1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজারহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত রাজারহাটে সিংহীমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ নতুন জঙ্গি সংগঠন পুলিশ সদস্যদের হত্যার মিশনে মাঠে নেমেছে: র‌্যাব বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, কমতে পারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজার সামনে চেকপোস্ট বনানীতে জঙ্গি সন্দেহে একটি আবাসিক হোটেল অভিযান রাজধানীর বাজারে চালের দাম বাড়লেও কমেছে সবজির দাম শারীরিক সম্পর্কের পর টাকা না দেওয়ায় ৩ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

শার্শার বই পুস্তক ব্যাবসায়ীদের মানবতার জীবন যাপন

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৭৭ বার

আঃজলিল, শার্শা (যশোর) থেকে : যশোরর শার্শা উপজেলার বই ব্যাবসায়ীরা করোনা কালীন সময় থেকে আ-যপ্তি পর্যন্ত মানবতার মধ্যে দিয়ে জিবন যাপন পালন করছে যাদের কে দেখভাল করার মত কেহই নাই।

শুধুই কি তাই না তাই নয় সরেজমিনে দৈনিক কল্যান পত্রিকার শার্শা উপজেলার প্রতিনিধি আঃ জলিলের একান্ত সাক্ষাৎকার প্রতিবেদনে বই ব্যাবসায়ীদের কাছে গিয়ে খোজ নিতে গিয়ে দেখা যায় যে তাহারা কতটা নাই কষ্টে আছে। সেই আলোকে আলোচনার কথার মধ্যে দিয়ে জিজ্ঞেস করায় কান্নায় ভেঙে পড়েন শার্শা উপজেলার নাভারন বাজারের বই ব্যাবসায়ীরা।

তাহারা বলেন করোনা ভাইরাসের কারনে স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা, সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হটাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়াতেই আমাদের বই ব্যাবসায়ীদের করুন অবস্থা।যাহা বলে বুজানো যাবেনা।

তার পরও মনে মনে আমরা ভাবছিলাম বা আসা করছিলাম হয়তো বা সরকারের দেওয়া কিছু সাহয্য আমরা যারা অসহায় তারা হয়ত কিছু পাবো। কিন্তু কে শোনে কার কথা সাহয্য পাওয়া তো দুরের কথা আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে কেমন অবস্থার মধ্যে আছি বা কেমন ভাবে চলছি এখনো পর্যন্ত একটি বারের ও জন্য আমাদের কে সহযোগিতা করার তো দুরের কতা খোজ নেওয়ার জন্য কেহই কোন দিন ও এগিয়ে আসেনি।

এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা বই পুস্তক সমিতির সভাপতি আঃছাত্তার সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহিদুল ইসলামের সাথে কথা মোবাইল ফোনে কথা বললে তাহারা বলেন আসলে সত্যি কথা হলো যে শার্শা উপজেলার প্রায় ১৮/২০ মত লাইব্রেরি বইয়ের দোকান আছে প্রত্যেকটি লাইব্রেরীর ব্যাবসায়ীরা যে কত বড় অসহায় সেটি ভাষায় বলে প্রকাশ করা যাবেনা।

যার অন্যাতম কারন হলো মহামারী করোনা ভাইরাসের মত একটি রোগ যাহার ফলশ্রুতিতে সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্তঃকারনে অতি অল্প সময়ের মধ্যে সমস্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার নির্দেশনায় দেওয়া হয়। আর এই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্বিসহ অসহায়ত্বের মধ্যে জিবন যাপন করতে হয় শার্শা উপজেলার বই পুস্তক ব্যাবসায়ীদের।

কিন্ত পরিতাপে বিষয় শার্শা উপজেলা বই পুস্তক সমিতির ব্যাবসায়ীরা সরকারি, বা বেসরকারী সামাজিক বা রাজনৈতিক কোন কারোর কাছ থেকে সহযোগিতার কোন আশ্বাস পায়নি।

তবে শুধু মাত্রই বই ব্যাবসায়ী যশোর জেলার পুস্তক সংগঠনের পক্ষ থেকে ১০০০ টাকা করে ১টি বারের জন্য সহযোগিতা করেছিল। এ ব্যাপারে যশোর হাসান বুক ডিপোর ম্যানেজারকে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন যশোর বই পুস্তক জেলা শাখার উদ্যোগে আমরা ১০০০টাকা করে শার্শা উপজেলার প্রতিটি বই ব্যাবসায়ীকে সহযোগিতা করছিলাম।

কিন্তু এখন আর পারছি না তবে আমাদের বই ব্যাবসায়ী কেন্দ্রীয় সংগটন ঢাকার বই পুস্তক ব্যাবসায়ীদের সাথে কথা বলছি যে বিভিন্ন উপজেলার বই ব্যাবসায়ীদেরকে একটু সহযোগিতা করার জন্য।

তাহারা আশ্বাস দিয়েছেন সহযোগিতা করার জন্য সেই মোতাবেক যদি কেন্দ্রীয় সংগঠনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা আসে তাহলে আমরা তাদের কাছে সেটা পৌছায়ে দিবো। তবে স্থানীয় সামাজিক রাজনৈতিক সংগঠন গুলো তাদেরকে একটু সহযোগিতা করার দরকার ছিলো। কিন্তু দুঃখের কথা কি আর ঘাট পার হলে মাজি কলা। কে শোনে কার কথা।

শার্শা উপজেলার নাভারন বাগআঁচড়া বাজারের হাসান লাইব্রেরীর আঃ ছাত্তার, হক লাইব্রেরীর মোহিদুল ইসলাম, মনির লাইব্রেরীর মনির হোসেন, সরকার বুক ডিপোর জাকির হোসেন, পপি লাইব্রেরীর মাহবুব হোসেন মোসলেম লাইব্রেরীর আঃরশিদ, জনতা লাইব্রেরীর মোঃআলী, ঝর্না লাইব্রেরীর আঃআওয়াল এই সমস্ত ব্যাবসায়ীদের সাথে কথা বলতেই চোখে জল যেটি ভাষায় প্রকাশ করার মত কোন জায়গায় নেই।

তার পরেও তাহারা আশাই বুক বেধে আছে না জানি কবে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো খোলে সেই আশায় ব্যাবসায়ীরা চাতক পাখির ন্যায় সরকারের দিকে চেয়ে আছে একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..