1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বৃহস্পতিবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভৈরবে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন সুজন কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ রাজারহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত রাজারহাটে সিংহীমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ নতুন জঙ্গি সংগঠন পুলিশ সদস্যদের হত্যার মিশনে মাঠে নেমেছে: র‌্যাব বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, কমতে পারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজার সামনে চেকপোস্ট বনানীতে জঙ্গি সন্দেহে একটি আবাসিক হোটেল অভিযান রাজধানীর বাজারে চালের দাম বাড়লেও কমেছে সবজির দাম

করোনার প্রভাব পড়েছে নাকুগাঁও স্থলবন্দরের রাজস্ব আয়ে

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০
  • ৯৩ বার

নালিতাবাড়ী(শেরপুর)প্রতিনিধি : শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নাকুগাঁও প্রথম শ্রেণির স্থলবন্দরটি প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারনে স্বল্প পরিসরে আমদানী-রফতানী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন এ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় তার প্রভাব রাজস্ব আয়ে পরেছে বলে জানা যায় এবংকি রাজস্ব আয় কমেছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

নালিতাবাড়ীর নাকুগাঁও স্থলবন্দরের কাস্টমস ইন্সপেক্টর সঞ্জয় সরকার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে জানান, করোনা ভাইরাসের কারনে ১৯ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। পরে সরকারী নির্দেশনায় জুন থেকে কার্যক্রম শুরু হলেও এখনও স্বল্প পরিসরে চলছে আমদানী রফতানী কার্যক্রম।

তিনি আরও জানান ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে এ স্থলবন্দর দিয়ে ৪৮ হাজার ৬৮৫ মেট্রিক টন পাথর ৯৯ মেট্রিক টন কয়লা ও ১২ মেট্রিক টন আদা আমদানী করা হয়েছে। এসব পণ্য আমদানী করা থেকে রাজস্ব আয় ও গবাদী পশু নিলামে বিক্রি বাবদ জমা হওয়া ২ লাখ ৮৯ হাজার টাকাসহ সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৭ হাজার টাকা। এছাড়া বন্দর দিয়ে ভারতে রফতানী করা হয়েছে ২৮০ মেট্রিক টন ক্রাউন সিমেন্ট ও ১৬৮ মেট্রিক টন পারটেক্সের বোর্ড। আমাদানী রফতানীকারক সমিতির সদস্য ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন বলেন, এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে অল্প পরিমানে ভারত থেকে পাথর আমদানী শুরু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এলে পুরোদমে ব্যবসা শুরু হবে।

তিনি আরো জানান, শুরুর দিকে এই বন্দর দিয়ে কয়লা আমদানী করা হতো। বিশেষ কারনে তা বন্ধ থাকায় করোনার আগে আবারও পাথরের পাশাপাশি কয়লা আমদানীর প্রক্রিয়াও চলছিল। পাথরের সাথে যদি কয়লাও আমদানী করা যেত তাহলে ব্যবসায়ীরাও লাভবান হতো অপরদিকে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে আরো বেশি রাজস্ব আয় জমা হতো।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নাকুগাঁও স্থলবন্দরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. একরামুল হক বলেন, করোনা ভাইরাসের কারনে বন্দরের আমদানী-রফতানী কার্যক্রম প্রায় তিন মাসের মতো বন্ধ ছিল যে কারনে রাজস্ব আয় অনেকটা কম হয়েছে। ব্যাবসায়ীরা পাথর আমদানী করতে পারেনি। যদি করোনার প্রভাব না পড়তো তাহলে কমপক্ষে আরো ৬০ লাখ টাকা রাজস্ব আয় বাড়তো। পাশাপাশি কয়লা আমদানীর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান নাকুগাঁও স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..