1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahmed : Sohel Ahmed
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাগেরহাটের রামপালে ০৯ (নয়) কেজির অধিক তামারসহ চোর চক্রের ০৩ জন সদস্য আটক জাপানি মেয়েসহ আত্মগোপনে থাকা বাবাকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব সুস্থ-সবল-জ্ঞান-চেতনাসমৃদ্ধ দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ মানুষের দেশ গড়তে চেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু : ড.কলিমউল্লাহ শিক্ষাকে বাণিজ্যিক পণ্য বানাবেন না: রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ আলো থেকে আর অন্ধকারে ফিরে যাবে না – ওবায়দুল কাদের শেরপুরে ক্ষেতজুরে সূর্যমুখী ফুল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় প্রতিবেশির জায়গা দখল করে বসতবাড়ি নির্মান করছে প্রভাবশালীরা বিশ্বনাথে উপজেলা আ’লীগের ভালবাসায় সিক্ত ভারপ্রাপ্ত পৌর মেয়র রফিক হাসান সাংবাদিক আলমগীর নূরকে অপহরণ,হত্যা প্রচেষ্টা; সন্ত্রাসী ও গডফাদারদের গ্রেপ্তার দাবী সুইডেনে কোরআন পোড়ানোর প্রতিবাদে কালিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত

শিক্ষা ও গবেষণা-বান্ধব ক্যাম্পাস গড়ার কারিগর প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ১২০ বার

 

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজ হচ্ছে জ্ঞান উৎপাদন ও জ্ঞান বিতরণ করা। প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার বিষয়টি সম্পর্কে শুরু থেকেই সম্যক সচেতন ও আন্তরিক ছিলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি কেন্দ্রীয়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ইন্সটিটিউট, অনুষদ, বিভাগ থেকে বিভিন্ন শৃঙ্খলার নিয়মিত জার্নাল প্রকাশের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি নব উদ্যমে ড. ওয়াজেদ রিসার্চ এন্ড ট্রেইনিং ইন্সটিটিউট প্রণয়ন করেন। তিনিই প্রথম এ ইন্সটিটিউটের বিধি-প্রবিধি তৈরি করেন, পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করেন, এমফিল এবং পিএইচডি এর সিলেবাস প্রণয়ন করেন, এমফিল ও পিএইচডিতে ভর্তির নীতিমালা প্রণয়ন করে পর্যাপ্ত সুপারভাইজার এবং গবেষণা কর্মকর্তা নিয়োগ দেন । বর্তমানে ইন্সটিটিউটটিতে বিশ্ববিদ্যালয়টির নিয়মিত শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি দেশবরেণ্য বিভিন্ন ব্যক্তিরা গবেষণা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। ড. ওয়াজেদ রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইন্সটিটিউট বিগত ৩ বছরে প্রায় ১৫০ এর অধিক দেশী এবং আন্তর্জাতিক সেমিনার সফলভাবে আয়োজন করে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কার্যক্রমকে গতিশীল করার জন্য ২০০৮ সালে গবেষণা ও সম্প্রসারণ দপ্তর চালু করা হয়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে ২০০৮ সাল থেকে বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ এ দপ্তরটি বন্ধ ছিল। বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পর এ দপ্তরটি চালু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক গবেষণা কার্যক্রমে গতির সঞ্চার করেন।

বর্তমান বিশ্বে মানসম্মত উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কে অত্যধিক গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার এবং বিশ্বব্যাংক যৌথভাবে হেকেপ প্রজেক্টের মাধ্যমে এ বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করে যাচ্ছে । বর্তমান উপাচার্য বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথমবারের মতো বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর নবনিযুক্ত শিক্ষকদের জন্য ছয়মাস মেয়াদী বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স চালু করেছেন।

শিক্ষা কার্যক্রমকে গতিশীল ও সহজ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট এবং ওয়াইফাই সংযোগের কাজ শুরু হয় ২০১৪ সালে । কিন্তু অজ্ঞাত কারণে মাত্র ছয় মাসের কাজ চার বছরেও শেষ হয়নি, যার ফলে শিক্ষার্থীরা বিপুল ক্ষতির স্বীকার হয়েছে। বর্তমান উপাচার্য দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসনিক জটিলতা দূর করে ক্যাম্পাসের সকল জায়গায় উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ও ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করেছেন। প্রতিটি বিভাগের একটি শ্রেণীকক্ষে উচ্চমান সম্পন্ন প্রজেক্টর ও ডিজিটাল বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের ভার্চুয়াল ক্লাসরুম তৈরি করা হয়েছে। সাইবার সেন্টারের আধুনিকায়ন করা হয়েছে। ক্যাম্পাস রেডিও চালু করা হয়েছে। ক্যাম্পাস টিভি চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। নারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী বিকশিত করার জন্য উইমেন পিস ক্যাফে চালু করা হয়েছে। সহশিক্ষা কার্যক্রমকে বিকশিত করার জন্য প্রায় প্রতিটি বিভাগে বিভিন্ন ক্লাব স্থাপন করা হয়েছে। বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও জীববিজ্ঞান অনুষদের নতুন ল্যাব তৈরিসহ ল্যাবগুলোকে আধুনিকায়ন করা হয়েছে।

বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ডক্টর মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও স্যার এমন এক কঠিন সময় দায়িত্ব গ্রহণ করেন যখন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবলের অভাবে অনেকাংশে স্থবির ছিল। প্রশাসনিক কার্যক্রমে দীর্ঘসূত্রিতা ছিল। বর্তমান উপাচার্য এ সমস্যাটি চিহ্নিত করে প্রশাসনে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন। পরীক্ষা দপ্তরের কার্যক্রমে গতিশীলতা সৃষ্টির জন্য দ্বিগুণ জনবল নিয়োগ করেন। টেন্ডার প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করার জন্য ই-টেন্ডার পদ্ধতি চালু করেন।

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন তাঁরই পথ অনুসরণ করে ডিজিটাল বেরোবি, রংপুর গড়ার লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন মাননীয় উপাচার্য মহোদয়। এ করোনা কালীন মহামারীর সময়ও স্যার শিক্ষকদের আপগ্রেডেশন প্রদান, পারিতোষিক নিয়মিত করণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম করে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করার লক্ষ্যে আধুনিকতা ও অগ্রসরতার যে ছোঁয়া বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এ লেগেছে তা অব্যাহত থাকুক। এগিয়ে যাক আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, এগিয়ে যাক বেরোবি, রংপুর এবং তারই ফলশ্রুতিতে এগিয়ে যাক বাংলাদেশ।

মেহনাজ আব্বাসী বাঁধন
প্রভাষক
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
সদস্য, নবপ্রজন্ম শিক্ষক পরিষদ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।
এবং
মুজাহিদুল ইসলাম
প্রভাষক,
লোক প্রশাসন বিভাগ;
সভাপতি,
বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ ক্লাব;
সদস্য,
নবপ্রজন্ম শিক্ষক পরিষদ,
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..