1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম পৌর অংশে ময়লার বাগাড়, শিশুদের স্থাস্থ্য ঝুঁকির আশংকা সর্বসাধারণের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা এর উদ্বোধন করলো পুনাক বাগেরহাটের রামপালে  ৬১টি জিআই পাইপ ও ১টি লোহার বিম ও ৮০টি জিআই পাইপ ও ১টি ওয়াটার বাল্বসহ মোট ৭ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ করেছে ৩ আনসার ব্যাটালিয়ন, রামপাল ক্যাম্প। বাঙালির মুক্তির জন্য বহু বিনিদ্র রজনী অতিবাহিত করেছেন বঙ্গবন্ধু : ড.কলিমউল্লাহ বাড়তি বৃষ্টিপাতে হতে পারে বন্যা, শঙ্কা আছে ঘূর্ণিঝড়ের ‘মুজিববর্ষে প্রায় ২ লাখ পরিবার সরকারি ঘর পেয়েছে’ – প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে কাল রংপুর সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ৭১ এর মানববন্ধন রংপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুরু নেত্রকোণা জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও অফিসার রাজীব-উল-আহসান

‘কাজলাদিদি’ স্রষ্টার মৃত্যু দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য-

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৬৬ বার

 

স্বীকৃতি বিশ্বাস
অভয়নগর(যশোর)

‘বাঁশ-বাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই
মাগো আমার শোলক্ বলা কাজলা দিদি কই?’
-বাংলা সাহিত্যের এই অমর কবিতাটির সাথে বাল্যকালে আমরা সকলেই কম বেশি পরিচিত হয়েছি।এই অমর কবিতাটির স্রষ্টা যতীন্দ্র মোহন বাগচি।তিনি একাধারে কবি এবং ছিলেন পত্রিকার সম্পাদক।
যতীন্দ্র মোহন ১৮৭৮ সালের ২৭ নভেম্বর নদিয়া জেলার জমশেরপুর জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস বলাগড় গ্রাম,হুগলি।তিনি কলকাতার ডাফ কলেজ অধুনা স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সদাচারণ মিত্রের ব্যক্তিগত সচিব রূপে কর্ম জীবন শুরু করেন। পরে কলকাতা কর্পোরেশনে নাটোর মহারাজের ব্যক্তিগত সচিব ও জমিদারির সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদে ও কর কোম্পানিতে কাজ করেন।এছাড়াও গুপ্ত কোম্পানির ব্যবস্থাপক হিসাবে কাজ করেন।

যতীন্দ্র মোহন বাগচীর বাল্য ও কৈশোরকাল কেটেছে গ্রাম্য আবহে।তাই তার লেখায় পল্লী জীবন ও জীবিকার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ্য করা যায়। পল্লী- প্রীত কবি মানসে তাই বিভূতি ভূষণ বন্দোপাধ্যায়,জীবনানন্দ দাশের প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।কবির কাব্যবস্তু নিসর্গ – সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ। গ্রাম্য জীবনের অতি সাধারণ বিষয়কে সুখ-দুঃখের ফ্রেমে বন্দী করে খুবই সহজ সরল ভাষায় মনের মাধুরি মিশিয়ে মহিমান্বিত করেছেন। তিনি দক্ষতার সাথে ভাগ্যবিড়ম্বিত ও নির্যাতিত- নিপীড়িত নারীদের কথা হৃদয়াঙ্গ করে প্রকাশ করেছেন যা ‘কাজলাদিদি’ ও ‘অন্ধবন্ধু’ নামক বিখ্যাত কবিতায় দেখা যায়।
যতীন্দ্র মোহন ছিলেন রবীন্দ্রোত্তর যুগের স্বমহিমায় প্রস্ফুটিত গ্রাম্য অপরিচিত জংলী ফুল। তার সমসাময়িক কবিদের মধ্যে শক্তিমান কবি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ- লেখা(১৯০৬),রেখা(১৯১০),অপরাজিতা (১৯১৫), নাগকেশর (১৯১), জাগরণী (১৯২২), নীহারিকা ( ১৯১৭), মহাভারতী(১৯৩৬) ইত্যাদি। রবীন্দ্রনাথ ও যুগ সাহিত্য তাঁর একটি বিশেষ গদ্য গ্রন্থ। রচনা করেন পথেরদাবী নামে একটি উপন্যাস।

যতীন্দ্রমোহন কবি হিসাবে যেমন স্বমহিমায় উদ্ভাসিত ছিলেন তেমন পত্রিকার সম্পাদক হিসাবেও। তিনি বহু সাহিত্যিক পত্রিকায় গঠন মূলক অবদান রেখেছেন। ১৯০৯ থেকে ১৯১৩ সাল পর্যন্ত ‘ মানসী’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯২১-১৯২২ সাল পর্যন্ত ‘যমুনা ‘ পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক হিসাবে কাজ করেন।১৯৪৭-১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ‘পূর্বাচল’ পত্রিকার মালিক ও সম্পাদক ছিলেন।

যতীন্দ্র মোহন বাগচীকে রবীন্দ্র পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান সাহিত্যিক হিসাবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৪৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারী তিনি মৃত্যু বরণ করেন।

তাঁর মৃত্যু দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধার্ঘ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..