1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৫:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনের অযৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঊনপঞ্চাশটি মোবাইল ফোনসহ পোনে এক লক্ষ টাকা উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯২তম জন্মদিন উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পন সহকারী অধ্যাপক হিসাবে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ দিচ্ছে বশেমুরবিপ্রবি শিবচরে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে শেখ কামাল’র জন্মবার্ষিকী পালিত বরগুনার তালতলীতে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন রংপুর চিড়িয়াখানায় জলহস্তি নুপুর ও কালাপাহাড় জুটির প্রথমবার বাচ্চা প্রসব রংপুরে অনুমোদনহীন ঔষধ কারখানায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ঔষধ জব্দসহ অর্থদন্ড পাবনা ফরিদপুরে সন্ত্রাসীদের গ্রামবাসীর গণপিটুনি পাবনা সুজানগরে ডিবি পরিচয়ে কসাই থেকে ২৫ কেজি মাংস নিয়ে পলাতক আসামী গ্রেপ্তার

শুকনা খাবার ও পশুর গো`খাদ্যের সংকট রৌমারী ও রাজীবপুরে বন্যার পরিস্থিতির অবনতি

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০
  • ৮১ বার

মানুদ রানা : ভারতের আসাম, মেঘালয় প্রদেশের বন্যার পানি ব্রহ্মপুত্র নদ দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ ও অতিরিক্ত

বৃষ্টিপাতে কারণে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত
হচ্ছে। এতে কুড়িগ্রামের রৌমারী ও রাজীবপুর উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি তৃতীয় বারের মত অবনতি হয়ে দুই উপজেলার প্রয় ২লক্ষ মানুষ পানিন্দি হয়ে পড়েছে। এই দুই উপজেলার সিংহভাগ ভাগ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ায় শুকনা খাবার ও পশু খাদ্যের চরম সস্কট দেখা দিয়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে উপজেলা দুটির সঙ্গে ইউনিয়ন গুলোর সড়ক যোগাযোগ। বাংলাদেশ পানি উন্নায়ন বোর্ড,
কুড়িগ্রাম দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পেয়ে
বিপদসীমার ৭৮ সেন্টিমিটার ওপর প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে সরেজমিনে,
দেখা যায় রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা, শৌলমারী, বন্দবেড়,যাদুরচর, চরশৌলমারী, ও রৌমারী সদর ইউনিয়নের ৯৫ টি গ্রামের এক লখ ৪০ হাজার মানুষ ও রাজীবপুর উপজেলার তিন ইউনিয়নের ৪৫টি গ্রামের ৬০হাজার মানুষ পানিবন্দি। রান্না করা খাবার, শুকনো খাবার ও পশু খাদ্যের জন্য হাহাকার চলছে বন্যা কবলিত মানুষ গুলোর মধ্যে। রৌমারী উপরজলার দ্বিতীয় দফা বন্যায় শহর রক্ষার বাঁধের জলিলের বাড়ি নামকস্থানে ভেঙ্গে গেছে। রাজীবপুরের কোদালকাটি নামক দুটি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বঁাধ ভেঙ্গে গেছে।
এছাড়া খনজনমারা বেঁড়িবঁাধের তিনটি, ঝগড়ারচর বেঁড়িবঁাধের দুইটি, সাহেবের আলগা বেঁড়িবঁাধের দুটি স্থানে গত বছর বন্যায় ভেঙ্গে গেছে। ফলুয়ারচর গ্রামের ওসমান আলী, জাইদুল
ইসলাম, ছবুর মিয়া,আতাউর মিয়া বলেন, এ বছর বারে বারে বন্যার পানি বাড়ায় আমাগো ঘর বাড়ি
তলায়া গেছে গরু বাছুর পোলাপান নিয়া আমরা রাস্তার উপর আশ্রয় নিছি, কোন কাজ কাম নাই।
খাইয়া না খাইয়া দিন যাইতেছে আমাগো। আমরা সব সময় চিন্তায় থাকি নদীর কাছে আমাগো
বাড়ি কোনসুম যে বাড়ি ঘর ভাঙ্গা নদীতে নিয়া যায়। আমাগো ধান,পাট কাডাহাড়ি নাই, বন্যার
পানিতে তলাইয়া গেছে।

উপজেলার বাইসপাড়া ও খঁানপাড়া গ্রামের হালিমা,আছিয়া, শাহিনা,আফরোজা,রহিমা,শামাতন
খাতুন বলেন নিজে গোরে খাবার জোগামু না গরু ছাগলের খাবার জোগামু আমরা কোন রিলিফ সাহায্য পাই নাই। কতবার মেম্বর চেয়ারম্যন গোথ বাড়িতে গেলাম, আবারও বন্যার পানি বাড়ায় এহন
মহাবিপদে আছি। উপজেলা হির্বাহী অফিসার মো.আল ইমরান বলেন,পানি বন্দি পরিবারের মধ্যে
জিআর চাউল,শুকনা খাবার বিতারণ কার্যক্রম অব্যাহত আছে। উপজেলার সকল বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় উপজেলা সদরসহ বাঁধের ভেতর ও বাহিরে বসবাসকারী প্রায় সকলেই বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..