1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভৈরবে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন সুজন কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ রাজারহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালিত রাজারহাটে সিংহীমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের কমিটি গঠনে অনিয়মের অভিযোগ নতুন জঙ্গি সংগঠন পুলিশ সদস্যদের হত্যার মিশনে মাঠে নেমেছে: র‌্যাব বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি, কমতে পারে রাত ও দিনের তাপমাত্রা রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হতে দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসভবন ফিরোজার সামনে চেকপোস্ট বনানীতে জঙ্গি সন্দেহে একটি আবাসিক হোটেল অভিযান রাজধানীর বাজারে চালের দাম বাড়লেও কমেছে সবজির দাম

স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত, নিরাপদ, গতিশীল, শিক্ষা ও গবেষণাবান্ধব ক্যাম্পাস গড়ার কারিগর প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৭২ বার

প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও সময়ের এক ক্ষণজন্মা মেধাবী ও চৌকশ উপাচার্য, যার গতিশীল নেতৃত্বে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর নব উদ্যোমে এগিয়ে যাচ্ছে। প্রফেসর কলিমউল্লাহ মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশবলে ২০১৭ সালের ১৪ জুন পূর্বাহ্নে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর চতুর্থ উপাচার্য হিসেবে যোগদান করেন। প্রফেসর কলিমউল্লাহ এর যোগদানের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক ও বিশৃঙ্খলাপূর্ণ । বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশীজনদের একটি শক্তিশালী দুষ্টচক্র বিশ্ববিদ্যালয়টিকে দুর্নীতি ও স্বজনতোষণের একটি স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছিল। দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়টির বিরূপ ইমেজ তৈরি হয়েছিল। কারণে-অকারণে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রায়ই বন্ধ থাকত। এরকম একটি বিশৃঙ্খল পরিবেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে মুক্ত করা বর্তমান উপাচার্যের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু সুখের বিষয় হচ্ছে বর্তমান উপাচার্য উপর্যুক্ত চ্যালেঞ্জগুলোকে সফলভাবে মোকাবেলা করে দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি স্বচ্ছ ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠিত করতে সফল হয়েছেন। নিম্নে প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যারের কিছু ইতিবাচক দিক তুলে ধরা হল।

স্বচ্ছ নিয়োগ

প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও এর দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়টির অন্যতম বড় সংকট ছিল, নিয়োগের ক্ষেত্রে অস্বচ্ছতা, দুর্নীতি ও স্বজনতোষণ। দুর্নীতির অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়টির দ্বিতীয় উপাচার্যকে দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দুদকের মামলায় গ্রেফতার হয়ে হাজত খাটতে হয়। কিন্তু বর্তমান উপাচার্য যোগদানের পর থেকেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন। তাঁর আমলে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় ৪৮ জন শিক্ষক, ২০ জন কর্মকর্তা ও ৬১ জন কর্মচারী সহ মোট ১২৯টি নিয়োগ হয়। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য করার জন্য তিনি প্রতিটি নিয়োগের ক্ষেত্রে মৌখিক পরীক্ষার পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষার প্রচলন করেন। যে কোনো ধরণের তদবিরকে তিনি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করার সাহসী ঘোষণা দেন। রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির তদবিরকে অগ্রাহ্য করে তিনি মেধাবী ও উপযুক্ত প্রার্থীকে নিয়োগ দিয়ে স্বচ্ছতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও এর ৩ বছর ৩ মাস সময়ের মধ্যে তিনি তাঁর ১ জন আত্মীয়কেও বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো স্তরে নিয়োগ প্রদান না করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বজনতোষণ দূর করেছেন।

শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা

সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশের জন্য প্রয়োজন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও এ কাজটি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে করতে সক্ষম হয়েছেন। ক্যাম্পাসকে বহিরাগত বখাটে, মাদকসেবী, সহিংসতাকারী ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে মুক্ত রাখতে তিনি স্থায়ীভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনসার ক্যাম্প নির্মাণ করেছেন। আনসার এবং পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ টহল টিম সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়টির নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করে থাকে। সমগ্র ক্যাম্পাসকে তিনি সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে এসেছেন। ক্যাম্পাসের অধিকতর নিরাপত্তার জন্য একটি ড্রোন হেলিকপ্টারের টহল নিশ্চিত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ভবনে অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়কে বহিরাগতদের উটকো ঝামেলা থেকে মুক্ত করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী সবার আইডি কার্ড বহন ও প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সর্বোপরি তিনি ক্যাম্পাসকে সব ধরণের র‌্যাগিং ও টিজিং থেকে মুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অংশীজনদের জন্য একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস ও মুক্ত ক্যাম্পাস উপহার দিতে সক্ষম হয়েছেন।

উপর্যুক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও এমন অনেক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন যার মাধ্যমে দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়টির একটি স্বচ্ছ ও ইতিবাচক ইমেজ সৃষ্টি হয়েছে।

মুজাহিদুল ইসলাম
প্রভাষক,
লোক প্রশাসন বিভাগ;
সভাপতি,
বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ ক্লাব;
সদস্য,
নবপ্রজন্ম শিক্ষক পরিষদ,
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..