1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরকে মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গড়ে তোলার রূপকার প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার।”

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৩৮৯ বার

বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর -এর চতুর্থ (বর্তমান) উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার। এছাড়াও তাঁর আরও অনেক কৃতিময় পরিচয় রয়েছে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের (গ্রেড-১) প্রফেসর, জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদ (জানিপপ) এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) এর সাবেক উপ-উপাচার্য । এছাড়াও দেশে-বিদেশে রয়েছে তাঁর বিস্তর পরিধি। ২০১৭ সালের ১৪ই জুন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর চতুর্থ ভাইস-চ্যান্সেলর হিসাবে প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার এর যোগদানের পর থেকেই প্রতিনিয়ত তিনি দায়িত্বশীলতা, একাগ্রতা ও সততার স্বাক্ষর রেখেছেন। দেশে এবং বিশ্ব দরবারে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর পেয়েছে সুপরিচিতি, বিশ্ববিদ্যালয়টির ভাবমূর্তি উন্নত হয়েছে এবং উন্নয়নের ধারা আরও গতিশীল হয়েছে স্যারের দূরদর্শী ও সঠিক দিক-নির্দেশনায়।
বিভিন্ন কারণে প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই দারুন সম্ভাবনাময় বিশ্ববিদ্যালয়টি সমালোচিত হয়ে আসছে। যার প্রধান কারণ ছিল অনিয়ম, দুর্নীতি ও অদক্ষ নেতৃত্ব। কিন্তু প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার উপাচার্য হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই কঠোর হাতে অনিয়ম ও দুর্নীতি দমন করতে শুরু করেন, যার ফলে বেরোবি, রংপুর আজ সম্পূর্নরূপে অনিয়ম ও দুর্নীতি মুক্ত একটি প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া। মোটামুটি এদেশে সকলের মত আমারও একটা ধারণা হয়ে গিয়েছিল যে বর্তমানে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শক্ত লবিং এবং আর্থিক লেনদেন ছাড়া নিয়োগ পাওয়া মোটামুটি অসম্ভব। কিন্তু আর্থিক লেনদেন তো দূরের কথা কোন রকম লবিং ছাড়াই বেরোবি, রংপুর এ একজন কর্মকর্তা হিসাবে নিয়োগ পাওয়াটা আমার কাছে ছিল অনেকটা স্বপ্নের মত এবং পরে নিয়োগ নিয়ে আমার ভুল ধারণাটি বদলে যায় একমাত্র স্যার এর কারণে। এভাবেই স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ বাণিজ্যের দুর্নাম সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেন। তিনি বিশ্বাস করেন প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হয়, সে জন্য তিনি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নতুন যোগদানকারী শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের জন্য ফাউন্ডেশন ট্রেইনিং এবং কর্মচারীদের জন্য ইন্ডাকশন ট্রেইনিং-এর ব্যবস্থা করেন, যা বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুকরণীয় মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
একটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ হল গবেষণা। যেহেতু বর্তমান উপাচার্য স্যার একজন স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ, তাই তিনি গবেষণার দিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেন এবং নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, ডঃ ওয়াজেদ রিসার্চ এন্ড ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের জন্য আধুনিক ভবন নির্মাণ, এম.ফিল. ও পি.এইচ.ডি প্রোগ্রাম চালু করা, জার্নাল প্রকাশ করা ইত্যাদি। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরকে একটি আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি সম্পন্ন ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্যার একটি দক্ষ আইসিটি-সেল প্রতিষ্ঠা করেন এবং নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সম্পূর্ণ ক্যাম্পাসে বিনামূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট (ওয়াই-ফাই) এর ব্যবস্থা করেন। তিনি সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস CCTV ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসেন। ভার্চুয়াল ক্লাস রুম স্থাপন, লাইব্রেরি সিস্টেম অটোমেশন করেন। ছাত্র-ছাত্রীদের যাবতীয় বিল (যেমন ভর্তি ফি, ফর্ম ফিল-আপ ফি) পরিশোধের ঝামেলা থেকে মুক্তির জন্য অটোমেটিক বিল প্রসেস সিস্টেম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এছাড়াও তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের ফলাফল দ্রুত নির্ভুলভাবে প্রকাশের জন্য এডুকেশন অটোমেশন সিস্টেম সফটওয়্যারটি চালু করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজের গতিশীলতার জন্য অসংখ্য পদক্ষেপ নিয়েছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ফাইল ট্র্যাকিং, স্টোর ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, Establishment সফটওয়্যার, ভেইকেল ট্র‍্যাকিং এবং নিজস্ব ডাটা সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ ইত্যাদি। এছাড়াও গবেষণা প্রবন্ধের বিশুদ্ধতা ও অকৃত্রিমতা যাচাইয়ের জন্য Anti-Plagiarism সফটওয়্যার ক্রয় করেন। ক্যাম্পাসের সার্বিক অবকাঠামো সংস্কারের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, যেমন শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি আধুনিক মানের একটি প্রধান ফটক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ, বিভিন্ন সংযোগ সড়কের সংস্কার, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে নতুন নতুন যানবাহন ক্রয়, ক্যাম্পাসের সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ গ্রহণ, আধুনিক মানের গ্যারেজ স্থাপনের পদক্ষেপ গ্রহণ, আনসার ক্যাম্প স্থাপন ইত্যাদি।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরকে মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে গড়ে তোলার রূপকার প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার। ভবিষ্যতেও তাঁর যোগ্য নেতৃত্বে এভাবেই এগিয়ে যাবে বিশ্ববিদ্যালয়টি এই প্রত্যাশা করি।
স্যারের সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

মোঃ আল ইমরান
সহকারি কম্পিউটার প্রোগ্রামার
আইসিটি সেল
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..