1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahmed : Sohel Ahmed
বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাগেরহাটের রামপালে ০৯ (নয়) কেজির অধিক তামারসহ চোর চক্রের ০৩ জন সদস্য আটক জাপানি মেয়েসহ আত্মগোপনে থাকা বাবাকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব সুস্থ-সবল-জ্ঞান-চেতনাসমৃদ্ধ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ মানুষের দেশ গড়তে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু : ড.কলিমউল্লাহ শিক্ষাকে বাণিজ্যিক পণ্য বানাবেন না: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ আলো থেকে আর অন্ধকারে ফিরে যাবে না – ওবায়দুল কাদের শেরপুরে ক্ষেতজুরে সূর্যমুখী ফুল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রতিবেশির জায়গা দখল করে বসতবাড়ি নির্মান করছে প্রভাবশালীরা বিশ্বনাথে উপজেলা আ’লীগের ভালবাসায় সিক্ত ভারপ্রাপ্ত পৌর মেয়র রফিক হাসান সাংবাদিক আলমগীর নূরকে অপহরণ,হত্যা প্রচেষ্টা; সন্ত্রাসী ও গডফাদারদের গ্রেপ্তার দাবী সুইডেনে কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে কালিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

বন্যায় বিপাকে পড়েছে জবি শিক্ষার্থীরা!

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০
  • ১৭৪ বার

জবি প্রতিনিধিঃ বন্যায় ভাসছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। পানিবন্দী অবস্থায় বিশাল জনগোষ্ঠী। দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। জানা যায়, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা, দুধকুমারসহ অধিকাংশ নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে কয়েক লাখ মানুষ। এসব এলাকার সাধারণ মানুষের মতো বিপাকে পড়েছে ওখানে বসবাস করা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানান, ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৬ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ৬৩ সেন্টিমিটার ও ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ৭৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার চিলমারী, উলিপুর, রৌমারী, রাজিবপুর, সদর, নাগেশ্বরী উপজেলাসহ নয় উপজেলার ৫১ ইউনিয়নের প্রায় দেড় লাখ মানুষ পানিবন্দী জীবন যাপন করছে।

বিভিন্ন এলাকায় একধরনের ঘরবন্দী আর অনিশ্চিত জীবনযাপন করছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী। এরমধ্যে শুরু হয়েছে অনলাইন ক্লাস।কিন্তু এ পরিস্থিতিতে ওইসব এলাকার শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা এবং চলমান অনলাইন ক্লাসের উপর একধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

বন্যাকবলিত এলাকার জবি শিক্ষার্থীরা কি ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে তাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার কথা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রোকনুজ্জামান সাতক্ষীরার প্রতাপনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা তিনি জানান,সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের হাজারো মানুষ নদীর জোয়ার ভাটার কবলে বন্দী।

দূর্বিষহ জীবন যাপনের মধ্যে কাটছে দৈনন্দিন হাজারো মানুষের। তবে থেমে নেই। এগিয়ে চলেছে সবাই আপন গতিতে। কারণ সবাইকে তো বেঁচে থাকতে হবে।

জীবন সংগ্রামের সাথে যুদ্ধ করে বেঁচে আছে এখনো অত্র ইউনিয়নের হাজারো মানুষ।

গত ২০ই মে আমফানের প্রভাবে কপোতাক্ষ নদ এবং খোলপেটুয়া নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে গিয়ে প্রতাপনগর ইউনিয়নের হাজারো মানুষ এখনো নদীর জোয়ার ভাটার কবলে বন্দী। দীর্ঘ দুই মাস ৫ দিন হয়ে গেলো। এখনো বেড়িবাঁধ হয় নি। আর কবে হবে সেটা ও কেউ জানে না। কারণ প্রশাসনের গাফিলতি রয়েছে। যার ফলে অত্র ইউনিয়নের হাজারো মানুষের এই অবস্থা।

যাই হোক আমি ও অত্র ইউনিয়নের একজন বাসিন্দা। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।এমন অবস্থায় নিজের পড়ালেখারও ব্যাঘাত ঘটছে পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় কাজেরও। কি আর করার,জীবন তো থেমে থাকবে না। শত বাঁধা উপেক্ষা করেও এগিয়ে যেতে হবে প্রবাহমান স্রোতের মতো।আগুনের ফুলকির মতো প্রজ্বলিত হয়ে উঠতে হবে বিগত দিনগুলোর ন্যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ফরহাদ রেজা কুড়িগ্রামের বাসিন্দা তিনি বলেন,বন্যার কারনে আমাদের কুড়িগ্রাম জেলার বেশিরভাগ অঞ্চলই প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে রৌমারী, রাজিবপুর, চিলমারী, রাজারহাট, উলিপুর, ভুরুঙ্গামারী উপজেলার প্রায় ৭০ শতাংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বন্যা রোধের জন্য নির্মানকৃত বাঁধ পুরোপুরি ভেঙে গিয়ে আশেপাশের সমস্ত এলাকা তলিয়ে গেছে। রাস্তাঘাট প্লাবিত হয়ে সব রকম যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অনেক গবাদি পশু মারা যাচ্ছে। এসব কারণে যেকোন সময়ে পানিবাহিত নানা রোগের সৃষ্টি হতে পারে। নিজ এলাকায় এমন দুর্যোগপূর্ণ অবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় আমাদের নিত্য প্রয়োজনীয় কাজে ব্যাঘাত ঘটছে ও পড়ালেখার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। দুঃস্থ ও দরিদ্র জনগোষ্ঠী প্রশাসন থেকে যেই সাহায্য পাচ্ছে তা কেবল নামেমাত্র। আদম তমিজি হক তার মানবিক বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, যদিও তা যথেষ্ট নয়।

এসব অঞ্চলে পর্যাপ্ত ত্রাণ সরবরাহ করা এবং পানি বাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত। বন্যায় ক্ষয়ক্ষতি রোধে স্থায়ী ভাবে টেকসই বাঁধের ব্যবস্থা করতে হবে।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যান এর পরিচালক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাকির সাথে মুঠোফোন যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,আমি এ ব্যাপারে জানি না। পিআরও এর সাথে যোগাযোগ করুন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..