1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম পৌর অংশে ময়লার বাগাড়, শিশুদের স্থাস্থ্য ঝুঁকির আশংকা সর্বসাধারণের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা এর উদ্বোধন করলো পুনাক বাগেরহাটের রামপালে  ৬১টি জিআই পাইপ ও ১টি লোহার বিম ও ৮০টি জিআই পাইপ ও ১টি ওয়াটার বাল্বসহ মোট ৭ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ করেছে ৩ আনসার ব্যাটালিয়ন, রামপাল ক্যাম্প। বাঙালির মুক্তির জন্য বহু বিনিদ্র রজনী অতিবাহিত করেছেন বঙ্গবন্ধু : ড.কলিমউল্লাহ বাড়তি বৃষ্টিপাতে হতে পারে বন্যা, শঙ্কা আছে ঘূর্ণিঝড়ের ‘মুজিববর্ষে প্রায় ২ লাখ পরিবার সরকারি ঘর পেয়েছে’ – প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে কাল রংপুর সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ৭১ এর মানববন্ধন রংপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুরু নেত্রকোণা জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও অফিসার রাজীব-উল-আহসান

এগিয়ে যাওয়ার পথে বাংলাদেশ।

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৭ মার্চ, ২০২১
  • ১১৭ বার

সোনালী দিন বাঙালির

লিয়াকত হোসেন খোকন

উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের রূপ কিম্বা চেহারা। বর্তমান সরকারের আমলে তাদের চেষ্টা ও জনগণের সহযোগিতায় দেশে সংগঠিত হয়েছে বা হচ্ছে আমূল পরিবর্তন।
জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন থেকে শুরু করে ডিজিলাইজেশন কিম্বা উন্নয়নশীলের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে বা পৌঁছাচ্ছে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে।
বর্তমান সরকারের অক্লান্ত পরিশ্রমে – চেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।
যে সকল সফলতা চোখে পড়ে,
তাহলো –
দারিদ্র্যের হার হ্রাস – দারিদ্র্যের হ্রাসে সরকারের কার্যক্রম প্রশংসনীয়। দারিদ্র্যের হার কমে দাঁড়িয়েছে ২১.৮ শতাংশে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাফল্য –
বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের সাফল্য বিস্ময়কর – বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা ২৩,০০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়ে গেছে।
দেশের ৯৬ শতাংশ জনগণ এখন বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে।
শিক্ষার হার বৃদ্ধি পেয়েছে – প্রাথমিক পর্যায়ে ঝরে পড়ার হার মাত্র ১৬. ০ শতাংশ থাকায় শিক্ষার হারও বৃদ্ধি পেয়েছে।
শিক্ষার জন্য পাঠ্যবই বিতরণ তো সরকারের এক বিশাল সাফল্য।
বিনা মূল্যে বই পেয়ে স্কুলের ছেলেমেয়েরা কত ই না
আনন্দে আত্মহারা।
প্রতিবছর কম করে হলেও সরকার প্রায় ৩০০ কোটি পাঠ্যবই বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে।
রেমিট্যান্স বৃদ্ধি পাচ্ছে – প্রতি বছর দেশে রেমিট্যান্স আয় হচ্ছে –
কম করে হলেও প্রতি বছর ১৭০০ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আয় হচ্ছে বাংলাদেশে।
খাদ্য উৎপাদন বাড়ছে – গবেষণা কার্যক্রমের কারণে উৎপাদন বাড়ছে।
ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য চোখে পড়ার মতো।
প্রতি বছর ধান উৎপাদন হচ্ছে কম করে হলেও ৪ কোটি মেট্রিক টনের উপরে আর
ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে চতুর্থ স্থান অধিকার করে আছে।
ধানে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে।
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ –
বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দিন দিন বেড়েই চলছে। ইতোমধ্যে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
মাছের উৎপাদন –
