“কাজই যার প্রাণ”

 

এক অনন্য উচ্চতায় বেরোবি, রংপুর-এর উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার। এটি শুধু একটি নাম নয়। তিনি জীবন্ত কিংবদন্তি, যেন এক মহাসমুদ্র। তিনি একাধারে জ্ঞানের জগৎ, স্বনামধন্য প্রশাসক, কালজয়ী শিক্ষক, সফল অভিভাবক, দেশখ্যাত এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে বিখ্যাত একজন সুমহান ব্যক্তিত্ব। নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের “কাজের আনন্দ ” কবিতায় মৌমাছি ও পিপীলিকার মতই একজন কাজপ্রিয় ও পরিশ্রমী ব্যক্তি উপাচার্য মহোদয়। গঠনমূলক কাজই যার ধর্ম, কর্ম, নেশা ও পেশা। কাজের মধ্যেই তিনি খুঁজে পান আনন্দ আর উদ্বুদ্ধ হন দেশপ্রেমে। উপাচার্য মহোদয়ের উন্নয়নমূলক কাজগুলোর গুরুত্ব বোঝার চেষ্টা করি। এক বিশাল হৃদয়ের মানুষ তিনি। কুয়োর ব্যাঙ হয়ে নীল তিমির বর্ণনা দেয়া যেমন সম্ভব নয় তেমনি হীন মানসিকতা নিয়ে উপাচার্য মহোদয়ের মূল্যায়ন করা সম্ভব নয়। জীবনের সকল ক্ষেত্রে তিনি যেমন প্রতিষ্ঠিত ও সফল তারই অংশ হিসেবে বেরোবি, রংপুর-এর উপাচার্য হিসেবেও তিনি সফল। বেরোবি, রংপুর-এর পূর্বের তিনজন উপাচার্য থেকে তিনি ভিন্ন ও বহুমাত্রিক একজন মানুষ। জীবনের কোন ক্ষেত্রে উপাচার্য মহোদয়ের পদচারণা নেই তা জানতে হলে গবেষণা দরকার। সাহিত্য, দর্শন, রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, প্রশাসন ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে তাঁর অবাধ বিচরণ। এই বিশ্ববিদ্যালয়কে তিনি তুলে ধরেছেন বিশ্ব দরবারে। বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। বেরোবি, রংপুর প্রাঙ্গণ এখন গবেষণা ও গবেষকদের আনাগোনায় মুখরিত। বর্তমানে ফুলে ফুলে, পাখির কলতানে, সবুজে সবুজে আচ্ছাদিত হয়ে আছে এই ক্যাম্পাস। প্রতিদিন শতশত মানুষ এই সবুজ প্রাঙ্গণ দেখতে আসে। আমার এই ছোট্ট জীবনে দেখা বর্তমান উপাচার্য মহোদয় একজন অনন্য অসাধারণ মানুষ। তিনি ছুটে চলেছেন ধূমকেতুর মত। তারার মত জ্বলজ্বল করে জ্বলছেন তিনি। উপাচার্য মহোদয় কে আমরা একটু বোঝার চেষ্টা করি। উপাচার্য মহোদয়ের মাধ্যমে সকল অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করে নিই। স্যারের কাজের পথকে প্রশস্থ করতে সহযোগিতা করি।

ড. মো. তানজিউল ইসলাম (জীবন)
সহযোগী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, বেরোবি রংপুর।

Leave a Reply

Your email address will not be published.