1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন

অনলাইন ক্লাস নিয়ে কি ভাবছেন চবি শিক্ষার্থীরা

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২০
  • ২৯৭ বার

সবুজ আহমেদ,চবি প্রতিনিধিঃ করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আগামী ৬ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে শিক্ষার্থীদের পাঠদান শুরু হবে।গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিষ্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর এসএম মনিরুল হাসান। তবে কিভাবে পাঠদান হবে তা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

অনলাইন ক্লাস সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা কি ভাবছেন সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছেন দৈনিক লাল সবুজের দেশ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি সবুজ আহমেদ।

ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ রায়হান রানা বলেন,যেহুতু লেখাপড়া বাসায় চেষ্টা করেও করতে পারছি না, যদি অনলাইন ক্লাস শুরু হয় তবে হয়ত লেখাপড়ায় একটু মনোযোগ দিতে পারব, কিন্তু কিছু সমস্যা এর সাথে জড়িত যেমনঃ গ্রামে তেমন ইন্টারনেট সুবিধা নেই তাছাড়া আমার অনেক বন্ধু আছে তাদের হয়ত ক্লাস করার মতো স্মার্ট ফোন নেই সেই সাথে আবার প্রতিদিন জিবি কিনতে হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমরা যেন পিছিয়ে না পড়ি তাই অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত এর সাথে আমি একমত।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব হাসান নোমান বলেন, আমাদের প্রায় সবগুলো বিভাগে দশ শতাংশ শিক্ষার্থী আছে যাদের স্মার্টফোন এবং মোবাইল ডাটার ব্যায় বহন করা সম্ভব না।বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে পরিবহন এবং বিদ্যুৎ বিল বাবদ যে পরিমাণ টাকা সাশ্রয় হচ্ছে তা দিয়ে খুব অনায়াসে ঐ দশ শতাংশ শিক্ষার্থী কে সাহায্য করা যেতে পারে। তাছাড়া এখন আমাদের দ্রুত সময়ে অনলাইন ক্লাসে যাওয়া উচিত।কারণ অন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়মিত অনলাইন ক্লাস নিচ্ছে।এখনি যদি আমরা অনলাইন ক্লাস শুরু না করি তাহলে বড় ধরনের সেশনজটে পরবো।

যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান রিমান বলেন,এই বন্ধে একাডেমিক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে অনলাইন ক্লাসের বিকল্প নেই। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির এই যুগে সবকিছুই যেখানে অনলাইন নির্ভর। সেখানে ক্লাস কেনো নয়। তবে অনেকের স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট না থাকা নিয়ে সমস্যা থাকতে পারে কিন্তু এই সংখ্যাটা খুবই অল্প। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সাহায্য করতে পারে। আবার ইন্টারনেটের ধীরগতি নিয়ে অভিযোগ বেশ পুরোনো। কিন্তু কেউ যদি চায় সে ডাউনলোড করে পরে দেখে নিতে পারবে।

ক্রিমিনোলজি ও পুলিশ সাইন্স বিভাগের শিক্ষার্থী রিদয় সাহা পুজা বলেন,এখনও যেহেতু আমরা করোনা মুক্ত হতে পারিনি তাই সব কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে আগানো উচিত,কারণ ক্যাম্পাসে খুললে সোস্যাল ডিস্ট্যান্ট মেইনটেইন করে চলা সম্ভব হবে না। মোটামুটি অনেকেই আমরা ইন্টারনেট,সোসাল মিডিয়া ব্যবহার করি। তবে অনেকের ডাটা কেনার সামর্থ্য নেই, তাদের দিকেও খেয়াল করতে হবে। সবার পারিবারিক অবস্থা তো একই রকম না। এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আরও একটু রেস্পন্সিবল হওয়া উচিত। যদিও আমরা ক্লাস করতে আগ্রহী তথাপি প্রশাসন এখনো একটা সিদ্ধান্তে আসতে পারছেনা,এতে আমরা আরো পিছিয়ে যাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..