1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
মীনা কুমারী ছিলেন বোম্বের টপ নায়িকাদের মধ্যে একজন। - লাল সবুজের দেশ
মঙ্গলবার, ০৯ মার্চ ২০২১, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

মীনা কুমারী ছিলেন বোম্বের টপ নায়িকাদের মধ্যে একজন।

  • আপডেট টাইম: মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৯ বার পঠিত

মীনা কুমারী

লিয়াকত হোসেন খোকন

পঞ্চাশ – ষাটের দশকে মীনা কুমারী ছিলেন বোম্বের টপ নায়িকাদের মধ্যে একজন।
রূপলাবন্য ও অভিনয় কুশলতায় তিনি ছিলেন অনন্যা।
শুধু অভিনেত্রী ছিলেন না, উর্দূ ভাষায় ছিল তাঁর ভালো দখল।
কবিতা লিখতেন।
মনটা ছিল ভারি নরম।
১৯৩৩ সালের পহেলা আগষ্ট বোম্বের দাদারের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে মীনা কুমারীর জন্ম।
তাঁর পিতার নাম আলী বক্স।
তাঁর মাতার নাম ইকবাল বেগম।
যৌবনকালে তিনি বিখ্যাত নর্তকী ছিলেন।
তখন তাঁর নাম ছিলো প্রভাবতী।

মীনা কুমারীরা তিন বোন ছিলেন। ফিল্ম লাইনে আসার আগে তাঁর নাম ছিলো – মেহজাবিন আরা। ডাক নাম ছিল – মঞ্জু।

মীনা কুমারী শিশু শিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে যোগ দিয়েছিলেন।
তাঁর নাম পাল্টে ” মীনা কুমারী ” নামটি রেখেছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা বিজয় ভাট।

মীনা কুমারী অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো ঃ

১৯৫০ সালে – হামারা ঘর। মাজরুর। শ্রী গনেশ মহিমা।

১৯৫১ সালে – হনুমান পাতাল বিজয়। লক্ষ্মী নারায়ণ। মাধোশি।
১৯৫২ সালে – আলাদিন এ্যান্ড দা ওয়ান্ডারফুল ল্যাম্প। বৈজু বাওরা। তামাশা।
১৯৫৩ সালে – দিদার। দানাপানি। দো বিঘা জমিন ( অতিথি শিল্পী)। ফুটপাত। নওলাখা হার। পরিনীতা।
১৯৫৪ সালে – বাদবান। চাঁদনী চক। ইলজাম।
১৯৫৫ সালে – আদিল – এ – জাহাঙ্গীর। আজাদ। বন্দীশ। রুকশানা।
১৯৫৬ সালে – বন্ধন। এক হি রাস্তা। হালাকু। মেম সাহেব। নয়া আন্দাজ। সাতরঞ্জ।
১৯৫৭ সালে – মিস ম্যারি। সারদা।
১৯৫৯ সালে – অর্ধাংগিনী। চাঁদ। চার দিল চার রাহে। চিরাগ কাহান রোশনি কাহান। জাগির। মাধু। সত্য বাজার সাহারাত।

১৯৬০ সালে – বাহানা। দিল আপনা আউর প্রীত পরাই। কোহিনূর।
১৯৬১ সালে – ভাবি কি চুড়িয়া। পেয়ার কা সাগর। জিন্দেগী আউর খোয়াব।
১৯৬২ সালে – আরতি। ম্যায় চুপ রাহেঙ্গি। সাহেব বিবি আউর গোলাম।
১৯৬৩ সালে – আকেল মাত যাও। দিল এক মন্দির। কিনারে কিনারে।
১৯৬৪ সালে – বেনজির। চিত্রালেখা। গাজাল। ম্যায় ভি লাড়কি হু। সাঞ্জ আউর সাভেরা।
১৯৬৫ সালে – ভিগি রাত। কাজল। পূর্ণিমা।
১৯৬৬ সালে – ফুল আউর পাথ্বর। পিঞ্জরে কি পাঞ্ছি।
১৯৬৭ সালে – বহু বেগম। চন্দন কা পালনা। মেজ দিদি।
নূরজাহান।
১৯৬৮ সালে – অভিলাষা। বাহারো কি মঞ্জিল।
১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ – মেরা আপনে। দুশমন।
পাকিজা।

মীনা কুমারীর বিয়ে ঃ
১৯৫২ সালের ১৪ ই ফেব্রুয়ারি কামাল আমরোহির সংগে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মীনা কুমারী ।
বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন কামাল আমরোহির আগের ঘরের দুই পুত্র।
এ বিয়ে বেশিদিন টিকলোনা।
১৯৬৪ সালে মীনা কুমারী কামাল আমরোহিকে ত্যাগ করে ভগ্নিপতি মেহমুদের বাড়িতে উঠলেন।
মীনা কুমারী এর আগে থেকেই ধরেছিলেন মদ। মদ খাওয়ার মাত্রা দেখে সেই সময়ে ধর্মেন্দ্র তাঁর জীবনে জড়িয়ে পড়লেন।
মীনা কুমারী ও ধর্মেন্দ্রের প্রেম – একত্রে ওদের মদ খাওয়ার কাহিনিও কিংবদন্তী হয়ে রইলো। তবে মজার ব্যাপার কি, ধর্মেন্দ্র তাঁর জীবনে এসে তাঁর দেহটা ভোগ করে সটকে পড়েছিলেন।

অতীতের বেদনা ভুলবার জন্য মীনা কুমারীর মদ খাওয়ার মাত্রা আরও বেড়ে গেল।
অবশেষে ৪০ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ১৯৭২ সালের ৩১ শে মার্চ মীনা কুমারী পরলোকগমন করলেন।

আর কয়েক দিন পর ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ভালোবাসা দিবস ঃ
মীনা কুমারীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ লেখাটি তাঁর নামে উৎসর্গ করলাম।
মীনা কুমারী যে লোকে থাকুন না কেন, উঁনি যেনো ভালো থাকেন – এই দোয়া রইলো।
১৯৬৩ সালের পর থেকে মীনা কুমারীর দিনগুলো ছিল বড়ই দুঃখের।
তিনি একটু সুখ খুঁজে পেতে চেয়েছিলেন – কিন্তু তা পাননি।
দু’ চোখের জল মুছে তিনি লিখেছিলেন ঃ
দর্দ তো হোতা রহতা হ্যায়
দর্দকে দিনহি পেয়ারে হ্যায়
জেইসে তেজ ছুরিকে হমনে
রহ রহ কর ধার কিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 lalsabujerdesh.com
Theme Customized By BreakingNews