1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনের অযৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঊনপঞ্চাশটি মোবাইল ফোনসহ পোনে এক লক্ষ টাকা উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব এর ৯২তম জন্মদিন উপলক্ষে পুষ্পস্তবক অর্পন সহকারী অধ্যাপক হিসাবে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ দিচ্ছে বশেমুরবিপ্রবি শিবচরে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঝালকাঠিতে শেখ কামাল’র জন্মবার্ষিকী পালিত বরগুনার তালতলীতে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন রংপুর চিড়িয়াখানায় জলহস্তি নুপুর ও কালাপাহাড় জুটির প্রথমবার বাচ্চা প্রসব রংপুরে অনুমোদনহীন ঔষধ কারখানায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ঔষধ জব্দসহ অর্থদন্ড পাবনা ফরিদপুরে সন্ত্রাসীদের গ্রামবাসীর গণপিটুনি পাবনা সুজানগরে ডিবি পরিচয়ে কসাই থেকে ২৫ কেজি মাংস নিয়ে পলাতক আসামী গ্রেপ্তার

মিস করছি প্রিয় ক্যাম্পাস ও বন্ধুদের

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০
  • ২১৯ বার

 

পুরাণ ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ব নাম জগন্নাথ কলেজ। বিংশ শতাব্দীর অধিকাংশ সময় জুড়ে এই নামেই পরিচিত ছিল। ১৮৫৮ সালে ঢাকা ব্রাক্ষ্ম স্কুল নামে এর প্রতিষ্ঠা হয়। বালিয়াটির জমিদার ১৮৭২ সালে এর নাম বদলে জগন্নাথ স্কুল নামকরণ করেন। ১৮৮৪ সালে এটি একটি দ্বিতীয় শ্রেণীর কলেজ এবং ১৯০৮ সালে প্রথম শ্রেণীর কলেজে পরিণত হয়। ২০০৫ সালে জাতীয় সংসদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৫ পাশের মাধ্যমে একটি পুর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়। ৭ একরের বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৬ টি বিভাগ ও ২ টি ইন্সিটিউট রয়েছ। এর মধ্যে ২১০০০ বর্গফুটের একটি বিভাগ রয়েছে যার নাম একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ। বিভাগটিতে সকাল ৮:৩০ থেকে ৩:৩০ পর্যন্ত ব্যস্ততা লেগে থাকত। কোনো ব্যাচ ক্লাস করতে ব্যস্ত থাকতো, কেউ কেউ আবার এসাইনমেন্ট, প্রেজেন্টেশন নিয়ে ব্যস্ত। বিভাগের সেমিনার সবসময় পরিপূর্ণ থাকতো শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মধ্যে দিয়ে। একটু অবসর হলে শিক্ষার্থীরা চলে যেত ওপেন সেমিনারে। কেউ কেউ ওপেন সেমিনারে বসে গল্প করতো, আড্ডা দিত, আবার কেউ কেউ পড়াশোনা করতো। আড্ডা আর পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে নোটিশ বোর্ডের দিকে তাকাতো এটা দেখতে যে কোনো নোটিশ আছে কি না। ডিপার্টমেন্টের কম্পিউটার ল্যাবে সারাদিন ব্যস্ততা থাকতো কেউ বা কোনো দরকারি কাজে আবার কেউ বা কার্টুন দেখতো। ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি বিতর্ক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়েও ব্যস্ত থাকতো। সব শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৪ তম আবর্তনের বি সেকশনের শিক্ষার্থীরা মেতে থাকতো এক অন্যরকম আমেজে। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে আড্ডা, বন্ধুদের জন্মদিন পালন আরো কত কি! কিন্তু করোনা নামক কালো ছায়া তাদের সব আনন্দ বন্ধ করে দিয়েছে। এখন সবাই গৃহ বন্দি। সবাই অপেক্ষা করছে আবার কবে আনন্দের জোয়ারে ভাসবে!

হিরা সুলতানা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

নিউজটি শেয়ার করুন..

One response to “মিস করছি প্রিয় ক্যাম্পাস ও বন্ধুদের”

  1. nsuqiccfdc says:

    Muchas gracias. ?Como puedo iniciar sesion?

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..