1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ১২:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধু পরম হিতৈষী মানব ছিলেন: ড.কলিমউল্লাহ ছাতকে লাফার্জহোলসিম এর ত্রান বিতরণঃ অন্যান্যদেরও এগিয়ে আসার আহবান জানালেন স্থানীয় এমপি ভৈরবে বিভিন্ন দল থেকে দুই হাজার লোকের আওয়ামীলীগে যোগদান বন্যার্তদের সহযোগিতার জন্য যশোর জেলা বিএনপির অর্থ সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু বঙ্গবন্ধু সারাটি জীবন মনুষ্য সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন: ড.কলিমউল্লাহ ভৈরবে এক হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ছাতক পিডিবির কর্মকতা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিটার চুরি ও ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ দুর্গাপুরে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা তুলে দিয়ে ১০০ টাকা রেখে দিচ্ছেন বিকাশ দোকানি রংপুরে তরুণীকে ধর্ষণ, ১৫ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন ফেনীর সোনাগাজীতে মোশারফ হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।

২০০০সাল থেকে ২০২০, দেশের যত ভয়াবহ লঞ্চ দুর্ঘটনা।

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০
  • ৮৯ বার


নিজস্ব প্রতিবেদক
যাতায়াতে সবচেয়ে আরামদায়ক ও নিরাপদ মনে করা হয় নৌপথকে। তবে মাঝে মাঝে এ পথেও দুর্ঘটনা ঘটে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যান্ত্রিক ত্রুটি, মুখোমুখি সংঘর্ষ ও চালকের অসাবধানতাসহ বিভিন্ন কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। তাতে প্রাণহানী ঘটে অনেক যাত্রীর। তেমনই কিছু লঞ্চ দুর্ঘটনা বা লঞ্চডুবি নিয়ে আজকের আয়োজন—
এমভি রাজহংসী: ২০০০ সালের ২৯ ডিসেম্বর ঈদুল আজহার রাতে চাঁদপুরের মতলব উপজেলার ষাটনল এলাকায় মেঘনা নদীতে ‘এমভি জলকপোত’ ও ‘এমভি রাজহংসী’ নামের দুটি যাত্রীবাহী লঞ্চের সংঘর্ষ হয়। এতে প্রাণ হারায় রাজহংসীর ১৬২ যাত্রী।
এমভি সালাউদ্দিন: ২০০২ সালের ৩ মে চাঁদপুরের ষাটনল সংলগ্ন মেঘনায় ডুবে যায় সালাহউদ্দিন-২ নামের যাত্রীবাহী লঞ্চ। ওই দুর্ঘটনায় ভোলা ও পটুয়াখালী জেলার ৩৬৩ যাত্রী মারা যান।
এমভি নাসরিন: ২০০৩ সালের ৮ জুলাই ঢাকা থেকে লালমোহনগামী ‘এমভি নাসরিন-১’ চাঁদপুরের ডাকাতিয়া এলাকায় অতিরিক্ত যাত্রী ও মালবোঝাইয়ের কারণে পানির তোড়ে তলা ফেঁটে যায়। এতে প্রায় ২ হাজারের বেশি যাত্রীসহ এটি ডুবে যায়। এ দুর্ঘটনায় ১২৮ পরিবারের প্রধানসহ সরকারিভাবে ৬৪১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। কিন্তু বেসরকারি হিসেবে লাশ উদ্ধার করা হয় প্রায় ৮০০।
এমভি লাইটিং সান: ২০০৪ সালের ২২ মে ‘এমভি লাইটিং সান’ লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৮১ জন এবং ও ‘এমভি দিগন্ত’ ডুবির ঘটনায় শতাধিক যাত্রীর মৃত্যু ঘটে। এ ছাড়া ভৈরবের মেঘনা নদীতে এমএল মজলিসপুর ডুবে ৯০ জনের মৃত্যু হয়।
এমএল শাহ পরাণ: ২০০৬ সালে মেঘনা সেতুর কাছে ‘এমএল শাহ পরাণ’ লঞ্চ দুর্ঘটনায় ১৯ জন মারা যায়।

এমভি কোকো: ২০১১ সালের ২৮ মার্চ চাঁদপুরের বড় স্টেশন মোলহেড এলাকায় মেঘনা নদীতে দুটি লঞ্চের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে যায় এমভি কোকো-৩ নামের একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ।
এম ভি মিরাজ: ২০১৪ সালের ১৫ মে মুন্সীগঞ্জের কাছে মেঘনা নদীতে যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি মিরাজ-৪ ডুবে যাওয়ার পর অন্তত ২২ জন যাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুশ’র বেশি যাত্রী নিয়ে লঞ্চটি ঢাকা থেকে শরীয়তপুরের সুরেশ্বরের দিকে যাচ্ছিল।
পিনাক: ২০১৪ সালের ০৪ আগস্ট পদ্মায় স্মরণকালের ভয়াবহ নৌ-দুর্ঘটনায় আড়াই শতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় পিনাক-৬ নামের একটি লঞ্চ। উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে ২১ জনকে শিবচর পৌর কবরস্থানে অজ্ঞাতনামা হিসেবে দাফন করা হয়।
গ্রীন লাইন: ২০১৭ সালের ২২ এপ্রিল বরিশাল সদর উপজেলার কীর্তনখোলা নদীর বেলতলা খেয়াঘাট এলাকায় বালুবাহী একটি কার্গোর ধাক্কায় এমভি গ্রীন লাইন-২ লঞ্চের তলা ফেটে যায়। লঞ্চটি তাৎক্ষণিকভাবে তীরের ধারে নেওয়ায় দুই শতাধিক যাত্রী প্রাণে বেঁচে যায়।
৩ লঞ্চডুবি: ২০১৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদীর ওয়াপদা চেয়ারম্যান ঘাটের টার্মিনালে তীব্র স্রোতে ডুবে যায় তিনটি লঞ্চ। এতে একই পরিবারের তিন জনসহ লঞ্চ স্টাফ ও যাত্রীসহ ২২ জন লোক ছিল।
এমভি রিয়াদ: ২০১৯ সালের ২২ জুন মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে এমভি রিয়াদ নামের একটি লঞ্চের তলা ফেটে অর্ধেক পানিতে ডুবে যায়। লঞ্চের তলা ফেটে পানি উঠতে শুরু করলে অন্য ট্রলার গিয়ে লঞ্চযাত্রীদের উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে যায়।
দুই লঞ্চের সংঘর্ষ: ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি বরিশাল-ঢাকা নৌ-পথের মেঘনা নদীর চাঁদপুর সংলগ্ন মাঝ কাজীর চর এলাকার মাঝ নদীতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে দুই যাত্রী নিহত এবং আটজন আহত হয়। হতাহতদের মধ্যে নিহত দুজনসহ আহত তিনজন এমভি কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চের এবং বাকি আহত পাঁচজন এমভি ফারহান-৯ লঞ্চের যাত্রী ছিলেন।
বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি: ২০২০ সালের ২৯ জুন সকালে রাজধানীর শ্যামবাজার এলাকা সংলগ্ন বুড়িগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটে। দুই লঞ্চের ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..