1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজারহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত রাজারহাটে সিংহীমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ নতুন জঙ্গি সংগঠন পুলিশ সদস্যদের হত্যার মিশনে মাঠে নেমেছে: র‌্যাব বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, কমতে পারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজার সামনে চেকপোস্ট বনানীতে জঙ্গি সন্দেহে একটি আবাসিক হোটেল অভিযান রাজধানীর বাজারে চালের দাম বাড়লেও কমেছে সবজির দাম শারীরিক সম্পর্কের পর টাকা না দেওয়ায় ৩ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

কক্সবাজার জেলার চকরিয়ার সেই ইউপি চেয়ারম্যান মিরানসহ ৮জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১৩৫ বার

চকোরির প্রতিনিধি(কক্সবাজার)ঃ
কক্সবাজারের চকরিয়ায় গরু চোর সন্দেহে মা-মেয়েসহ একই পরিবারের চারজনকে রশিদিয়ে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনায় আদালতের স্বতঃপ্রণোদিত মামলার প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো. মতিউল ইসলাম বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চকরিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। ওই প্রতিবেদনে মা-মেয়েকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় ৮ জনের সম্পৃক্ততার কথা উঠে এসেছে। পরে আদালতের বিজ্ঞ বিচারক রাজিব কুমার দেব ইউপি চেয়ারম্যান মিরানুল ইসলাম মিরানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এ্যাডভোকেট ওমর ফারুক। তিনি বলেন, স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর আদালতের বিজ্ঞ বিচারক হারবাং ইউপি চেয়ারম্যান মিরানসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করেন। আদালতের স্বতঃপ্রণোদিত মামলার তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনে তাদের সম্পৃক্ততার কথা বলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত: গত ২১ আগস্ট দুপুরে চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নে গরু চোর সন্দেহে মা-মেয়েসহ একই পরিবারের চারজনকে রশিদিয়ে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠে উপজেলা হারবাং ইউনিয়নের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও কতিপয় উৎসোক জনতার বিরুদ্ধে। ঘটনার পরদিন শনিবার দিবাগত রাতে রশিতে বাঁধা অবস্থায় মা-মেয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে সর্বত্রই আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে কক্সবাজার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপ-সচিব পদ মর্যদার কর্মকর্তা ) শ্রাবস্তী রায়কে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের পাশাপাশি ২৪ আগস্ট চকরিয়া সিনিয়র জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কর্তৃক সুয়োমোটো মামলার পর ওই বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারকে (চকরিয়া সার্কেল) তদন্ত পূর্বক প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (চকরিয়া সার্কেল) কাজী মো. মতিউল ইসলাম বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের কাছে তার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..