1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন

বরগুনার পৌর-বাজারসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২০
  • ৬৯ বার

 

বরগুনা প্রতিনিধিঃ
বরগুনায় পৌর বাজারের গার্মেন্টস পট্টি দোকানের ভিতরে অতি বৃষ্টিতে হাটুজল। হতাশায় দোকান কতৃপক্ষের চোখ কপালে উঠে, এক দোকানদার বলে কিছু দিন হয়েছে রাস্তা নির্মাণ করে পৌরসভা কিন্তু দুর্ভোগ শেষ হয়নি।

এছাড়াও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
অতিবর্ষণ ও অমাবস্যার প্রভাবে বরগুনার তিনটি প্রধান নদী বিষখালী, বলেশ্বর ও পায়রা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। অতি জোয়ারের প্রভাবে উপকূলীয় জেলা বরগুনা নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পায়রা নদী ও বিষখালী নদীতে অবস্থিত দুটি ফেরিঘাট জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যানবাহন ও মানুষ চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অতিবর্ষণ ও অমাবস্যার প্রভাবে বরগুনা বিষখালী নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২৫ সেন্টিমিটার উচ্চতা, পায়রা নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪৫ সেন্টিমিটার ও বলেশ্বর নদীতে সাড়ে ২৯ সেন্টিমিটার মিটার ওপর দিয়ে জোয়ারের প্রবাহিত হচ্ছে। এর ফলে উপকূলীয় এলাকার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বাইরে বসবাসরত মানুষের ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

জোয়ারের প্রভাবে বরগুনা সদর উপজেলার পোটকাখালী, বাওয়ালকার, মাঝেরচর, ডালভাঙা। তালতলি উপজেলার নিশানবাড়িয়া, ফকির হাট, সোনাকাটা, নিদ্রাসকিনা, তেতুলবাড়িয়া, আশার চর, নলবুনিয়া, তালুকদারপাড়া, চরপাড়া, গাবতলী, মৌপাড়া, ছোটবগী। আমতলী উপজেলার ঘোপখালী, বালিয়াতলী, পশুরবুনিয়া, আড়পাঙ্গাশিয়া, পশ্চিম আমতলী, ফেরিঘাট, পুরাতন লঞ্চঘাট, আমুয়ার চর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে এসব এলাকার বাসিন্দারা।

সরেজমিনে বরগুনা সদর উপজেলার দুটি ফেরিঘাট ঘুরে দেখা গেছে, পায়রা নদীর ফেরির গ্যাংওয়ে পানিতে তলিয়ে গেছে। মানুষ হাঁটু পরিমাণ পানি ডিঙিয়ে সড়কে উঠছে। যানবাহন চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। বিষখালী নদীতেও জোয়ারের পানিতে বড়ইতলা-বাইনচককি ফেরিঘাট তলিয়ে যাওয়ায় দুই প্রান্তে যানবাহন আটকা পড়েছে, এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

এ ছাড়া খেয়া পারাপারে যাত্রীদের দুর্ভোগ। বড়ইতলা বাইনচটকি ফেরিঘাটের খেয়া চালক শহিদুল ইসলাম বলেন, গত তিন দিন ধরে নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি বাড়ছে এতে দুর্ভোগে পড়েছে খেয়া পারাপারের যাত্রীরা। ছাত্রীদের ওঠাতে নামাতে আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফেরিঘাটের রাস্তা যদি উঁচু করে নির্মাণ করা হতো তাহলে জোয়ারের পানিতে আমাদের দুর্ভোগ পোহাতে হতো না।

তালতলির গাবতলী গ্রামের সত্তার মিয়া বলেন, অতি বৃষ্টি ও অমাবস্যার জোঁতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে পায়রা নদী সংলগ্ন চর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। চরে বসবাসরত মানুষেরা উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।

আমতলীর পৌর শহরের আমুয়ার চর গ্রামের ফাতেমা বেগম বলেন, জোয়ারের পানিতে ঘর তলিয়ে গেছে।

পায়রা ফেরিঘাটের পরিচালক মো. ছালাম খান বলেন, জোয়ারের পানিতে ফেরির গ্যাংওয়ে তলিয়ে গেছে। এতে গ্যাংওয়ে দিয়ে যানবাহন ও মানুষ চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত ফেরির গ্যাংওয়ে সংস্কার করা প্রয়োজন।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কাইছার আলম বলেন, জোয়ারের পানিতে চর ও ঘর বাড়ি তলিয়ে গেছে, তবে জোয়ারের কারণে কোথাও বাঁধ ভাঙার খবর পাওয়া যায়নি ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..