1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিএসএনপিএস কমিটি গঠন:সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক সাঃ সম্পাদক শামছুল আলম,সহ সাঃ সম্পাদক ছাবির উদ্দিন রাজু গাজীপুর ভবানীপুর এলাকার শামীম টেক্সটাইল মিলে তুলার গুদামে আগুন ‘জলবায়ু পরিবর্তনে ৭১ লাখ বাংলাদেশি বাস্তুচ্যুত’- ডব্লিউএইচও ভৈরবে আলোচিত তানজিনা হত্যার বিচারের দাবীতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী বিএমএসএফ প্রতিষ্ঠাতার কণ্যা জেরিন এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ লাভ বিএমএসএফ নিজস্ব গঠনতন্ত্রে পরিচালিত ট্রাস্টিনামা দলিলের অন্তর্ভুক্ত নয় -সাধারণ সভায় নেতৃবৃন্দ সামাজিক সংগঠন জাগ্রত সিক্সটিনের উপহার পেল পঙ্গু রহিম মিয়া অভিযাত্রিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদ এর  ২২৬১ তম সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত রংপুরে কৃষকের মুখে হাসি ফুলকপির  ফলন ভালো  হওয়ায় যশোর সীমান্তে এক কিশোরের সাইকেলে পাওয়া গেল ১৫ পিচ স্বর্ণের বার

চান্দিনায় কৃষকের কষ্ট লাগবে ধনাঢ্য পরিবার”

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৭০ বার

বিশেষ প্রতিনিধি / এম কে আলম

বাংলাদেশের ৬৮ হাজার গ্রাম নিয়ে রয়েছে এক বৃহত্তর জাতীয় কৃষি পরিবার।দেশে কৃষির আধুনিকায়ন আশানুরূপ হলেও গ্রামীণ কৃষকের ফসলি মাঠ বা জলায় কৃষকের কষ্ট লাগবে তেমন কোন জাতীয় উদ্যোগ চোখে পরেনি।

গ্রামীণ কৃষি জমির কৃষকেরা মাঠে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যায় পড়ে তা হলো সুপেয় নিরাপদ পানির অভাব।চান্দিনার উপজেলা মাইজখার ইউনিয়নের কামারখোলা গ্রামের কৃষকের ও এই সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন প্রতিনিয়ত। উক্ত গ্রামের ধনাঢ্য পরিবারের পক্ষ হতে এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করেছেন।

উক্ত ধনাঢ্য পরিবারের মধ্যে মরহুম আলহাজ্ব সুজাত আলী মাস্টার পরিবার,বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ আলমাছ মিয়া পরিবার সহ আরো অনেক ধনাঢ্য পরিবারের কামারখোলা গ্রামের কৃষকের মাঠে সুপেয় নিরাপদ পানির অভাব পুরনের লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

এই পর্যন্ত কামারখোলা গ্রামের কৃষি জলা/ মাঠে প্রায় ১৫ টি ডিপটিওবয়েল বসানোর কাজ প্রায় শেষ হয়েছে। উক্ত ধনাঢ্য পরিবারের পক্ষ হতে কয়েকজন সংবাদ দাতাকে বলেন ভবিষ্যতে কৃষকদের জন্য কামারখোলা গ্রামের ফসলি মাঠে স্বাস্থ্যস্মত টয়লেটের ব্যবস্থা করা হবে।

কামারখোলা গ্রামের কৃষকের কষ্ট লাগবে নিরলস ভাবে কাজ করতে চায় কামারখোলা যুব সমাজ।কামারখোলা যুব সমাজ স্বপ্ন দেখে একদিন এই গ্রামের অর্থনৈতিক মুক্তির মাধ্যমে সত্যি কারের আর্দশ গ্রাম প্রতিষ্ঠা পাবে।কামারখোলা গ্রামের সরকারি, বে-সরকারি চাকরিজীবি,বিদেশী, গ্রামের সমাজপতি ও ব্যবসায়ী সহ গ্রামের সকল স্তরের জনগণকে সাথে নিয়ে কামারখোলাবাসী এগিয়ে যেতে যায় অর্থনৈতিক মুক্তির স্বর্ণ আসনে।

কামারখোলা গ্রামের মত এমন স্বপ্ন বাংলাদেশের সকল গ্রামের যুব সমাজ দেখে ও তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নিরলস কাজ করার প্রত্যাশা রাখে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..