1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
৪৫ মাসেও শেষ হয় নি কুবির দ্বিতীয় ছাত্রী হল নিমার্ণ কাজ - লাল সবুজের দেশ
মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২১, ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ আনোয়ারায় বড় ভাইয়ের রোষনালে গৃহহীন তিন সহোদর ভৈরবে ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী রোকেয়া বেগম এর ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা স্বামী-স্ত্রী ফ্রিজ কিনে বাড়ি ফিরলেন” তবে দুজনেই লাশ হয়ে নোয়াখালীর হাতিয়ায় নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন ও ভিডিও: গ্রেফতার ৫ রংপুরের হারাগাছে নকল কয়েল কারখানায় অভিযান আজ অনুষ্ঠিত হবে মেয়র কাপ t20 ক্রিকেট টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা বরগুনায় সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদকের বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরন নাসিরনগরে এশিয়ান টিভির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন ও অফিস উদ্ভোধন ভারতীয় বিড়ির চালান সহ চোরাকারবারী আটক

৪৫ মাসেও শেষ হয় নি কুবির দ্বিতীয় ছাত্রী হল নিমার্ণ কাজ

  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৪৬ বার পঠিত

 

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানীর নামে একটি হল রয়েছে। দ্বিতীয় আরেকটি হল নির্মাণের কার্যক্রম অনেক আগে শুরু হলেও কবে শেষ হবে তার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই।

সূত্র মতে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দ্বিতীয় ছাত্রী হলের জন্য ২০১৭ সালের মার্চে টেন্ডার আহ্বান করে আবদুর রাজ্জাক জেবিসিএ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে প্রকল্পটির কাজ দেয় । ১৮ মাসে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও দীর্ঘ প্রায় ৪৫ মাসেও কাজ শেষ হয়নি নির্মিতব্য ছাত্রী হলের।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মিতব্য হলের ভিতরের রুমে প্লাস্টার লাগানো হলেও বাইরে এখনো প্লাস্টার লাগানো হয় নি। এছাড়া, জানালার গ্রিল লাগালেও দরজা এবং জানালার কাচ লাগানো বাকি আছে। সবচেয়ে প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ সংযোগও এখনো আসে নি।

ঠিকাদার মো. জাহাঙ্গীর আলম এ ব্যাপারে বলেন, ‘করোনা ভাইরাসের কারনে শ্রমিক সংকট ছিল। কাজ করাতে পারিনি তেমন। করোনার আগে কাজ দ্রুত গতিতেই চলছিল। এছাড়াও প্রশাসনিক নানান জটিলতার কারনেও দেড়ি হয়েছে। সময়মত টাকা পাই না। আর প্রজেক্টের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এখন একটু সমস্যা হচ্ছে। প্রজেক্টের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করেছি। তবে আশাকরি এই বছরের অক্টোবরের ভিতরে আমরা কাজ শেষ করতে পারবো।’

এর আগে ২০১৯ সালের নভেম্বরেও তিনি দুই-তিন মাসের ভেতর ও চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের আগে কাজ বুঝিয়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও প্রকল্পের কাজ শেষ করতে পারেননি।

এদিকে তত্ত্বাবধারক প্রকৌশলী এস. এম. শহিদুল হাসান ঠিকাদারকে দোষারোপ করে বলেন, ‘টাকা, শ্রমিক ও মালামাল এ তিনটি জিনিস ঠিক থাকলে খুব দ্রুত কাজ সম্ভব। ঠিকাদারদের এগুলো ঠিক ছিল না বিধায় কাজ এতো দেড়ি হচ্ছে। এ ৩ টি জিনিসের সমন্বয় করেনি ঠিকাদার।

তিনি আরো বলেন, কার্যাদেশের যে টাকা বরাদ্দ আছে সেই কাজই শেষ করতে পারেনি ঠিকাদার।
ঠিকাদার কাজের গতি কমিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে জিম্মি করার চেষ্টা করছে। এখন ঠিকাদার চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময় চেয়ে আবেদন করেছেন।

হল নির্মাণ সম্পূর্ণ করতে আরো কত সময় লাগবে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার ড. মো. আবু তাহের জানান, এ হলের কাজের যে সময়সীমা ছিল তা শেষ হয়ে গেছে। ঠিকাদার আবার সময় বৃদ্ধির আবেদন করেছে। প্রকল্পের সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় ঠিকাদারকে টাকা দেয়ায়ও সমস্যা হচ্ছে। এখন মন্ত্রণালয় থেকে অফিস আদেশ আসলে আমরা টাকা দিতে পারবো। আর তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। আশা করি, আগামী অক্টোবরের ভিতরে কাজ শেষ হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 lalsabujerdesh.com
Theme Customized By BreakingNews