1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজারহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত রাজারহাটে সিংহীমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ নতুন জঙ্গি সংগঠন পুলিশ সদস্যদের হত্যার মিশনে মাঠে নেমেছে: র‌্যাব বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, কমতে পারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজার সামনে চেকপোস্ট বনানীতে জঙ্গি সন্দেহে একটি আবাসিক হোটেল অভিযান রাজধানীর বাজারে চালের দাম বাড়লেও কমেছে সবজির দাম শারীরিক সম্পর্কের পর টাকা না দেওয়ায় ৩ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

তাহিরপুরে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য পিয়াজসহ দাম বাড়তি

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১০৬ বার

তানভীর আহমেদ, তাহিরপুর থেকে : সুনামগঞ্জ জেলার হাওর বেষ্টিত তাহিরপুর উপজেলায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে অসাধু প্রকৃতির দোকানিরা।প্রতিনিয়ত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়াচ্ছে একপ্রকার অসাধু প্রকৃতির ব্যবসায়ী।

সরেজমিন পরিদর্শন করে যানা যায়,তাহিরপুর সদর বাজার,সুলেমানপুর বাজার সহ বিভিন্ন দোকানে গত ১০-১৫ দিন আগের মূল্যের ছেয়ে পিয়াজ,আলু,ডাল,কাচা মরিচ সহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও কাচা বাজারেও দাম যেন আগুন হয়েছে।অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করছে দ্রব্য সামগ্রী।
তাহিরপুর সদর বাজারেও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে পিয়াজ,কাচা মরিচ,আলু,ডাল ইত্যাদি।

কেজিতে পিয়াজের দাম বাড়িয়েছে ২০-৩০টাকা,বর্তামানে প্রতি কেজি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০টাকা,গত কয়েকদিন আগে যা বিক্রি হতো কেজি পিয়াজ ৩০-৩৫ টাকা।

কাচা মরিচের বাজারে যেন আগুন।প্রতি কেজি কাচা মরিচের বিক্রয়মূল্য ২২০-২৫০টাকা।গত কয়েকদিন আগে ছিল প্রতি কেজি ৯০-১০০টাকার মধ্যে।সাথে সাথে আলু,ডালের দামও বাড়ছে।আলু প্রতি কেজি ৩৫-৪০টাকা।ডাল প্রতি কেজি ৭০-৮০ টাকা। প্রতিনিয়ত সব দ্রব্যের দাম বাজারে বাড়তি।

অতিরিক্ত মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করা সর্বসাধারণের পক্ষে ভোগান্তি সৃষ্টি করেছে।অতিরিক্ত মূল্যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয় করতে আপোষহীন ক্রেতারা।দ্রুত দ্রব্যের দাম কমিয়ে দেওয়ার দাবী সর্ব সাধারণেরে।

নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক,একজন ক্রেতার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমরা বাটি এলাকার জনগন।করোনা ভাইরাসের মধ্যে আমাদের তেমন আয় রোজগার নেই।কোনোরকম সংসার চালাই।
“নুন আনতে পান্তা পুরায়”
সংসারে অভাব অনটন লেগেই আছে।তার মধ্যে আবার আমাদের অতিরিক্ত মূল্যে পিয়াজ,আলু,ডাল,কাচা মরিচ সহ সব দ্রব্য অতিরিক্ত মূল্যে ক্রয় করতে হচ্ছে।এখন আমাদের পক্ষে দ্রব্য ক্রয় করা অসম্ভব হয়ে দারাচ্ছে।এভাবে দাম বাড়াতে থাকলে আমরা কিভাবে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ক্রয় করবো?না খেয়ে পথে বসতে হবে আমাদের!

সঠিক মূল্য নির্ধারণ করে অন্তত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য বিক্রি করলে আমাদের পক্ষে ক্রয় করতে সম্ভব হবে।

বাজারের আরেক জন ক্রেতা মোঃ সুহেব,উনার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,বাজারে প্রতিনিয়ত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়তেছে।অতিরিক্ত মূল্য প্রত্যাহার করার দাবী জানাচ্ছি।

তাহিরপুর সদর বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ আলমাজ মিয়া উনার হিসাব রক্ষক(মেনাজার)উসমান মিয়া জানান,আমরা আপাতত পিয়াজ পাইকারি বিক্রি বন্ধ করেছি,আমাদের কাছে পর্যাপ্ত পিয়াজের বস্তা নেই।।এলসি পিয়াজ প্রতি কেজি ৬৫-৭০টাকা এবং দেশী পেয়াজ প্রতি কেজি ৭৫-৮০টাকা।আলুর দাম ও বাড়তি ৩৫-৪০টাকা।

এবিষয়ে,তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ বলেন,আমারা বিষটা রবিবারে সরেজমিন পরিদর্শন করে দেখবো।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..