1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ১০:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে বঙ্গবন্ধু অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন: ড.কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু স্বপ্নচারী এবং দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব ছিলেন: ড.কলিমউল্লাহ বিজিবির রাতভর অভিযানে ভোরে ৯ গরু জব্দ, আরো ৫১টি গরু পাহাড়ে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও সার্জন,ভুয়া এমবিবিএস ও এমডি পদধারী প্রতারক ডাক্তার আটক র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের জন্য ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঈদগাঁও বাজারে চাঁদা দাবির অভিযোগ! বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হারাগাছ সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত। রংপুরের গংচড়ায় বিধবা ভাতা ও একটি টিনের ঘরের জন্য আকুতি জানিয়েছেন রুনা লায়লা গ্লোবাল টিভির সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসী মুন্নার গ্রেফতারের দাবিতে সাভারে বিভিন্ন কর্মসূচী

নরসিংদীতে ডিলারের বিরুদ্ধে ১০টাকা কেজি চাল আত্মসাতের অভিযোগ।

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২০
  • ৬২ বার

মাসুূদ রানা বাবুল নরসিংদীতে ডিলারের বিরুদ্ধে ১০টাকা কেজি চাল আত্মসাতের অভিযোগ

নরসিংদী প্রতিনিধি : নরসিংদীতে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০টাকা কেজি দরের চাল বিতরণে ডিলারের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
এ কর্মসূচির তালিকাভুক্ত অথচ সুবিধা বঞ্চিত এমন কয়েকজন ব্যক্তি এ অভিযোগ করেছেন ।

নরসিংদী সদর উপজেলার পাইকারচর ইউনিয়নের ১, ২, ৩, ৪ ও ৫ নং ওয়ার্ডের ডিলার আব্দুল মজিদ মিয়ার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগপত্র দাখিল করেন ওই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবাদুল্লাহ ও মো: গিয়াস উদ্দিন। গত ১৭ মে তারা পৃথক পৃথক অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
পরবর্তীতে ১জুন সোমবার বিকেলে তারা স্মরণাপন্ন হয়ে বিষয়টি মৌখিকভাবে অবহিত করেন এবং অভিযোগের কপি,তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির কপি ও জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটো কপি প্রদান করেন। এসময় তাদের সাথে তালিকায় নাম আছে কিন্তু কার্ড কিংবা চাল পায়নি এমন বেশ কয়েক জন সুবিদা বঞ্চিতও স্ব-শরিরে উপস্থিত ছিলেন।
অভিযোগে বলা হয় সুবিধা বঞ্চিত এবাদুল্লাহ ও গিয়াস উদ্দিন ওই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা। পারিবারিক অস্বচ্ছলতার কারণে গত প্রায় চার পূর্বে সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরের চাল বিতরণের তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য স্থানীয় আওয়ামীলীগের এক নেতার কাছে প্রযোজনীয় কাগজপত্র জমা দেন। ২০১৬ সালে চালু হওয়া এ কর্মসূচির তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত হয় । কিন্তূ ডিলার আব্দুল মজিদ মিয়া চাল উত্তোলনের জন্য তাদেরকে কোন কার্ড প্রদান করে নাই এবং চালও দেয়নি।। কার্ডের জন্য ডিলারের কাছে কয়েক দফা গেলে তাদের নামে কোন কার্ড আসে নাই বলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন। ডিলারের কাছে তালিকাটি দেখতে চাইলে তাও তিনি দেখায়নি।
সম্প্রতি ভুক্তভোগি এবাদুল্লাহ ও গিয়াস উদ্দিনসহ এলাকার আরো বেশ কয়েকজন সুবিধা বঞ্চিত ব্যক্তি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যলয় থেকে তালিকার কপি উত্তোলন করেন। উত্তোলনকৃত তালিকার ৫৮৭ নাম্বার সিরিয়ালে এবাদুল্লাহ পিতা মৃত সাজন মিয়া এবং ৫৩১ নং সিরিয়ালে মো: গিয়াস উদ্দিন পিতা শাহাদুদ্দিন এর নাম অন্তর্ভুক্ত আছে তা দেখতে পান। পরবর্তীতে ডিলারের কাছে গেলে তাদের নামে কোন কার্ডই তিনি পাননি বলে জানান। ডিলারের কাছ থেকে প্রত্যাহিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর এ অভিযোগ করেন।
অভিযোগকারী এবায়দুল্লাহ জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করার পর কোন সুফল পায় কিনা তা কয়েকদিন দেখেন তারা। কিন্তু ১৫ দিনের অধিক সময় গত হওয়ার পরেও কোন সুফল না পাওয়ায় তারা সাংবাদিকদের শরণাপন্ন হন।
এসময় অপর অভিযোগকারী মো: গিয়াস উদ্দিন বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। অভাবের তাড়নায় তালিকায় নাম দেই। আমার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলেও গত চার বছর যাবৎ কোন কার্ড কিংবা চাল পাইনি। যারা আমাকে আমার ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করেছে আমি তাদের বিচার চাই।
তালিকায় নাম আছে সিরিয়ল নাম্বার ৩৩, ওই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মো: মাইন উদ্দিন পিতা নেওয়াজ আলী, সিরিয়ল নাম্বার ৪৩ – শাহিন মোল্লা পিতা জলিল মোল্লা একই অভিযোগ করেন।
তারা জানায় পুরো ইউনিয়নে ১৫ শ’ এর অধিক লোকের নাম তালিকায় থাকলেও ডিলার মজিদ মিয়ার অধিনে তালিকাভুক্ত ৭৪৮ জন।তার মধ্যে এলাকায় প্রায় শতাধিক লোক, যাদের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত আছে কিন্তু গত চার বছর যাবৎ কোন কার্ড কিংবা চাল পায়নি।
অভিযোগকারীরা জানায় , ডিলার আব্দুল মজিদ মিয়া পাইকারচর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হবার সুবাধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে হত দরিদ্র ও দুস্থ শতাধিক মানুষের চাল আত্মসাৎ করছেন ওই ডিলার।
এব্যাপারে অভিযুক্ত ডিলার আব্দুল মজিদের মোবাইল ০১৭১১২০৩৫৯৮ নাম্বারে বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।
পাইকারচর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাশেম জানান, এব্যাপারে কোন সুবিধা বঞ্চিতই তাকে কিছু জানায়নি বা তার কাছে কোন অভিযোগ করেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..