1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম পৌর অংশে ময়লার বাগাড়, শিশুদের স্থাস্থ্য ঝুঁকির আশংকা সর্বসাধারণের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানির সুব্যবস্থা এর উদ্বোধন করলো পুনাক বাগেরহাটের রামপালে  ৬১টি জিআই পাইপ ও ১টি লোহার বিম ও ৮০টি জিআই পাইপ ও ১টি ওয়াটার বাল্বসহ মোট ৭ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জব্দ করেছে ৩ আনসার ব্যাটালিয়ন, রামপাল ক্যাম্প। বাঙালির মুক্তির জন্য বহু বিনিদ্র রজনী অতিবাহিত করেছেন বঙ্গবন্ধু : ড.কলিমউল্লাহ বাড়তি বৃষ্টিপাতে হতে পারে বন্যা, শঙ্কা আছে ঘূর্ণিঝড়ের ‘মুজিববর্ষে প্রায় ২ লাখ পরিবার সরকারি ঘর পেয়েছে’ – প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গণহত্যার স্বীকৃতির দাবিতে কাল রংপুর সেক্টর কমান্ডারস ফোরাম মুক্তিযুদ্ধ ৭১ এর মানববন্ধন রংপুরে মাসব্যাপী শিল্প ও বাণিজ্য মেলা শুরু নেত্রকোণা জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও অফিসার রাজীব-উল-আহসান

বরিশালে ডায়রিয়ার প্রকোপ; খোলা আকাশের নীচে রোগীরা

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৫৭ বার

 

আব্দুল্লাহ আল হাসিব, বরিশাল:
বরিশালে করোনার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। জেলায় শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। ডায়রিয়ার প্রকোপ বাড়ায় জেলার হাসপাতালগুলোয় স্থান সংকুলান হচ্ছে না। রোগীরা বাধ্য হয়ে হাসপাতালের বারান্দায় এবং হাসপাতাল ভবনের সামনে খোলা আকাশের নীচে সামিয়ানা টানিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সরেজমিনে বরিশাল সদর হাসপাতালে গিয়ে রোগীদের চরম ভোগান্তির চিত্র দেখা গেছে। ডায়রিয়া ওয়ার্ডের ভিতরে, বারান্দা এবং ওয়ার্ডের সামনে সামিয়ানা টানিয়ে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে রোগীদের। অনেকে মাঠে শুয়েও চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বরিশাল সদর হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা জানান, গত কয়েক দিন ধরে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে রোগীর চাপ যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ছিল। এত রোগীর জায়গা দেওয়া ওয়ার্ডে সম্ভব হয়নি। ফলে ডায়রিয়া রোগীদের বারান্দাসহ ওয়ার্ডের সামনের খোলা জায়গাতেও রাখতে হয়েছে। ওয়ার্ডের সামনের খালি জায়গায় যাতে রোগীদের খোলা আকাশের নিচে প্রখর রোদের মধ্যে থাকতে না হয়, সেজন্য অস্থায়ী প্যান্ডেল করা হয়েছে। বৃষ্টিতে সমস্যা না হয় সেজন্য দেওয়া হয়েছে ত্রিপল।

ডায়রিয়া ওয়ার্ডে ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, রোগী ভর্তির সময় মাত্র একটি স্যালাইন সরকারিভাবে দেওয়া হয়। এরপর যত স্যালাইন প্রয়োজন তা বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে। পুরো ডায়রিয়া ওয়ার্ড অপরিচ্ছন্ন ও নোংরা। এখানে এসে নতুন করে ডায়রিয়াসহ অন্য রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে পর্যাপ্ত জায়গা এবং লোকবল স্বল্পতার কারণে রোগীদের প্রত্যাশা পূরণ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের আরপিও ডা. মলয় কৃষ্ণ বড়াল।

বরিশালের সিভিল সার্জন ডা. মনোয়ার হোসেন জানান, জেলার সর্বত্র ডায়রিয়ার রোগী বাড়ায় আইভি স্যালাইন সংকট দেখা দিয়েছে। তাই স্যালাইন সরবরাহ চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এই হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বেড সংখ্যা মাত্র চারটি। প্রতিদিন গড়ে ভর্তি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ জন রোগী। গত মার্চে এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৭৫১ জন ডায়রিয়া রোগী।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..