1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম পৌর অংশে ময়লার বাগাড়, শিশুদের স্থাস্থ্য ঝুঁকির আশংকা সর্বসাধারণের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা এর উদ্বোধন করলো পুনাক বাগেরহাটের রামপালে  ৬১টি জিআই পাইপ ও ১টি লোহার বিম ও ৮০টি জিআই পাইপ ও ১টি ওয়াটার বাল্বসহ মোট ৭ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ করেছে ৩ আনসার ব্যাটালিয়ন, রামপাল ক্যাম্প। বাঙালির মুক্তির জন্য বহু বিনিদ্র রজনী অতিবাহিত করেছেন বঙ্গবন্ধু : ড.কলিমউল্লাহ বাড়তি বৃষ্টিপাতে হতে পারে বন্যা, শঙ্কা আছে ঘূর্ণিঝড়ের ‘মুজিববর্ষে প্রায় ২ লাখ পরিবার সরকারি ঘর পেয়েছে’ – প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে কাল রংপুর সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ৭১ এর মানববন্ধন রংপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুরু নেত্রকোণা জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও অফিসার রাজীব-উল-আহসান

ভৈরবে জমি সংক্রান্ত জেরে ভাইয়ের মেয়েকে রক্তাক্ত জখম

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১
  • ৮৬ বার

 

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে গজারিয়া ইউনিয়নের মানিকদী বড় বাড়ির চায়না বেগম (২২) কে জমি সংক্রান্ত পূর্ব জের ধরে গাছ কাটা কে কেন্দ্র করে আপন বড় ভাইয়ের মেয়েকে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। চায়না বেগম বড় বাড়ির মাজু মিয়া কন্যা। মাজু মিয়ার ছোট ভাই ফরিদ মিয়া চায়নাকে দা দিয়ে কোপ দিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ মার্চ
শনিবার সকালে বাড়ি পিছনে ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা যায়। মাজু মিয়া ও ফরিদ মিয়া বড় বাড়ির মৃত ইলিয়াস মিয়ার সন্তান। চায়না বেগম বর্তমানে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এবিষয়ে মাজু মিয়া বাদী হয়ে ভৈরব থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।

স্বরেজমিনে হাসপাতালে চায়না বেগমের মা রেহেনা বেগমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার দেবর ফরিদ মিয়া আমাদের কে অসহায় পেয়ে দীর্ঘ বছর ধরে আমাদের উপর অন্যায়, অত্যাচার, ও নির্যাতন করে আসছে। গত শনিবার আমাদের সীমানায় থাকা গাছ কাটতে গেলে বাধা প্রধান করলে আমাদের উপর চড়াও হয় এবং তর্ক বিতর্কের এক পর্যায়ে আমার মেয়ে চায়না বেগম কে দা দিয়ে কোপ দিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এতে তার মাথায় ৬ টি দিতে হয়। আমি মাননীয় সরকার ও ভৈরব থানা প্রশাসনের নিকট এই অত্যাচার ও নির্যাতনের উপযুক্ত বিচার দাবী করছি।

অপর দিকে ঘটনাস্থলে ফরিদ মিয়া কে না পেয়ে তার স্ত্রী অযুফা বেগমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার ভাসর মাজু মিয়ার মেয়েরা অত্যন্ত উশৃংখল প্রকৃতির।তাদের ভাষা ও ব্যবহারে আমরা ভীত সন্ত্রস্থ। তাদের কে এলাকার আশে পাশের সকল মানুষ ভয় পায়। তাছাড়া তাদের পুলিশ বন্ধু রয়েছে। এজন্য এলাকার মানুষ তাদের কে আরো ভয় পায়। তারা নিজেদের স্বার্থের জন্য যে কোন জঘন্যতন কাজ করতে দ্বিধা বোধ করে না। আমরা তাদের উপর কোন অত্যাচার করিনি। বরং তাদের অত্যাচারী আক্রোশ মূলক কার্যকলাপে আমরা ভয়ে থাকি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাজু মিয়া ও ফরিদ মিয়ার একজন নিকট আত্মীয় এই প্রতিনিধি কে বলেন, মাজু মিয়ার মেয়ে গুলো উশৃংখল ও বেয়াদব। তারা কিছু না হতেই একসাথে ৬/৭ মিলে দা বটি নিয়ে বপর হয়ে যায়। আশ পাশের মানুষ তাদের কে ভয় করে চলে।

প্রত্যক্ষদর্শী মাজু মিয়া ও ফরিদ মিয়ার আপন চাচাত ভাই মেনায়েম বলেন, ঘটনার দিন উভয় পক্ষপর মাঝে তর্জ বিতর্ক ও হাতাহাতি হয়েছে। তবে মাথা ফাটানোর কোন ঘটনা ঘটেনি।

এবিষয়ে গজারিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গোলাবুর রহমান গোলাপ বলেন, উভয় পক্ষ পূর্ব দ্বন্দ্বের কারণে জিদের বশঃবর্তী হয়ে প্রায় সময় ঝগড়া হয়ে থাকে। গত শনিবারও একটা ঘটনা ঘটেছে। তবে মাথা ফাটানোর বিষয়টি আমার জানা নেই।

এবিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ভৈরব থানার এ এস আই কামরুল ইসলাম বলেন, উক্ত ঘটনায় ভৈরব থানায় একটি অভিযোগ করা হলে আমাকে তা তদন্ত করার দ্বায়িত্ব দেয়া হয়। প্রাথমিক তদন্তে মাজু মিয়ার পরিবারের লোকজনকে অসহায় ও নিরীহ মনে হচ্ছে। তাছাড়া বিষয়টি সামাজিক ভাবে মীমাংশা করার দ্বায়িত্ব নিয়েছে এলাকার গণ্যনাণ্য ব্যক্তিবর্গ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..