কথায় আছে মাছে ভাতে বাঙালি, এ কথাও বৃথা যায়নি। মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। যে সকল মাছ অতীতে শুধু নদীতে পাওয়া যেত – গবেষণার সাফল্যে তা এখন পুকুরে – ডোবায় – দীঘিতেও চাষ করা যাচ্ছে। মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য চোখে পড়ার মতো।
আর ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম স্থানে রয়েছে। বিগত ১০ বছরে ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে শতকরা প্রায় ৭৮ শতাংশ ।
বৈদেশিক বিনিয়োগ ; লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ ; মাথাপিছু আয় – ইত্যাদি ক্ষেত্রেও সাফল্য আর সাফল্য।
লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণে দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ। বিগত কয়েক বছরে দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির হারও কিন্তু অবিশ্বাস্য – বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ১৯০৯ ডলার।
উন্নয়নে এগিয়ে চলছে –
মেট্রোরেল – এটি ঢাকার উত্তরা থেকে মতিঝিল
২০ কিলোমিটার দীর্ঘ – এ মেট্রোরেল পথে থাকবে ১৬ টি স্টেশন। কাজ দ্রত এগিয়ে চলছে।
২০২১ সালের মধ্যে এর অভাবনীয় বাস্তব সাফল্য দেখতে পাবে দেশের জনগণ বা নগরবাসী।
এই মেট্রোরেলে প্রতি ঘন্টায় যাত্রী পরিবহন করবে ৬০ হাজার লোক।
পদ্মা সেতু – বাঙালির স্বপ্নের পদ্মা সেতু বা পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ।
২০২১ সালের বিজয়ের মাসে এর বাস্তবায়ন দেখতে পাবে – সেই প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশের জনগণ।
কমিউনিটি ক্লিনিক ; অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়া ; কর্ণফুলী টানেল ; বিভিন্ন বড়ো বড়ো ব্রিজ নির্মাণ ; গৃহহীনদের জন্য নতুন নতুন গৃহ নির্মাণ – ইত্যাদি ক্ষেত্রেও সাফল্যের দিকে এগিয়ে চলছে।
কর্ণফুলী নদী চট্টগ্রামকে দুই বিভক্ত করেছে –
এক ভাগে রয়েছে নগর ও বন্দর এবং অপর ভাগে রয়েছে ভারী শিল্প এলাকা।
কর্ণফুলী নদীর উপর ৩ টি সেতু রয়েছে, যা বিরাজমান প্রচুর পরিমাণ যানবাহনের জন্য যথেষ্ট নয়। তাই নদীর মরফলজিক্যাল বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী কর্ণফুলী নদীর তলদেশে পলি জমা একটি বড় সমস্যা এবং
চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যকারিতার জন্য বড় হুমকি। এই পলি জমা সমস্যার মোকাবেলা করার জন্য কর্ণফুলী নদীর উপর আর কোন সেতু নির্মাণ না করে নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এটি বাস্তবায়ন হওয়ার পর চট্টগ্রাম বন্দর নগরকে কর্ণফুলী নদীর অপর অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করবে এবং
পরোক্ষভাবে ঢাকা – চট্টগ্রাম – কক্সবাজার মহাসড়কের মাধ্যমে সারা দেশের সাথে সংযুক্ত করবে। এই টানেলের দৈর্ঘ্য হবে ৩৪০০ মিটার।
কর্ণফুলী টানেল হবে বিস্ময়কর সড়ক পথ – এর কাজও দ্রুত এগিয়ে চলছে। এটি চার লাইনের হচ্ছে।
যুদ্ধাপরাধীর বিচার করেছে বর্তমান সরকার – যে যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করেছিল ১৯৭৫ সালের পরে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারাই।
স্বাধীনতা বিরোধী ও জঙ্গি পুনর্জাগরণ যাতে না ঘটে,
এদিকেও বর্তমান সরকার যথেষ্ট
খেয়াল রাখছেন।
কিন্তু বড়ো বড়ো বা ছোটো ছোটো বহু প্রকল্প যথা সময়ের মধ্যে না হওয়ার কারণে জনগণের মনে নানাধরণের সন্দেহ জাগে কখনও সখনও।
সন্দেহ যাতে না জাগে তাই পদ্মা সেতু ; মেট্রোরেল – এ বছর বাস্তবায়ন দেখতে চায় বাংলাদেশের জনগণ। বাস্তবায়ন কি আগেভাগে কার্যকরি করা যায় না?
আর তা সম্ভব হলে দেশের আপামর বাঙালি আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠবে বৈকি!
জনগণ আরও দেখতে চাচ্ছে – তিস্তা প্রকল্পটির দ্রুত বাস্তবায়ন ; বরিশাল – ভোলা সেতু নির্মাণ ; দোহাজারি – রামু – ঘুমঘুম রেলপথ ও সহ বহু প্রকল্পের বাস্তবায়ন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..