1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে বঙ্গবন্ধু অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন: ড.কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু স্বপ্নচারী এবং দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব ছিলেন: ড.কলিমউল্লাহ বিজিবির রাতভর অভিযানে ভোরে ৯ গরু জব্দ, আরো ৫১টি গরু পাহাড়ে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও সার্জন,ভুয়া এমবিবিএস ও এমডি পদধারী প্রতারক ডাক্তার আটক র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের জন্য ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঈদগাঁও বাজারে চাঁদা দাবির অভিযোগ! বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হারাগাছ সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত। রংপুরের গংচড়ায় বিধবা ভাতা ও একটি টিনের ঘরের জন্য আকুতি জানিয়েছেন রুনা লায়লা গ্লোবাল টিভির সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসী মুন্নার গ্রেফতারের দাবিতে সাভারে বিভিন্ন কর্মসূচী

দায়িত্ব পালনে দৃঢ় প্রত্যয়ী এক উপাচার্যের গল্প”

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২০
  • ৬০৩ বার

উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), রংপুর । শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় নিয়ে ২০১৭ সালের ১৪ই জুন উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতিমান শিক্ষক প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার। বিশ্ববিদ্যালয়ে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি গতানুগতিক চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে এসে একটি অত্যাধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন।
তারই ধারাবাহিকতায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম ই-ফাইলিং এর উদ্যোগ নিয়েছেন। টেন্ডারবাজি রুখে দিতে তিনি ই-টেন্ডারিং এর ব্যবস্থা করেন। পাশাপাশি তিনি লক্ষ্য করেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সবেচেয়ে বড় সমস্যা সেশনজট। তিনি এ সেশনজটের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় সমস্যা ছিল সেশনজট। তাছাড়া রসায়ন একটি গবেষণানির্ভর বিভাগ হওয়ায় এখানে শিক্ষার্থীদের প্রাকটিক্যাল ল্যাবের উপর নির্ভর করে চলতে হয়। শিক্ষার্থীদের জৈব, অজৈব ও ভৌত শাখার প্রাকটিক্যাল পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত ল্যাব সুবিধা থাকা প্রয়োজন। রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ল্যাব সমস্যা সমূলে উৎপাটন করার লক্ষ্যে মাননীয় উপাচার্য মহোদয় রসায়ন বিভাগের প্রাকটিক্যাল ল্যাবের কাজ দ্রুত যাতে সম্পন্ন হয় সেজন্য নিজেই তদারকি করছেন। এমনকি করোনার মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ যেন চলমান থাকে সে ব্যবস্থা তিনি গ্রহণ করেছেন। যার ফলে রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের বহুদিনের স্বপ্ন তাদের অবশিষ্ট দু’টি প্রাকটিক্যাল ল্যাবের কাজ একবারেরই শেষ পর্যায়ে (ল্যাবের ডেস্কগুলো রং করার কাজ বাকি)। এই ল্যাবগুলো সম্পন্ন হলে বিভাগের সেশনজট জিরোতে নেমে আসবে বলে আশা করা যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত দৃঢ় প্রত্যয়ই এই মানুষটি অন্যান্য সেক্টরের মতো গবেষণা সেক্টরের উন্নয়নের প্রতিও মনোনিবেশ করেছেন। কেননা একটি বিশ্ববিদ্যালয় কতটুকু উন্নত তা বোঝা যায় সেটি গবেষণায় কত সমৃদ্ধশালী তার উপর। উপাচার্য মহোদয় বিষয়টি অনুধাবন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার উপর জোর দিয়েছেন। পিএইচডি, এমফিলসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর নিয়মিত সেমিনার আয়োজনের ব্যবস্থা করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার কাজকে এগিয়ে নিতে নিয়মিতভাবে জার্নাল প্রকাশনার ব্যবস্থা করেছেন। ইতোমধ্যে কেন্দ্রিয়ভাবে বিভিন্ন শৃঙ্খলা থেকে অনেকগুলো জার্নাল প্রকাশিত হয়েছে। যার ফলে ২০১৯ সালে গবেষণার ক্ষেত্রে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে খ্যাতি পেয়েছে। পাশাপাশি করোনার মত মহামারির এই সময়েও তিনি ড. ওয়াজেদ রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি হিসেবে গবেষণা পরিচালনা করে চলেছেন। এই ধারা যেনো অব্যাহত থাকে সেজন্য তিনি রসায়ন বিভাগের রিসার্চ ল্যাবের আধুনিকায়নের সাথে সাথে উন্নত যন্ত্রপাতি ক্রয়ের চিন্তা শুরু করেছেন, যেনো বিভাগটি বৈশ্বিক মহামারী করোনাসহ অন্যান্য সময়েও যুগোপযোগী গবেষণার মাধ্যমে দেশকে সহায়তা করতে পারে।
এছাড়া ডিজিটালাইজেশনের এই যুগে বেরোবি যেন কিছুতেই পিছিয়ে না থাকে সে দিকে মাননীয় উপাচার্য স্যারের সতর্ক নজর রয়েছে। ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় করার লক্ষ্যে পুরো ক্যাম্পাসকে ওয়াইফাই সুবিধার আওতায় নিয়ে এসেছেন। ভার্চুয়াল ক্লাসরুমসহ প্রতিটি বিভাগে স্মার্টবোর্ড স্থাপনের মাধ্যমে ডিজিটাল ক্লাসরুমের ব্যবস্থা করেছেন। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রথম ক্যাম্পাস রেডিও স্থাপন করেছেন। বেরোবি পরিবারের সকলের প্রাণের দাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অত্যাধুনিক প্রধান ফটক স্থাপন করার প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে তিনি শুরু করেছেন। এভাবে বেরোবিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য মাননীয় উপাচার্য স্যার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করে নিজের উপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। যা সত্যি প্রশংসার দাবিদার। আমি স্যারের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণকর জীবন কামনা করি। আশা করি স্যারের হাত ধরেই বেরোবি সবদিক দিয়ে বিশ্বমানের একটি বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে উঠবে ইনশাল্লাহ।
মোস্তফা কাইয়ুম শারাফাত

প্রভাষক
রয়াসন বিভাগ,
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..