নেই এবং আল্লাহ্‌ র ঘরে ইহুদিদের অপবিত্র ছোবল…
মুসলিমদের কোনো অন্তর্জ্বালা নেই।

ফিলিস্তিনি নিরস্ত্র মানুষের উপর ইসরাইলী নিষ্ঠুরতার প্রতিবাদে মুসলিমরা নির্লজ্জের মতো নীরব!

ভারতের বাবরি মসজিদ ধ্বংস এবং তৎপরবর্তী কর্মকাণ্ড, কাশ্মীরি মুসলিমদের উপর দমন-পীড়ন মুসলমানিত্বকে জাগিয়ে তুলতে পারেনি।

ইয়ামেন, মিশর,ইরাক,সুদান, সোমালিয়া,সিরিয়ায় যে মানবতার প্রলয় ঘটছে তা নিয়ে মুসলিমদের কোনো মাথাব্যথা ছিলো না।

আমরা কি ভাবছি, আল্লাহ্‌ কি এমনিতেই ছেড়ে দেবেন?
মুসলিম নামের খাতিরেই কি পার পেয়ে যাবো ?
অবশ্যই না। আল্লাহ্‌ নিজেই বলেছেন, তার পাকড়াও অতি ভয়ংকর।
কিছু বুঝতে পাচ্ছেন মুসলিম জনতা!
!সবার আগে চীন,
এরপর ইতালী, ক্ষমতাধর ট্রাম্প সরকারের আমেরিকা
,স্পেন, এরপর ফ্রান্স, তারপর ইরান, ‌এভাবে আজ ২ শ’র ও বেশী দেশ আক্রন্ত।
প্রায় ৩ লাখ মানুষের মৃত্যুর মিছিল , এর শেষ কোথায় দাড়াবে তিনিই জানেন , যিনি একাল পরকালের মালিক রাব্বুল ‌আল‌আমিন।

মহান আল্লাহ সবসময় অসহায়ের পক্ষে।

মানুষ যদি তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন না করে তবে অবশ্যই আল্লাহ্‌ নিজে তা গ্রহণ করেন।

আর তার পাকরাও যখন শুরু হয় তখন কেবল অন্যায়কারীই পাকড়াও হয় না, সমর্থনকারী এমনকি সহ্য করা মানুষেরাও আক্রান্ত হয়।

অসহায় নির্যাতিত মানুষ দু হাত তুলে শুধু প্রার্থনাই করতে পারে

হে আল্লাহ্‌, আমাদের কে রক্ষা করার জন্য একজন রক্ষাকারী পাঠাও।


আ‌মরা কি
করেছি ? !

দাঁড়িয়েছি কি অসহায়ের পক্ষে!আর জুলুমকারীর বিরুদ্ধে ? বলবো ….না।

এবার কলকাঠি আল্লাহ্‌ নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন।

তার রোষে মসজিদে যাওয়াও বন্ধ হয়ে গিয়েছিলো,
খুব সাবধানতা বজায় রেখে যেতে হয় । হায়রে বিচার .. পবিত্র মক্কা মদিনাও লক ডাউন পরে দুরত্ব রেখে খুলে দেয়া হলো। ‌মসজিদেও দুরত্ব রেখে নামাজ নামাজ আদায় হচ্ছে।

অতএব সাবধান!
বিশ্ব
মুসলিম সাবধান। মানবজাতি সাবধান। সীমালঙ্ঘন করবেন না।আল্লাহ্‌ সীমালঙ্ঘনকারীদের ক্ষেত্রে অত্যন্ত কঠোর। আর যেসব নিরীশ্বরবাদী বলতে শুরু করেছেন,
আল্লাহ্‌ ঈমানদারদের রক্ষা করতে ব্যর্থ নন,
তিনি সব দেখেন জানেন বুঝেন যা আমরা জানিনা বুঝিনা ।বরং তিনি নিজেই এসব ঘটাচ্ছন আমাদের ক্ষমতার দৌড় দেখার জন্য এবং বেশ ভালোভাবেই দেখাচ্ছেন। দেখতেই তো পাচ্ছি, কতটা শক্তিশালী প্রাণী আমরা!!একটা ক্ষুদ্রতর প্রাণী থেকে বাঁচতে মার্কিনীরা দলে দলে আত্মহত্যা করার জন্য অনুমতি চাচ্ছে।
আল্লাহ্‌ এটাও বলে দিয়েছেন পবিত্র কোরআনে,”সেদিন (হাশরে) তারা মৃত্যুকে আহ্বান করবে। কিন্তু মৃত্যুও তাদের কাছ থেকে চিরবিদায় নিয়েছে “। শুধু কি তাই? সেদিন পিতা পুত্রকে ভুলে যাবে, স্ত্রী স্বামীকে, মা তার সন্তান কে এবং সন্তান তার মাকে। কিছু বুঝতে পাচ্ছেন করোনা আক্রান্ত মানুষেরা!
এটা আখেরাতের সে ভয়ংকর দিন নয়,
এটা দুনিয়ার জীবনে তার একটা মহড়ামাত্র!!

আল্লাহ আমাদের মাফ করুন , আমরা গুনাহগার , অপরাধী ,আমাদের আপনার দয়া থেকে দুরে ফেলে দিবেন না , আমরা আপনার দয়ার ভিখারী ,দয়ার কান্গাল , । আমাদের গ্রহন করুন দয়াল নবীজি(স) এর উম্মত হিসেবে , আমিন ।

আলহাজ্ব সোহেল আহমেদ ,
সাংবাদিক ,লেখক

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..