1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভৈরবে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন সুজন কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ রাজারহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত রাজারহাটে সিংহীমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ নতুন জঙ্গি সংগঠন পুলিশ সদস্যদের হত্যার মিশনে মাঠে নেমেছে: র‌্যাব বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, কমতে পারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজার সামনে চেকপোস্ট বনানীতে জঙ্গি সন্দেহে একটি আবাসিক হোটেল অভিযান রাজধানীর বাজারে চালের দাম বাড়লেও কমেছে সবজির দাম

কটিয়াদীতে মহিলা ইউপি মেম্বারের বিরুদ্ধে সরকারী সহায়তার নামে প্রতারণার অভিযোগ

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০
  • ২৫৮ বার

মো: আল আমিন, কটিয়াদী থেকে : সাধারণ সহজ সরল মানুষেদের সরলতাকে কেন্দ্র করে বয়স্ক, বিধবা, প্রতিবন্ধী ও মাতৃত্বকালীন ভাতার কার্ড করে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। দিনের পর দিন অতিবাহিত হলেও সরকারি সহায়তা কিংবা প্রদেয় অর্থ কোনটাই ফেরত পাচ্ছেন না ভুক্তভোগী সাধারন মানুষেরা।

এমনই এক অভিযোগ পাওয়া গেলো কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলায় জালালপুর ইউনিয়নের ৭-৮-৯ নং সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্যা মোছাঃ সাবিনা আক্তারের বিরুদ্ধে। স্থানীয় সাংবাদিকদের অনুসন্ধান ও ভুক্তভোগীদের অভিযোগে এমনটাই জানা গেলো।

জানা গেছে, মোছাঃ সাবিনা আক্তার তার নির্বাচনী এলাকার অসহায় নারী-পুরুষদের কাছ থেকে সরকারি বিভিন্ন সহায়তার প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায় করে নিচ্ছেন। অধিকাংশ মানু্ষ সুদে টাকা উত্তোলন করে তাকে এসব টাকা দিয়েছে। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও কোন সহায়তা পাননি ভুক্তভোগীরা। সহায়তার জন্য জিজ্ঞাসাবাদ করলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দেন ভুক্তভোগীদের। আবার কেউ কেউ টাকা ফেরত চাইলে হুমকি দিয়ে মুখ বন্ধ রাখার চেষ্টা করছেন সাবিনা। সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কারণে এলাকার কেউ মুখ খুলতে চান না সাবিনার বিরুদ্ধে।

প্রদেয় টাকা কিংবা ভাতার কার্ডের কথা বললে উল্টো মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকি দেন ভুক্তভোগীদের সাবিনা। যার কারণে অনেকেই তাদের শেষ সম্বলটুকু হারিয়ে এখন প্রায় দিশেহারা।
ভুক্তভোগী পরী বানু স্থানীয় এক সাংবাদিককে জানান, ‘বয়স্ক ভাতার কার্ডের লাইগ্গা সাবিনারে আমি ৫ হাজার টেহা দিছি,টেহাও ফাইনা, কার্ডও ফাইনা। আমি এইডার বিচার চাই।’

আরেকজন ভুক্তভোগী মহিলা আনোয়ারা জানান, ‘কার্ডের জন্য সাবিনা মেম্বার ৪ হাজার টাকা নিছে । এক বছর পর কার্ড দিছে। প্রথমে ১’শ কম পাঁচ হাজার টাকা পাইছি।’

কার্ডের জন্য টাকা দেওয়া আরেকজন ভুক্তভোগী হোসনা জানান, ‘তার প্রতিবন্ধী কার্ড করে দেবে বলে ৫ হাজার টাকা নেয় সাবিনা মেম্বার। কিন্তু, টাকা নেওয়ার পর আর যোগাযোগ করেননি সাবিনা।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে গেলে অভিযুক্ত মহিলা ইউপি সদস্যা মোছা. সাবিনা আক্তার ক্ষীপ্ত হয়ে স্থানীয় অনুসন্ধানকারী সাংবাদিককে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘তার নামে সংবাদ করা হলে সাংবাদিকদের দেখে নেবেন। তিনি আরো বলেন, ‘আমি রোস্তম চেয়ারম্যানকে খাইয়া লাইছি, আর আমিও প্রমাণ করাইয়ামনে আমি যে কি খাইছি আমার নাম সাবিনা মেম্বারনি।’

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মঈনুর রহমান মনির বলেন, ‘সরকারি সহায়তার নামে অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি’। এই সমস্ত বেআইনী কর্মকান্ড বন্ধ করার জন্য আগামীতে নতুন পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ আকতারুন নেছা বলেন, ‘সরকারি সহায়তার নামে টাকা আত্মসাৎকারীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগ পেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

কটিয়াদী মডেল থানা ইনচার্জ অফিসার (ওসি) এম এ জলিল বলেন, ‘ অসচ্ছল প্রতিবন্ধীদের টাকা আত্মসাৎ করছে একটি চক্র। এ বিষয়টি আমার খতিয়ে দেখছি এবং প্রতারকদের বিরুদ্ধে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..