1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভৈরবে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন সুজন কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ রাজারহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত রাজারহাটে সিংহীমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ নতুন জঙ্গি সংগঠন পুলিশ সদস্যদের হত্যার মিশনে মাঠে নেমেছে: র‌্যাব বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, কমতে পারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজার সামনে চেকপোস্ট বনানীতে জঙ্গি সন্দেহে একটি আবাসিক হোটেল অভিযান রাজধানীর বাজারে চালের দাম বাড়লেও কমেছে সবজির দাম

স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের দাবি হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের।

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৬৭ বার

 

এম. হাসান রিয়াদঃ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অসমাপ্ত পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪তম ব্যাচের ইংরেজি বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। একই দাবি বিশ্ববিদ্যালয়টির অন্যান্য অনুষদের শিক্ষার্থীদেরও।

ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সজীব হাসান জানান, আমাদের মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে শেষ করি। ফাইনাল সেমিস্টারের পরীক্ষা ২০২০ সালে মার্চ মাসে শুরু হয়ে তিনটি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু করোনার কারণে বাকি তিনটি পরীক্ষা এবং ভাইবা আটকে যায়।

সজীব বলেন, প্রায় এক বছর সময় পার হওয়ার পরেও মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারের রেজাল্ট প্রকাশ না হওয়া, দ্বিতীয় সেমিস্টারের অবশিষ্ট তিনটি পরীক্ষা আটকে থাকা- এসব বিষয়ে বিভিন্ন চাকরি বা নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছি না আমরা। ফলে চরম হতাশায় দিন কাটাতে হচ্ছে। প্রশাসনেরে কাছে অনুরোধ থাকবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢাকাসহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় আমাদের অসমাপ্ত পরীক্ষাগুলো দ্রুত সমাপ্ত করা হোক।
এদিকে এসব শিক্ষার্থীর আইডি ‘ব্রেক অফ স্টাডি’ দেখাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। সজীব জানান, অনার্সের সার্টিফিকেট অনুযায়ী আমরা ২০১৭ সালে আমাদের অনার্স শেষ করেছি। সে অনুযায়ী ২০১৮ সালে আমাদের মাস্টার্স শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু প্রশাসনের ভুলের কারণে আমাদের মাস্টার্স ২০১৯ সাল দেখানো হয়। ইতিমধ্যে বিষয়টি একাডেমিক কাউন্সিলে সংশোধনের জন্য পাস হলেও গত ছয় মাসে আইডি সংশোধনের কোনো অগ্রগতি হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যাল সায়েন্স এন্ড হিউম্যানিটিস অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ান জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে অসমাপ্ত পরীক্ষাগুলো নেয়ার অনুমতি দিয়েছে- এমন একটি নিউজ দেখেছি। আমার জানামতে, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এরকম কোন সিন্ধান্ত হয়নি। তবে একাডেমিক কাউন্সিলে লিখিত পরীক্ষাসমূহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে নেয়ার কথা বলেছে।
তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি আমি রেজিস্ট্রার ও ভাইস চ্যান্সেলর মহোদয়কে জানাবো এবং ডিপার্টমেন্টের অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে আলোচনার চেষ্টা করবো। সকলের সম্মতি পেলে আমরা অসমাপ্ত পরীক্ষাগুলো সম্পন্নের চেষ্টা করবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. ফজলুল হক জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যে উদ্যোগ নিয়েছে সেটি যদি ফলপ্রসূ হয় এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ও যদি নিতে পারে তাহলে আমাদের নিতে কোন সমস্যা নাই। ইউজিসি ও ভিসি স্যারের অনুমতি পেলে আমরাও অসমাপ্ত পরীক্ষা গুলো নেয়া শুরু করতে পারবো।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..