বেনাপোলে মাদক ও চোরাই মালের মক্ষীরানী সাগরিকার সেন্টিগেট বেপরোয়া।

আঃজলিল শার্শা যশোর প্রতিনি : যশোরের বেনাপোল ভবেরবেড় গ্রামের সাগরিকা নামে ইয়াবা, ফেন্সিডিল ব্যবসায়ী এখন চোরাই সিন্ডিকেটের পন্য ক্রয় করছে বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। বিশিষ্ট ইয়াবা ও ফেন্ডিসিডিল ব্যবসায়ী ভবেরবেড় গ্রামের ইশারত এর স্ত্রী এই সাগরিকা। গত বছর ভারতে ফেন্সিডিল আনতে যেয়ে ইশারত দৌলতপুর সীমান্তে বিএসএফ এর ধাওয়া খেয়ে পানিতে ডুবে ইছামতি নদীতে মারা যায়।

এলাকাসুত্রে জানা গেছে সাগরিকা এলাকার যত চোরাইপন্য ক্রয় এবং ইয়াবা ও ফেন্সিডিল ব্যবসা করে থাকে। সে সম্প্রতি যশোর মাদক নিয়ন্ত্রন কর্তৃপক্ষের কাছে ফেন্সিডিল সহ ধরা পড়ে। এবং মাদক নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তর এর ইন্সপেক্টর মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করে সাগরিকার নামে। বেনাপোল রেল রোডের মিন্টু ডাক্তার এর ডায়াগনষ্টিক এর চুরি যাওয়া কিছু পন্য মাসখানেকওই সাগরিকার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়।

এরপর বেনাপোল রেল ষ্টেশনের দোকানদার আব্দুল মালেকের দোকানের কিছু পণ্য মঙ্গলবার (১৪ জুন) তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বলে জানা যায়। সাগরিকা তার মাদক ব্যবসার পাশাপাশি সে একটি সন্ত্রাসী চক্র ও লালন করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে সাগরিকার কাছে তার এসব অপকর্মের কথা জিজ্ঞাসা করলে সে বলে আমার বাড়ি শরিফ কিছু ভাজা, বিস্কুট , চকলেট রেখে ছিল। তবে শরীফ আমার নিকট থেকে ১ হাজার টাকাও নিয়েছিল। মালের দাম ৭ শত টাকা। সে তিনশত টাকা বেশী নিয়েছে। শরীফএর এসব পণ্য রেল ষ্টেশনের দোকানদার মালেক দাবি করে। ফেন্সিডিল এর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় মাদক নিয়ন্ত্রন এর লোক ফোন করে খেতে চেয়েছিল আমি তা এনে দিয়েছিলাম। তারপর তারা আমার নামে মামলা দায়ের করে। ভবেরবেড় এলাকায় আমি যেখানে থাকি সেই এলাকার প্রায় বাড়িতে ফেন্সিডিল বিক্রি হয় বলে সাগরিকা দাবি করে।

ওই এলাকার একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র দাবি করে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সাগরিকা ইয়াবা, ফেন্সিডিল বিক্রি করে। এর বাড়িতে মাঝে মধ্যে পুলিশের লোককে দেখা যায়। কি কারনে কেন পুলিশ আসে জিজ্ঞেস তিনি বলেন, আসে সাপ্তাহিক ও মাসিক টাকা নিতে। সাগরিকা মাদক ব্যবসা করে এটা পুরো ভবেরবেড় এলাকার মানুষ জানে।সে মাদকের বিনিময়ে চোরাই পণ্য ক্রয় করে যুবসমাজ কে ধ্বংস করছে।

এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই মাসুম বিল্লাহ বলেন, বেনাপোল রেল ষ্টেশন সংলগ্ন একটি দোকানে চুরি যাওয়ার অভিযোগে ভবেরবেড় গ্রামের আলতাফ এর ছেলে আলামিন, রাজ্জাক এর ছেলে শরীফ ও দলুর ছেলে আলামিন কে আটক করা হয়েছে। এদের ব্যাপারে ওসি সাহেব ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.