সময়ের যোগ‍্য অভিভাবকঃ উপাচার্য, বেরোবি, রংপুর- প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ‍্যালয়, রংপুর এর মতো একটি নতুন বিশ্ববিদ‍্যালয়ে যখন একজন দক্ষ প্রশাসকের প্রয়োজন ছিলো সময়ের দাবি তখন মহামান‍্য চ্যান্সেলর চতুর্থ উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিলেন দেশ বরেণ‍্য মেধাবী জনপ্রিয় মুখ ঢাকা বিশ্ববিদ‍্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের গ্রেড- ১ প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স‍্যারকে। তিনি একজন আধুনিক, দূরদর্শী জ্ঞান সম্পন্ন ব‍্যক্তি। বিশ্ববিদ‍্যালয়কে তিনি শুধু দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে নয় বরং তিনি ভালোবেসেই প‍্যাশোনেটলি বিশ্ববিদ‍্যালয়ের কল‍্যাণের কথা ভাবেন এবং এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।কোন কাজ যদি শুধুমাত্র দায়িত্ব মনে করে করা হয় তখন শুধু ঐ নির্দিষ্ট কাজ ই হয় এর বেশি কিছু হয় না, কিন্তু কেউ যদি তার দায়িত্বকে ভালোবেসে নিজের ধ‍্যান জ্ঞানের বিষয়বস্তু বানিয়ে ফেলে তখন সেই কাজ হয়ে ওঠে আরো নান্দনিক এবং এর উত্তরোত্তর উন্নতি সাধিত হয়।
আমাদের উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স‍্যার তেমনি একজন মানুষ যিনি এই বিশ্ববিদ‍্যালয়কে নিজের সর্বোচ্চ পরিশ্রম, ভালোবাসা এবং তাঁর অসামান‍্য মেধা দিয়ে উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। যে বিশ্ববিদ‍্যালয় দেশের এক অপরিচিত বিশ্ববিদ‍্যালয় ছিলো সেই বিশ্ববিদ‍্যালয়টি আজ তাঁর ই কল‍্যাণে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার মতো যোগ‍্যতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে এই বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অনেকেই তাদের যোগ‍্যতার সাক্ষর রাখছে, এমনকি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠাণেও কাজ করছে।
উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স‍্যার বিশ্ববিদ‍্যালয়ের জন‍্য কি কি করেছেন এই তালিকা এতো বেশি লম্বা হবে যে বলাই বাহুল‍্য। তবে যে কথাটি না বললেই নয়, তা হলো স‍্যারের দূরদর্শিতা। তিনি বর্তমান সময়কে খুব ভালোভাবেই আঁচ করতে পেরেছিলেন যে, বিশ্ব একটা নতুন যুগে পদার্পন করতে যাচ্ছে। সেই যুগের হাল ধরতে হলে স্থবির হলে চলবে না বরং প্রযুক্তিকে হাতিয়ার হিসেবে ধরেই এগুতে হবে। তাই তো পুরো বিশ্ববিদ‍্যালয়ে আধুনিক প্রযুক্তির সব ধরনের ব‍্যবস্থা তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের শুরু থেকেই করে আসছিলেন। যার সুফল আমরা এখন পাচ্ছি। এই করোনাকালীন সময়ে যখন পুরো বিশ্ব স্থবির বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ‍্যালয়, রংপুর তখনও কর্মতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
একটি কথা না বললে হয়তো খুব কম বলা হবে, চরম অন‍্যায় হবে বলা যায়। প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও একজন দক্ষ প্রশাসক। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনের নানান বিশৃঙ্খলা অত‍্যন্ত দক্ষতার সাথে নিরসন করে চলেছেন। তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করবার আগে থেকে চলমান নানা বিশৃঙ্খলাকে যেমন লাগাম টেনে ধরতে পেরেছেন তেমনি সাহসী ভূমিকাও রেখেছেন। বিশ্ববিদ‍্যালয়ের কর্মচারীদের নীতিমালা প্রনয়নের দাবিতে কর্মচারীদের যে দীর্ঘদিনের আন্দোলন চলছিল অত‍্যন্ত দক্ষতার সাথে তিনি বিদ‍্যমান সমস‍্যার সমাধান করেন। কর্মকর্তা কর্মচারীদের চুয়াল্লিশ মাসের বকেয়া বেতনভাতাদি নিয়ে চলতে থাকা সমস‍্যার সমাধান করে তিনি সকলের কাছেই শ্রদ্ধার আসনে আসীন হয়েছেন।
নিরিবিলি এই ক‍্যাম্পাস দিনদিন মাদকাসক্তের এক আখড়া হিসেবে পরিনত হচ্ছিল, স‍্যার কালক্ষেপন না করে ক‍্যাম্পাসের ভেতরে অস্থায়ী পুলিশ ক‍্যাম্প এর পাশাপাশি আনসারদের স্থায়ী ক‍্যাম্প স্থাপন করেছেন। এতে করে আইন শৃঙ্খলার বিস্তার আরো জোড়দার হয়েছে।
বিশ্ববিদ‍্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী সবার জন‍্যই তিনি এক শান্তির দূত। তাঁর দক্ষ পরিচালনায় বিশ্ববিদ‍্যালয়ের সকল কর্মকান্ড অত‍্যন্ত সুষ্ঠুভাবে চলছে। এমন একজন শান্তির দূতের সামনে আমরা অতি নগন্য। তাঁর মত একজন কালজয়ী মানুষের অবতারণ যেন যুগে যুগে হয় সৃষ্টিকর্তার কাছে সেই প্রার্থনা ই সবসময় করি।

মোছা: রেহেনা আকতার মনি
লিগ‍্যাল অফিসার
লিগ‍্যাল সেল
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ‍্যালয়, রংপুর।

Leave a Reply

Your email address will not be published.