1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahmed : Sohel Ahmed
বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগেরহাটের রামপালে ০৯ (নয়) কেজির অধিক তামারসহ চোর চক্রের ০৩ জন সদস্য আটক জাপানি মেয়েসহ আত্মগোপনে থাকা বাবাকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব সুস্থ-সবল-জ্ঞান-চেতনাসমৃদ্ধ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ মানুষের দেশ গড়তে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু : ড.কলিমউল্লাহ শিক্ষাকে বাণিজ্যিক পণ্য বানাবেন না: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ আলো থেকে আর অন্ধকারে ফিরে যাবে না – ওবায়দুল কাদের শেরপুরে ক্ষেতজুরে সূর্যমুখী ফুল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রতিবেশির জায়গা দখল করে বসতবাড়ি নির্মান করছে প্রভাবশালীরা বিশ্বনাথে উপজেলা আ’লীগের ভালবাসায় সিক্ত ভারপ্রাপ্ত পৌর মেয়র রফিক হাসান সাংবাদিক আলমগীর নূরকে অপহরণ,হত্যা প্রচেষ্টা; সন্ত্রাসী ও গডফাদারদের গ্রেপ্তার দাবী সুইডেনে কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে কালিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

“স্বপ্ন সারথীর হাতে যখন বেরোবি, রংপুর “

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২০
  • ৬৩৫ বার

১৯৮৫ সালে প্রফেসর হুমায়ুন আজাদ তার কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে কবিতার পংক্তিতে বলে গিয়েছেন- “সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে”। কিন্তু তাঁর এই শঙ্কা যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর ক্ষেত্রে ঘটতে দিবেন না বলে একজন ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন এবং যার কাঁধে চেপে বেরোবি আজ স্বপ্ন দেখছে বিশ্বকে জয় করার, তিনি আর কেউ নন, তিনি হলেন সদা কর্মচঞ্চল ব্যক্তিত্ব বেরোবির বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার। যাকে নিয়ে বলতে গেলে হয়ত আমার কলমের কালি ফুরিয়ে যাবে কিন্তু কথা ফুরোবে না।

ইতোপূর্বে আরও দুটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজের অভিজ্ঞতার এবং আমার যোগদানের পরবর্তী বেরোবির তিনজন উপাচার্যের সান্নিধ্যে আসার সুবাদে একথা বলতে আমার একটি বারের জন্যও ভাবতে হবেনা যে, চিন্তায়, চেতনায়, মানসিকতায় এগিয়ে থাকা সবথেকে বিচক্ষণ ব্যক্তিটিই এখন বেরোবির অভিভাবক। তাঁর দূরদর্শী চিন্তা-ভাবনা একুশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সবদিক থেকে বেরোবি, রংপুর-কে রাখছে সদা প্রস্তুত। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে শিক্ষায়, গবেষণায়, উদ্ভাবনী চিন্তায় মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার সর্বদায় নিরলস ভূমিকা রেখে চলেছেন।

২০১৮ সালে পিএইচডি সম্পন্ন করে দেশে ফেরার কিছুদিন বাদেই নতুন করে সবকিছু গুছিয়ে উঠতে না উঠতেই আমাকে বিভাগীয় প্রধানের গুরু দায়িত্ব অর্পণ করলেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার। তবে তাঁর আন্তরিক সান্নিধ্যে দায়িত্ব পালনে এখন পর্যন্ত আমাকে এতটুকুও সমস্যায় পড়তে হয়নি ৷ আমার পিএইচডি চলাকালীন সময়েই জানতে পেরেছিলাম, সেই সময়ে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবীকে পূর্ণাঙ্গ সমর্থন জানিয়ে মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার বিভাগের নাম পরিবর্তন করে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই)বিভাগে রুপান্তরিত করার বিষয়টি সিন্ডিকেটে অনুমোদন দিয়েছেন এবং শিক্ষার্থীদের আরো একটি দাবী ‘মাস্টার্স’ কোর্স চালুকরণেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এরপর দেশে এসে স্বচক্ষে তাঁর কার্যাদি দেখে বুঝতে অসুবিধা হয়নি ঠিক কোন জায়গায় তিনি অন্য সবার চেয়ে ব্যতিক্রম।

জাতীয় পর্যায়ে অবদান রেখে চলা বিভিন্ন রিসোর্স পারসনদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বিভাগে নিয়মিত সভা, সেমিনার, ওয়ার্কশপ আয়োজন করে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা এবং গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করবার ব্যাপারে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে চলেছেন মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার। ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং( ইইই) বিভাগকে পরিপূর্ণভাবে সেশনজট মুক্ত করতে বিভিন্ন সময়ে নানা রকম পরামর্শ প্রদান করে আমার কাজকে অনেকখানি সহজ করে দিয়েছেন উপাচার্য স্যার। শত ব্যস্ততার মাঝেও কিভাবে তাঁর মত একজন ব্যক্তি ধৈর্য সহকারে সব সমস্যার সমাধান করে চলেছেন, ব্যাপারটি ভাবতেও ভীষণ অবাক লাগে। তাই তিনি আমার কাছে একজন আদর্শ উপাচার্য হিসেবেই শুধু নন বরং প্রবল আত্মবিশ্বাস ও অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন।

বিভাগে তাঁর অবদান নিয়ে আরো বলতে গেলে, মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার ২০১৭ সালে দায়িত্ব গ্রহণের অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ইইই বিভাগে উদ্বোধন করেন আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব, এছাড়াও তাঁরই উদ্যোগে পরবর্তীতে বিভাগের চাহিদার প্রেক্ষিতে সরবরাহ করা হয় ল্যান কানেকশনের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি । বর্তমানে ইইই (ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং) বিভাগে আরো কিছু আধুনিক গবেষণাগার স্থাপনে প্র‍য়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা প্রদান করেছেন উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার। ইতোমধ্যেই তিনি বিভাগে দুটি সেন্টার খোলার অনুমোদনও দিয়েছেন , “সেন্টার ফর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এন্ড রোবটিক্স” এবং “সেন্টার ফর ইলেকট্রিক অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়ারিং”।

এক কথায় যুগের অগ্রগামী চিন্তাধারার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক ব্র‍্যান্ডিং এ এনে দিতে অক্লান্ত পরিশ্রম করে প্রতিনিয়ত নিজেকে অনন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যাচ্ছেন বেরোবি, রংপুর এর বর্তমান উপাচার্য। আর তাই তাঁর এই পথচলায় অগ্রগামী সৈনিক হিসেবে সামান্য একটু অবদান রাখতে পারলেও নিজেকে পরম সৌভাগ্যবান মনে করব। যে বেরোবির স্বপ্ন দেখেছিলাম এবং যা কিছু প্রত্যাশা করেছিলাম, এখনকার বেরোবি ঠিক তেমনই আছে। তাই, এগিয়ে যাক উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার, এগিয়ে যাক স্বপ্নের বেরোবি।

লেখকঃ
ড. সুমন কুমার দেবনাথ
সহযোগী অধ্যাপক
এবং বিভাগীয় প্রধান (বর্তমানে ছুটিতে)
ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
বেরোবি, রংপুর।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..