1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভৈরবে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন সুজন কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ রাজারহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত রাজারহাটে সিংহীমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ নতুন জঙ্গি সংগঠন পুলিশ সদস্যদের হত্যার মিশনে মাঠে নেমেছে: র‌্যাব বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, কমতে পারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজার সামনে চেকপোস্ট বনানীতে জঙ্গি সন্দেহে একটি আবাসিক হোটেল অভিযান রাজধানীর বাজারে চালের দাম বাড়লেও কমেছে সবজির দাম

কামারখোলা গ্রামের ঐতিহ্য পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে হারিয়ে যাওয়া পথে “

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৯২ বার

বিশেষ প্রতিনিধি /মোঃ খোরশেদ আলম

কুমিল্লার চান্দিনার কামারখোলা গ্রামে রয়েছে কুমার পরিবার।গ্রামটিতে হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই হিসেবে সম্প্রতির বন্ধন আবদ্ধ হয়ে বসবাস করছে। গ্রামটিতে মোট ১৫০০ লোক সংখ্যার মধ্যে হিন্দু ধর্মের অনুসারী লোকের সংখ্যা প্রায় ৪০০ জন।হিন্দুদের অধিকাংশের পেশা মাটি দিয়ে বিভিন্ন সাংসারিক ব্যবহার্য জিনিসপত্র তৈরি করা।

কুমারদের বাড়ীতে কয়েকজন কুমার পরিবার মিলে একটি ছোট ঘর তৈরি করে যেখানে সম্মিলিতভাবে মাটির তৈরি শুকনো তৈরি জিনিস গুলো কে পোড়া দেওয়া হয়। এই ঘরটি কে স্থানীয় ভাষায় বলা হয় পাহাল আর বাংলা আভিধানিক নাম উনুন।আর কুমারা এটাকে পৈন বলে।

কুমার সেই জ্বালানি সংগ্রহের জন্য গ্রামে গ্রামে বেড়িয়ে পরেন।বিভিন্ন মানুষের বাসঝারে বাসের পুরাতন গুড়ালি কুঠারের সাহায্যে কেটে ঝুরি করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।অনেক সময় বাস ঝারের মালিকের অনুমতি ছাড়া এই কাজ করলে কুমারের কুরাল,ঝুরি দেওয়া হত না ।

কুমারের বিষেশ অনুরোধে এই গুলো আবার ফেরত দেওয়া হত, এই শর্তে যে সে আর কোন দিন এই কাজ করবে না ।সাধারণ মানুষ যাকে পুজিবিহীন পেশা বলে, তবে অর্থনীতির মানুষ হিসাবে সম্পূর্ণ পুজিহীন বলতে আমি রাজি নই।

উৎপাদনের সব উপকরণ উপস্থিত না থাকলে ও কুমারের শ্রম(মজুরি) জড়িত রয়েছে, যা উৎপাদনের অন্যতম উপকরণ। এখন এইরকম কাজ কুমারদের প্রায় নেই বললেই চলে, কেননা এই পেশার প্রসার কম।

হারিয়ে যাওয়া আদিম এই কুমার পেশাকে টিকিয়ে রাখতে হলে এখনি যথাযত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কথা বলতে হবে।এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে সুজন পাল লেখক কে জানান আধুনিকায় সমাজ ব্যবস্থায় প্লাস্টিকের মহুমুখী ব্যবহারের কারণে আমাদের পাড়ার কুমারদের তৈরি করা মাটির জিনিস পত্রের চাহিদা আগের মত না থাকায় ধীরে ধীরে এই পেশার মানুষেরা অন্য পেশায় স্থানান্তরিত হচ্ছে। কামারখোলা যুব সমাজের সিনিয়রেরা এই কুমারদের নিয়ে কাজ করা ইচ্ছা আছে বলে জানিয়েছেন সুজন পাল। কামারখোলা গ্রামের মত সারা বাংলাদেশের কুমারদের পেশায় ধরে রাখতে জাতীয় উদ্যোগ এখন সময়ের দাবী।তবে কামারখোলা যুব সমাজ এমন উদ্যোগ জাতীয় ও স্থানীয় ভাবে নিবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস রাখে।তারা মনে করে গ্রামের হারিয়ে যাওয়া আদিম পেশা টিকে থাকলে টিকে থাকবে আমাদের জাতীয় স্বকীয়তার যার হাত ধরে ভবিষ্যতের প্রজন্ম এগিয়ে যাবে বহুদূর।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..