1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
হারিয়ে যাচ্ছে ফালি করাতিদের ঐতিহ্য। - লাল সবুজের দেশ
মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ আনোয়ারায় বড় ভাইয়ের রোষনালে গৃহহীন তিন সহোদর ভৈরবে ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী রোকেয়া বেগম এর ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা স্বামী-স্ত্রী ফ্রিজ কিনে বাড়ি ফিরলেন” তবে দুজনেই লাশ হয়ে নোয়াখালীর হাতিয়ায় নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও ভিডিও: গ্রেফতার ৫ রংপুরের হারাগাছে নকল কয়েল কারখানায় অভিযান আজ অনুষ্ঠিত হবে মেয়র কাপ t20 ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা বরগুনায় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদকের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরন নাসিরনগরে এশিয়ান টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন ও অফিস উদ্ভোধন ভারতীয় বিড়ির চালান সহ চোরাকারবারী আটক

হারিয়ে যাচ্ছে ফালি করাতিদের ঐতিহ্য।

  • আপডেট টাইম: শনিবার, ২ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৬৩২ বার পঠিত

 

হারুন-অর-রশিদ দেওয়ানগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ সময়ের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ফালি করাতিদের ব্যবসা, এক সময় গ্রামগঞ্জের সৌখিন মানুষ গুলো সখের বশে বা প্রয়োজনের তাগিতে তৈরী করতেন কাঠের নানা ডিজাইনের আসবাব পত্র। তাদের কাঠ কাটা বা ফাড়ার একমাত্র ভরসা ছিল চেড়াই বা ফালি করাতিগণ। বাঁশের মাচায় গাছের গুড়ি তুলে সুতা দিয়ে দাগ টেনে তারপর উপরে একজন আর নিচে দুইজন করাত টানাটানি চলতো সারাদিন। সারাদিনে একটি খাট বা টেবিলের কাঠ কাটতেন এই করাতিগন। কালের পরিবর্তনে আবিষ্কৃত হয়েছে স’মিল, মুহুর্তেই বড় বড় গাছ ছোট আকারে প্রয়োজনীয় কাঠে পরিনত করা হয়। ফলে দিন দিন বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে ফালি করাতিদের কাজ। সময়ের স্রোতে একেক জন একেক পেশায় ধাবিত হয়েছে। কেউ দোকানদার, কেউ চটপটি বিক্রেতা, কেউ দিন মজুর, কেউ রিকশা চালানো পেশায় রূপান্তরিত হয়েছেন, আবার কেউ কাজ করছেন স’মিলের শ্রমিকের কাজ। অল্প সংখ্যক লোক তাদের পুরোনো ঐতিহ্যগত কারণে অতি কষ্টে এ পেশা ধরে রেখেছেন। এমন একদল করাতিদের সাথে কথা হয় সানন্দবাড়ী লম্বাপাড়া শাহিন আলীর স’মিলে। সর্দার জুলহাস উদ্দিন (৭২) জানান – তার বাড়ী গাইবান্ধা জেলায়। গত ৪০ বছর যাবত এ কাজ করলেও ইদানিং কাজ কমে যাওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ঘুরে কাজ করে থাকেন। যে সব গাছ স’মিলে তোলা সম্ভব হয়না সেগুলো এই ফালি করাতিদের দ্বারা ফালি করা হয়। আধুনিকতার ছোঁয়ায় আমরা প্রযুক্তির ব্যবহারকে প্রাধান্য দিলেও পুরোনো ঐতিহ্যকে ভুলতে বসেছি কিন্তু একে ধরে রাখা জরুরী বা ভুলে যাওয়া যায় না বলে সচেতন মহল মনে করেন ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 lalsabujerdesh.com
Theme Customized By BreakingNews