1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করেছিলেন বঙ্গবন্ধু: ড.কলিমউল্লাহ বাংলাদেশ বিপুল পর্যটন সম্ভাবনাময় একটি দেশ – প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় ৭ কোটি টাকার ইয়াবার বিশাল চালানসহ ইয়াবা সম্রাট আলমগীর আটক চন্দনাইশ থেকে প্রায় ৫৩ লক্ষ টাকার ইয়াবা উদ্ধার, ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক রংপুরে জাতীয় দলের স্বপ্নাকে বরণ করতে জেলা প্রশাসকের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে অসাধু চক্রের দৌড়াত্ম, অনিয়ম অব্যবস্থাপনা ও জনদূর্ভোগের প্রতিবাদ জানিয়ে চিকিৎসকদের মানববন্ধন সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে তালা প্রতীক পেলেন ইমাম উদ্দিন চৌধুরী দুর্গাপুরে সাবেক এমপি জালাল তালুকদারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠিত নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে “প্রিয় রাঙামাটি” সামাজিক সংগঠনের সাথে  সৌজন্য সাক্ষাৎ অভয়নগরে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

ইবনে সিনায় ডেপুটি ম্যানেজার পদে পদন্নোতি পেলেন জামাল উদ্দিন চৌধুরী

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৬ মার্চ, ২০২১
  • ৬৫ বার

মোঃ ইমাম উদ্দিন সুমন, নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার কৃতিসন্তান, চৌধুরী সরকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ঠ সমাজ সেবক ও শিক্ষানুরাগী দানবীর আলহাজ মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন চৌধুরী দেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসা সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠান ‘ইবনে সিনা’য় ডেপুটি ম্যানেজার পদে পদন্নোতি পেয়েছেন।

দির্ঘ বছর ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা যোগ্যতা ও বিভিন্ন দায়ীত্ব সফল ভাবে পালন করার পর ইবনে সিনা কর্তৃপক্ষ এই পদন্নোতি প্রদান করেন।
আলহাজ মোঃ জামাল চৌধুরী ১৯৭৪ সালের পহেলা ফেব্রæয়ারী সুবর্ণচর উপজেলার ৫নং চরজুবিলী ইউনিয়নে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। তার পিতা মৃত চৌধুরী সরকার ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ মানুষ, তিনি জীবদ্দশায় সমাজ সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।

আলহাজ মোঃ জামাল উদ্দিন চৌধুরী ১৯৭৯ সালে সুবর্ণচর উপজেলার চরজুবিলী রব্বানিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় শিক্ষা জীবন শুরু করেন, প্রাথমিক শিক্ষা শেষে ১৯৯০ সালে নোয়াখালী জেলার ঐতিহ্যবাহী শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ কারামতিয়া আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কৃতিত্বের সাথে এসএসসি ও ১৯৯২ সালে একই প্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন।

২০০০ সালে তিনি দেশের শীর্ষ স্থানীয় চিকিৎসা সেবাদানকারি প্রতিষ্ঠান ‘ইবনে সিনা’য় এক্সিকিউটিভ পদে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। ২০০৫ সালে এ্যাসিসট্যান্ট ম্যানেজার এবং ২০১৫ সালে সিনিয়র এসিসট্যান্ট ম্যানেজার হিসেবে পদন্নোতি লাভ করেন ২০২১ সালের পহেলা মার্চ তিনি ডেপুটি ম্যানেজার পদন্নোতি পেলেন। ছাত্র জীবনে যেমন মেধাবী ছাত্র ছিলেন, কর্মজীবনেও রেখে চলেছেন সফলতার সাক্ষর।

পারিবারিক জীবনে এক স্ত্রী ও তিন ছেলেকে নিয়ে সুখি জীবন পার করছেন তিনি। মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন চৌধুরীর বড় ছেলে শাকিব শাহরিয়ার বুয়েটে অধ্যায়নরত, মেজো ছেলে সাজিব শাহরিয়াদ ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল কলেজে ইন্টারে অধ্যায়নরত এবং ছোট ছেলে সামিদ শাহনেওয়াজ ঢাকা, মিরপুরের বশির উদ্দিন কলেজ থেকে এবারে এসএসসি পরিক্ষার্থী।

আলহাজ জামাল উদ্দিন চৌধুরী সুবর্ণচর উপজেলার মানুষের সেবা করার লক্ষে নিজ পিতার নামে প্রতিষ্ঠান করেন ‘চৌধুরী সরকার ফাউন্ডেশন’ এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে নিজ গ্রামে ৫৭ শতাংশ জায়গার ওপরে নির্মাণ করেন দৃষ্টিনন্দন ‘চৌধুরী সরকার জামে মসজিদ’ মোক্তব ও এতিম খানা(প্রস্তাবিত) এবং ২০ শতাংশ জমির উপর কবরস্থান নির্মান করেন। চৌধুরী সরকার ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে অসংখ্য অসহায়, হতদরিদ্র মানুষকে ঘর নির্মাণ করে দিয়েছেন সেই সাথে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য দিয়েছেন নগদ অর্থ ও চিকিৎসা সেবা। তিনি চৌধুরী সরকার ফাউন্ডেশন ছাড়াও আলোকিত বøাড ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা, চরজুবিলী ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি, সুবর্ণচর সমাজ উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্ঠাসহ বহু সামাজিক সংগঠনের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।

প্রচার বিমূখ এই মানুষটি বিগত ২০ বছরে সুবর্ণচরের চারশতের অধিক শিক্ষিত বেকার যুবককে চাকুরি ব্যবস্থা করেছেন এবং তিন শতাধিকেরও বেশী ছাত্রছাত্রীকে নিজ গ্রামে এবং ঢাকায় রেখে পড়াশুনার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন তিনি। ভবিষ্যত পরিকল্পার বিষয়ে জানতে চাইলে আলহাজ জামাল উদ্দিন চৌধুরী বলেন ‘চৌধুরী সরকার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি পুরো সুবর্ণচর উপজেলা মানুষের সেবা করা, অসহায়দের মুখে হাসি ফোটানো, সুবিধাবঞ্চিতদের কে লেখা পড়ার ব্যবস্থা, বেকারদের চাকুরীর ব্যবস্থা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই, যাহা ছাদকায় জরিয়া হিসেবে থাকবে।”

সুবর্ণচরে ডাক্তারি অধ্যায়নরত ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যেশে তিনি বলেন ‘ শুধু এমবিবিএস’ পাশ করে বসে না থেকে উচ্চতর ডিগ্রী নেয়া উচিত এবং শহর মুখি না হয়ে অনতত প্রতি সপ্তাহে অনতত ১ দিন সুবর্ণচরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত মানুষকে সেবা প্রদান করতে করা উচিত। তার পাশাপাশি প্রতিটি প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান যদি মানুষের কল্যাণে কিছু অর্থ দান এবং মানুষকে সেবা দানে এগিয়ে আসে তাহলে আলোকিত সুবর্ণচর গড়া সম্ভব।

সুবর্ণচরের অসুস্থ্য মানুষ ঢাকায় চিকিৎসা নিতে গেলে সবার আগে এগিয়ে আসেন তিনি, আর্থিক সহযোগিতা, রোগির খোঁজ খবর নেয়া, উন্নত চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থাসহ থাকা খাওয়ার ব্যাবস্থা করার জন্য তিনি থাকেন সবার আগে, ফেসবুক জুড়ে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান সুবর্ণচরের মানুষ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..