1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahmed : Sohel Ahmed
বুধবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
এইচএসসির ফল প্রকাশ আগামীকাল, যেভাবে জানা যাবে ফল রাজধানীর বাজারগুলোয় কিছুটা কমেছে চালের দাম, বেড়েছে মুরগির দাম মুম্বাইয়ে ফের জঙ্গি হামলার হুমকি, সতর্কতা জারি বিএনপির আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয় না : আমু দেশের ৩২ জেলায় নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ চন্দনাইশ হাশিমপুরে মিলাদ মাহফিলে শায়েখ মাও. হাসান আল- আজহারী ভৈরবে ছাত্রী অপহরণ মামলার আসামী গ্রেফতার সত্যিই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে যাত্রা শুরু করেছি – শিক্ষামন্ত্রী পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অবজ্ঞা আর রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে শক্ত অবস্থান নিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু : ড.কলিমউল্লাহ বাগেরহাটের রামপালে ০৯ (নয়) কেজির অধিক তামারসহ চোর চক্রের ০৩ জন সদস্য আটক

নাঙ্গলকোট হেসিয়ারার সোহেল অবশেষে ভাতিজীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে, অদৃশ্য কারণে প্রসাশন নিরব।

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১০ জুন, ২০২০
  • ১০০ বার

জামাল উদ্দিন স্বপন
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বাঙ্গড্ডা ইউনিয়নের হেসিয়ারা গ্রামে আপনা চাচা কর্তৃক ভাতিজী ধর্ষণের ঘটনায় অবশেষে ঐ ধর্ষক নিজের মুখে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।
অবশেষে গ্রামের কিছু সাধারণ মানুষের তোপের মুখে নিজের দায় স্বীকার করলো ধর্ষক সোহেল।
এছাড়াও ধর্ষক সোহেল একাধিক স্কুলগামী মেয়ে ও বিবাহিত মহিলাকে বিভিন্ন সময়ে উত্যক্ত করতো বলে স্বীকার করেছেন। আজ সরেজমিন এলাকায় সাধারণ মানুষদের সাথে বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায় এই ধর্ষণ ছাড়াও সে গ্রামের আরো অনেক অসামাজিক কাজের সাথে লিপ্ত। জানা যায়, গ্রামের সাইফুল ইসলামের মেয়েকেও সে গালে কামড় দিয়েছিলো কিছু দিন আগে।
তার বাড়ির পাশে প্রবাসী মনিরের মেয়েকে কূ-প্রস্তাব দিলে মেয়ে তার মাকে বলে দেয়। এতে মেয়ের মা সোহেলকে ধমক দেয়।
তার বাড়ির পাশে নদীর ধারে ইউছুপ মিয়ার মেয়েকেও কূ- প্রস্তাব দেয় বলে জানা যায়।
একই গ্রামের বাচ্চুর বোনকে কূ-প্রস্তাব দিলে সে গ্রামের লোকদের কাছে বিচার দাবি করে। কিন্তু বিচারকরা এটা কর্ণপাত করেনি, প্রভাবশালী ধর্ষক সোহেলের কাজ থেকে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করে।
গ্রামের আরবের মেয়ে খুব সহজ সরল। এই সহজ সরল মেয়েটিও তার থাবা থেকে রক্ষা পায়নি।
সর্বশেষ আপন ভাতিজী তার লালসার স্বিকার হয়ে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হলো।
এর মধ্যে অনেক মেয়ে লোক লজ্জার ভয়ে প্রকাশ করেনি অনেক ঘটনা।
এমতাবস্থায় গ্রামের অধিকাংশ মানুষ তার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
কিন্তু গ্রামের অসাধু ব্যক্তি সিরাজের ছেলে বাবুল মিয়া, মৃত সুবহান মিয়ার ছোট ছেলে খোরশেদ, হাফেজ মিয়ার বড় ছেলে নবী ধর্ষকের কাছ থেকে টাকা খেয়ে বিষয়টিকে দামাছাপা দেয়ার চেষ্টা করছে।
কিন্তু গ্রামের সাধরণ মানুষের ছাপে অবশেষে সকল দায় স্বিকার করে ধর্ষক সোহেল। কিন্তু সোহেল দায় স্বীকার করলেও গ্রামের কিছু সর্দার মাতাব্বর ভিকটিমের পরিবারকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছে যাতে বিষয়টা নিয়ে বারাবাড়ি না করে এবং তারা যা বলে তা যেন মেনে নেয়। তাই সুস্থ বিচার হয় কিনা তা নিয়ে গ্রামের মানুষের মাঝে সন্দেহ বিরাজ করছে।
গ্রামের অসাধু কিছু ব্যক্তি তার থেকে টাকা খেয়ে বিষয়টাকে খুব ছোট পরিসরে শেষ করার চিন্তা ভাবনা করছে।
এমতাবস্থায় গ্রামের লোকজন বিষয়টি সুরাহা করার জন্য এবং সুষ্ঠু বিচারের জন্য নাংগলকোট উপজেলা যুবলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব সাইফুল ইসলামের উপর ছেড়ে দেয়।
এতোবড় একটি ঘটনা এখনো প্রসাশনের নজরে এনেছে বলেও মনে হয় না, অথবা অদৃশ্য কারণে চুপ রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..