1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনের অযৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাভারে সাংবাদিক সোহেল রানাকে প্রকাশ্যে হত্যার চেষ্টা দুর্নীতিতে আক্রান্ত রুটিরুজিও? জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল উদ্ধোধন মনে পড়ে ড্রিম গার্ল শ্রীদেবীকে? ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে নরসিংদী সদর প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠন। ফেনী শহরের আবাসিক হোটেল গুলোতে মাদক, জুয়াসহ চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা,ধ্বংসের মুখে তরুণ সমাজ বঙ্গবন্ধুর সংবেদনশীলতা ছিল অতুলনীয়: ড.কলিমউল্লাহ সাবেক সিনিয়র সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী (সৌরেন)আগামী নমিনেশনের জন্য দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে প্রচারনা চালাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু বাঙালির প্রতি ভালবাসার অফুরান ঝর্ণাধারার উৎস: ড.কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু অধ্যবসায়ী নেতা ছিলেন: ড.কলিমউল্লাহ

ভূল চিকৎসায় প্রসূতি মায়ের মৃত্যু-কোটচাঁদপুর নাসিং হোম ক্লিনিকে

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৭৫ বার

বিশেষ প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নার্সিং হোমে ক্লিনিকে ভূল চিকিৎসায় মিতা (৩৫) নামে এক প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর নোভা মেডিকেল সেন্টার হসপিটালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। রবিবার রাত ৮.৩০ মিনিটের সময় কোটচাঁদপুর নার্সিং হোমে এ প্রসূতি নারীর সিজারিয়ান অপারেশন করেন নার্সিং হোমের চিকিৎসক ডাঃ ফাহিম উদ্দীন।

জানা যায়, রবিবার রাতে উপজেলার বড়বামনদাহ গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী মিতা খাতুন (৩৫) এর প্রসব বেদনা হলে শহরের কোটচাঁদপুর নার্সিং হোমে ভর্তি করেন। সেখানে তার সিজারিয়ান অপারেশন করেন ডাঃ ফাহিম উদ্দীন। অপারেশনের পর তার শারিরীক অবস্থার অবনতি হয়। এসময় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ অবস্থা বেগতিক দেখে দ্রুত মিতাকে যশোর হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে চিকিৎসা দেওয়ার আগেই মিতার মৃত্যু হয়। মৃতের স্বজনরা অভিযোগ করেন, তারা কোন কিছু পরীক্ষা নিরিক্ষার কাগজ পত্র না দেখে অপারেশন রুমে নিয়ে যান এবং সিজার করেন। অবস্থা খারাপের দিকে গেলেও তারা রোগীকে সেখানেই চিকিৎসা দিতে থাকে। এরপর কোন উপায় না পেয়ে ওই নারীকে যশোরে রেফার্ড করেন। ভোরের দিকে আমরা রোগীকে যশোর নোভা মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে নিলে সেখানে চিকিৎসার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।
ক্লিনিক মালিক আজাদ রহমান জানান, রোগীর একলেমশিয়ার সমস্যা ছিল। রোগীর পেশার বেশি ছিল। অপারেশনের পর রোগীর অবস্থা খারাপ হয়। পরে তাকে যশোরে পাঠানো হয়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, রোগীকে প্রাইভেট হাসপাতালে না নিয়ে সদর হাসপাতালে নিলে এঘটনা নাও ঘটতে পারত। বিষয়টি নিয়ে ডাঃ ফাহিম উদ্দীনের সঙ্গে কথা বলতে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ডাঃ আব্দুর রশিদ বলেন, বিষয়টি শুনেছি। সিভিল সার্জনের সঙ্গে কথাও হয়েছে। এঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম বলেন, আমি ঢাকায় আছি। বিষয়টি আমার জানা নাই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখি বিষয়টি সঠিক হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিব।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..