1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০১:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধু পরম হিতৈষী মানব ছিলেন: ড.কলিমউল্লাহ ছাতকে লাফার্জহোলসিম এর ত্রান বিতরণঃ অন্যান্যদেরও এগিয়ে আসার আহবান জানালেন স্থানীয় এমপি ভৈরবে বিভিন্ন দল থেকে দুই হাজার লোকের আওয়ামীলীগে যোগদান বন্যার্তদের সহযোগিতার জন্য যশোর জেলা বিএনপির অর্থ সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু বঙ্গবন্ধু সারাটি জীবন মনুষ্য সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন: ড.কলিমউল্লাহ ভৈরবে এক হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ছাতক পিডিবির কর্মকতা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মিটার চুরি ও ঘুষ দুর্নীতির অভিযোগ দুর্গাপুরে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা তুলে দিয়ে ১০০ টাকা রেখে দিচ্ছেন বিকাশ দোকানি রংপুরে তরুণীকে ধর্ষণ, ১৫ বছর পর ৩ জনের যাবজ্জীবন ফেনীর সোনাগাজীতে মোশারফ হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।

কমছে পানি, ধসে যাচ্ছে দেয়াল : রৌমারীতে ৯৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৮০ বার

মাসুদ রানা, রৌমারী : ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে ব্রহ্মপুত্র নদ ও জিঞ্জিরাম নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় বন্যায় ৯৬ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি সাধিত হয়েছে। ১৫ টি নদ-নদী দ্বারা বেষ্টিত দেশের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রাম।

উপজেলাটি ভারত সীমান্ত ঘেঁষা হওয়ায় সামান্য বৃষ্টি হলে ব্রহ্মপুত্র নদে পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চল পানিবন্দি হয়ে তলিয়ে যায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। রৌমারীর উত্তরে সাহেবের আলগা হয়ে তিস্তা, ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি হয়। প্রায় মাস খানিক ধরে টানা বর্ষণের ফলে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রহ্মপুত্র নদী, হলহলি , সোনাভরি, জিঞ্জিরাম নদী ফুলে-ফুসে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। এতে প্লাবিত হয় কুড়িগ্রাম জেলার ১২টি উপজেলা। ফলে রৌমারী উপজেলা প্রায় ২ লাখ মানুষ পানি বন্দি হয়ে পড়ে। এতে রৌমারীর ৯৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যার পানিতে তলিয়ে যায়। ভয়াবহ বন্যার স্রোতে উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের বলদমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ফলুয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুটি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়।

পুরো বন্যার সময় জুড়ে মাত্র ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পানি উঠেনি। সে সব জায়গায় শতশত বানভাসি অসহায় মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। যে সব প্রতিষ্ঠান গুলি পানিতে ডুবে গেছে সে সব প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো দূর্বল হয়ে পড়েছে। বন্যার পানির তোরে অনেক স্কুল মাঠের মাটি সড়ে খানা খন্দের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘ দিন পানিতে ডুবে থাকার ফলে বিদ্যালয়ের আসবাবপত্র, বিল্ডিং এর ছাদ, দেয়াল, বিদ্যালয়ের মাঠ, গাছপালাসহ ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে এসব চিত্র পাওয়া যায়।

রৌমারী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল ইসলাম রিজু বলেন, বন্যার পানির কারণে স্কুলে গিয়ে দেখা শুনা করতে পারছিনা। স্কুলের দেওয়াল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বাইটকামারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান বলেন, স্কুলের চারদিকে পানিবন্দি থাকায় দেয়াল ধসে যাচ্ছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এবারের বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এবং দফায় দফায় বন্যা আসার ফলে বিভিন্ন স্কুলের আসবাবপত্র ও গাছপালাসহ অনেক ক্ষতি হয়েছে।

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল ইমরান জানান, বন্যার ব্যাপকতার কারণে রৌমারীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, গ্রামীণ সড়ক ও বানভাসি মানুষের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বন্যার পানি চলে যাওয়ার পর শুকনা মৌসুমে উপজেলা প্রশাসনের মনিটরিং এর মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন করে জেলা প্রশাসক স্যার কে অবগত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..