1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শনিবার, ২৫ জুন ২০২২, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে বঙ্গবন্ধু অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন: ড.কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু স্বপ্নচারী এবং দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব ছিলেন: ড.কলিমউল্লাহ বিজিবির রাতভর অভিযানে ভোরে ৯ গরু জব্দ, আরো ৫১টি গরু পাহাড়ে চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও সার্জন,ভুয়া এমবিবিএস ও এমডি পদধারী প্রতারক ডাক্তার আটক র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ে বসবাসকারীদের জন্য ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঈদগাঁও বাজারে চাঁদা দাবির অভিযোগ! বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হারাগাছ সাহিত্য সংসদের সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত। রংপুরের গংচড়ায় বিধবা ভাতা ও একটি টিনের ঘরের জন্য আকুতি জানিয়েছেন রুনা লায়লা গ্লোবাল টিভির সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসী মুন্নার গ্রেফতারের দাবিতে সাভারে বিভিন্ন কর্মসূচী

কৃষির সম্ভাবনাই,কামারখোলা গ্রাম উন্নয়নের মূলমন্ত্র”

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২০
  • ১৬৪ বার


সারা বিশ্বের মত বাংলাদেশেও চলছে করোনা ভাইরাসের মহামারি প্রকোপের সাথে নতুন আপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে বন্যার এমন ভয়াবহ প্রকোপ। একবার পানি কমে তো আবার বারে, ঠিক এই ভাবে নদীপাড়ের মানুষের ভাগ্য নিয়ে খেলছে বন্যা। এখন প্রশ্ন ,কবে কমবে ভয়াবহ এই বন্যার প্রকোপ।জুন মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশের নদী এলাকা বন্যা পরিস্থির শিকার হয়, যা এখন বেড়েই চলছে। প্রায় ৩০ টি জেলাতে বন্যার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। সে হিসেবে কুমিল্লা জেলার ,চান্দিনা উপজেলার কামারখোলা গ্রামের ফসলি জমি যেন মায়ের কোলেয় রয়েছে। যেকোন দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য গ্রামীণ উন্নয় অপরিহার্য। গ্রামীণ অর্থনীতি কৃষিনির্ভর,কামারখোলা গ্রাম এই নির্ভরতার বাহিরে নয়। চান্দিনা উপজেলার ২৩৫ টি গ্রামের মধ্যে কামারখোলা গ্রামের ভৌগোলিক অবস্থার কারণে এই গ্রামের ফসলি জমিতে বন্যা বা অতিবৃষ্টির পানি জমে থাকতে পারে না । এই গ্রামে বারো মাস ফসল ফলে। বিশেষ করে টমেটো ও কচুর লতি চাষ করে কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নের গল্প বেশ কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় নিয়মিত প্রতিবেদন প্রকাশ কর হয়। এখানে উল্লেখ করা যুক্তি সংগত যে, চান্দিনায় প্রতি বছর আনুমানিক ১৭ শত মেট্রিক টন খাদ্য শষ্য উদ্বৃত থাকে।

যার সিংহ ভাগ কামারখোলা গ্রামসহ আশেপাশের গ্রামের কৃষকরাই উৎপাদন করে থাকে। কামারখোলা গ্রামের কৃষি জমির প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ জমিতে বাণিজ্যিক ভাবে মৎস চাষ করা হয়। এছাড়া এই গ্রামে রযেছে খাল-বিল, জলাশয়, গাছগাছালি, উর্বর ভূমি ও পরিশ্রমী মানব সম্পদ। এই সময়ে কামারখোলা গ্রামের খাল ও অনাবাদি জমিতে বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতীর মাছ পাওয়া যায়। এই গ্রামের কৃষকগন পরিশ্রমী বিধায় সারা বছর পর্যায়ক্রমে ধানসহ বিবিধ রবি ও খরিপ শষ্য আবাদ করে। এই গ্রামের পান চাষ ও কুমারের হাড়িপাতিলের মৃৎ শিল্প বৃহত্তর কুমিল্লা জেলায় সমাদৃত। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কামারখোলাবাসী,চাকরীজীবি ও বিদেশীদের মতে “ গ্রাম উন্নয়ন হলো একটি বহুমুখী কর্মসূচি এবং এজন্য প্রয়োজন অভিনব পদ্ধতি ও কর্মকৌশল, যা শুধু সরকারি প্রশাসন ব্যবস্থাপনায় সম্ভব নয়। স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গ্রাম উন্নয়ন কর্মসূচি পালিত হলে সে গুলো অধিকতর টেকসই ও উন্নয়ন সহায়ক হবে।” গ্রামনির্ভর এ বাংলাদেশের অর্থতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হল গ্রাম উন্নয়, আর গ্রাম উন্নয়নে কৃষির বিকল্প প্রায় নেই বললেই চলে।‍গ্রামের কৃষি উন্নয়ন ব্যতিত বাংলাদেশের উন্নয় কল্পনা করা যায় না। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য কৃষিকে অগ্রাধিকার দিয়ে গ্রাম উন্নয়নের দিকে বিশেষভাবে গুরত্ব দিতে হবে। কামারখোলা গ্রামসহ ৬৮ হাজার গ্রামের কৃষির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারলেই গড়ে উঠবে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

মো:খোরশেদ আলম
পি এ টু পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..