1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনের অযৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঊনপঞ্চাশটি মোবাইল ফোনসহ পোনে এক লক্ষ টাকা উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯২তম জন্মদিন উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পন সহকারী অধ্যাপক হিসাবে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ দিচ্ছে বশেমুরবিপ্রবি শিবচরে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে শেখ কামাল’র জন্মবার্ষিকী পালিত বরগুনার তালতলীতে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন রংপুর চিড়িয়াখানায় জলহস্তি নুপুর ও কালাপাহাড় জুটির প্রথমবার বাচ্চা প্রসব রংপুরে অনুমোদনহীন ঔষধ কারখানায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ঔষধ জব্দসহ অর্থদন্ড পাবনা ফরিদপুরে সন্ত্রাসীদের গ্রামবাসীর গণপিটুনি পাবনা সুজানগরে ডিবি পরিচয়ে কসাই থেকে ২৫ কেজি মাংস নিয়ে পলাতক আসামী গ্রেপ্তার

পানির নিচে উপজেলা পরিষদ- থানা, লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২০
  • ১২৫ বার

জলিল : বাঁধ ভেঙে উপজেলা সদরসহ শতাধিক গ্রামে হুহু করে পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে। গত বছরে বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সেই বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে এবারেও তলিয়ে গেছে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলা পরিষদ ও মডেল থানা।

আস্তে আস্তে তলিয়ে যাচ্ছে পুরো নগর। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বহু পরিবারের মানুষ। বাড়ছে দুর্ভোগ। প্রধান প্রধান সড়কগুলো তলিয়ে যাচ্ছে প্লাবিত পানির নিচে। যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়তে শুরু করেছে।

জানা গেছে, জেলার চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রের পানি কমতে শুরু করলেও এখনো বিপদসীমার শুক্রবার ১২টা পর্যন্ত ৮৭ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গ্রাম গুলো এখনোও বন্যার পানিতে তলিয়ে রয়েছে।

বন্যার পানি থেকে রক্ষা পেল না উপজেলা সদর। গত বছরের বন্যার পানির তোড়ে কাঁচকোচ বাজার এলাকায় বাঁধ ভেঙ্গে গেলেও তা মেরামত না করায় এবারের বন্যায় দ্রুত বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে শহরে। গত দু’দিনে বন্যার পানিতে উপজেলা পরিষদসহ আশপাশের বেশকিছু এলাকা নুতুন করে প্লাবিত হচ্ছে।

ফলে কয়েক হাজার পরিবারের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় শহরের আশপাশের বেশ কিছু পরিবার কেচি সড়ক ও রেল লাইনের ধারে আশ্রয় নিয়ে কষ্টে জীবন যাপন করছে।

অনেকের আশ্রয় মিললেও অনেকেই আবার আশ্রয়ের ভাগ্য জুটি নি। দুর্ভোগ বাড়ছে বন্যাকবলিত মানুষের। রেল লাইন ও কেচি সড়কে আশ্রয় নেওয়া একাধিক লোক জানান, শহর রক্ষা বাঁধটি মেরামত না করায় তাদেরকে বন্যার পানিতে ভেসে যেতে হচ্ছে। উপজেলা সদরসহ শতাধিক গ্রাম নুতুন করে প্লাবিত হয়েছে। পানির যে গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই পরিমান পানি কমছে না। পানিতে উপজেলা পরিষদ ও থানা তলিয়ে যাওয়ায় আবাসিক কোয়াটারে অবস্থান নেয়া পরিবার গুলো বিশুদ্ধপানি সংকটে পড়েছে। এছাড়াও তারা বাড়ি থেকে বের হতেও পারছে না। উপজেলা পরিষদ ও থানা তলিয়ে যাওয়ায় দাপ্তরিক কার্যক্রমের কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..