1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভৈরবে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন সুজন কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ রাজারহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত রাজারহাটে সিংহীমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ নতুন জঙ্গি সংগঠন পুলিশ সদস্যদের হত্যার মিশনে মাঠে নেমেছে: র‌্যাব বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, কমতে পারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজার সামনে চেকপোস্ট বনানীতে জঙ্গি সন্দেহে একটি আবাসিক হোটেল অভিযান রাজধানীর বাজারে চালের দাম বাড়লেও কমেছে সবজির দাম

লিটনের হাতে বই নয়, উঠেছিলো বাবার য।

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৪৩ বার

মো: খোরশেদ আলম,কামারখোলা,মাইজখার,চান্দিনা

সেই কুমার পাড়ায় বাস করতনে এক কাঠ মিস্ত্রী ধীঢ়েনদ্র পাল। নামে পাল তবে পেশায় কাঠ মিস্ত্রী যাকে সবাই ধীরা মিস্ত্রী বলে ডাকে। তার কাজের সঙ্গে নামের এক মিল গ্রামের লোকজন খোজে পায়।কাঠ মিস্ত্রীর কাজ কচছপ গতিতে করতেন বলে তার ধীরা নামের এই খ্যাতি।তার দুই জন সন্তান, ছেলে লিটন পাল, মেয়ে ললিতা পাল।এই দাদার ছিলো সে এক বাজে স্বভাব সকলের নিকট কাজের অর্ডার নিতেন, তবে কথা মতো কাাজ করতে পারতেন না।

এক দিনে তিন চার জায়গায় কাজের কথা বলে রাখতেন ,তাই যেতে পারতেন একটায়।তার পারিবারিক আর্থিক অবস্থা ভালো ছিলো না। তার ছেলেকে দিয়ে অনেক পড়াশোনা করানো দাদার খুব ইচ্ছা ছিলো। দাদার সেই ইচ্ছা কি পূর্ণ হয়ে ছিলো?।কামারখোলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পাস করতে পারলেও নিম্ন মাধ্যমিক পাস করতে পারেনি লিটন পাল।সকল প্রতিবন্ধীকতা থাকলে ও লিটনের পড়াশোনার প্রতি আকর্ষ ও মনোযোগ ছিলো কম, তবে মেধাবী ছিল, পড়ত না, অংকে অনেক ভালো করত। হিন্দু ধর্ম বিষয় ছাড়া আর অন্য বিষয়ে পড়া পারতো না।তবে যেহেতু কামারখোলা সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সে সময় হিন্দু ধর্ম অনুসারী কোন শিক্ষক ছিলো না আমাদের সকলে বিষয় টি জানতাম সে ঐ ক্লাসে স্যারকে ভূগোল মারে

 

তবে হে সে খুব ভালো গীতা পাঠ করতে পারতো, খালেক স্যার পিটির সময় গীতা পাঠ করাতেন তাকে দিয়ে। এই কারণে লিটন স্কুল কামালে সবাই জেনে পেলতো তা ছিলো লিটনরে নিকট আশ্চার্য ব্যাপার। লিটন ছিলো বাস্তব চিন্তার বাহিরে কল্পনা রাজ্যের রাজা হুমায়ন আহমেদের হিমুর মত।যুক্তির বাহিরের জগৎ এ তার বিচরন,যেমন মানুষ কেন পায়ে হাটে সে তো হাত দিয়েও হাটতে পারে, হাটার সময় মানুষের চোখ মুখ কেন সামনে থাকে কেন নিতম্ব সামনে দিয়ে হাটে না।মাহিফেলে কেন হিন্দুদের দাওয়াত দেয় না, মুসলমানরা কেন আমাদের ঘরে আসতে পারে না।আর যত উদ্ভূত অদ্ভূত প্রশ্ন ওর মনে পরত আর আমাদের বলত। লিটন একদিন স্কুলে আসেনি, তাই সহপাঠীরা কয়েকজন মিলে ওর বাড়ি যাই,গিয়ে দেখি একটি ভাঙ্গা কুড়ে ঘরে বসে লিটন কান্না করছে। ঐ সময় তার বাবা জুনু মেম্বারের টিনের ঘরের চালা লাগাতে গিয়ে মাজা মচকে যায়,কাজ থাক দূরের কথা উঠে দারাতে পারে না। ঘরে তার বৃদ্ধ দাদা,বোন বিয়ের বয়স হয়েছে, মায়ের শরীর অবস্থা ভালো না, এই বলে ও আমাদের কাছে কান্না করে হাউমাউ করে।

শুধু চোখ দিয়ে ঢল ঢল কান্না জড়ছে।লিটনের বাবা অনেক দিন ধরে বিছানায় ছিলো কাজ করতে পারতো না।লিটনের পরিবারে নেমে আসে এক অমানিশার অন্ধকার ,সে অন্ধকার তাকে ক্রমশ ঘ্রাস করে ফেলে। শৈশবে স্কুল থেকে জড়ে পরা আমার একজন প্রিয় সহপাঠী লিটন, আজ সমাজে অনেকই প্রতিষ্ঠিতদরে কথা জানায়,জানে তবে ঐ জড়ে পরা লিটনদের খোজ রাখে না কেউ। যাদের বইয়ের বদলে ছোটবেলায় হাতে উঠেছে বাবাদের পেশায় ব্যবহৃত যন্ত্র।

/ ছবি সংগ্রহ করা

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..