1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩০ কেজি তামার তারসহ আটক ২ শাকিব খানকে নিয়ে যা বললেন অপু বিশ্বাস চুনারুঘাট হাসপাতালের পুরাতন মালামাল নিলামে অনিয়মের অভিযোগ, অসদাচরণ করলেন সিভিল সার্জন দুর্গাপুরের রাস্তার এক পাগলির আশ্রয় মিলল সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে বরগুনায় শুরু হয়েছে মাস ব্যাপি শিশু আনন্দ মেলা চৌদ্দগ্রামে বাসের ধাক্কায় কলেজ ছাত্রীসহ নিহত ২ নালিতাবাড়ীর বিভিন্ন পূজা মন্ডপে আর্থিক অনুদান প্রদান নাঙ্গলকোটে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবকের পা বিচ্ছিন্ন ‘একটি স্বপ্ন-সোপান’এর আয়োজনে নালিতাবাড়ীতে রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

ইন্দো-বাংলা ফার্মার ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাতে নিষেধাজ্ঞা

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৭৪ বার

 

আব্দুল্লাহ আল হাসিব, বরিশাল:
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পরও গোপনে ঔষধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরনের অভিযোগ উঠেছে বরিশালের ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের বিরুদ্ধে।

চলতি বছরের গত ৪ মার্চ ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর থেকে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাত নিষিদ্ধ করে চিঠি প্রদান করেন। যা গ্রহণও করেছে ইন্দো-বাংলা ফার্মা কর্তৃপক্ষ। চিঠি পেয়েও তাদের উৎপাদিত ভেজাল এবং নকল ওষুধ বাজারজাত অব্যাহত রয়েছে বলে স্থানীয় ভাবে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সূত্রমতে, নিষিদ্ধ ও বাতিল করা ওষুধের বিক্রি ও মজুদ দেখিয়ে বছরের পর বছর ভুয়া বার্ষিক প্রবিদেন তৈরি করে তা বিনিয়োগকারী ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা তথা পুঁজিবাজারের কাছে প্রকাশ করে ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। নেট বিক্রি বাড়ানোর মাধ্যমে ইপিএস বৃদ্ধি দেখিয়ে বরাবরই পুঁজি বাজারের সাথে প্রতারণা করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা গেছে, ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর এবং লাইসেন্সিং অথরিটি (ড্রাগস) ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসের ১৩ টি ওষুধ উৎপাদন ও মজুদ, বিক্রয়ের জন্য বিতরণ ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ করে। ওষুধগুলো হলো-ইন্দোফেনাক ১০০ এসআর ক্যাপসুল, কোট্রিমক্স ডিএস ট্যাবলেট, টেনসারিল ট্যাবলেট, ইন্দোস্টিন-আর ১৫০ ট্যাবলেট, কোটিমক্স সাসপেনসন, মেট্রল সাসপেনসন, মেট্রল ট্যাবলেট, ইন্দোপ্লেক্স-বি ট্যাবলেট, প্যারাসিটামল ট্যাবলেট, রিবোফ্লাভিন ট্যাবলেট, ইন্দোফ্লক্স ক্যাপসুল, ইন্দোমক্সিন ক্যাপসুল এবং ইনডক্স ক্যাপসুল।

ইতিপূর্বে র‌্যাব-৮’র সদস্যরা ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালসে অভিযান পরিচালনা করে অভিযোগের সত্যতা পান। সেখান থেকে জব্দ করেন অনুমোদনহীন ও নিষিদ্ধ ওষুধের প্যাকিং মেটারিয়াস। সবশেষ গত বছরের শেষের দিকে ওষুধ প্রশাসনের ঢাকার তদন্ত টিম এসেও অভিযোগের প্রমাণ পান।

অতি সম্প্রতি ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের বরিশাল তত্ত্বাবধায়ক কার্যালয়ের একটি টিম নগরীর কলেজ রোড এলাকায় কারখানায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে ওষুধ বাজারজাতের বিষয়টি প্রত্যক্ষ করেন এবং তাদের সতর্ক করে দিয়েছেন। তারপরও প্রতিষ্ঠানটিতে উৎপাদিত ওষুধ বাজারজাত অব্যাহত রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেন।

ওষুধ বাজারজাত নিষিদ্ধ করার বিষয়টি ওষুধ প্রশাসনের বরিশাল তত্ত্বাবধায়ক কার্যালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্দো-বাংলা ফার্মার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর আইনের আওতায় আনা উচিত। ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিটিক্যাল কোম্পানির মত যেসব কোম্পানি দূর্নীতি, অনিয়ম ও জালিয়াতি করে সাধারণ মানুষকে ঠকিয়ে আসছে তাদের বিরুদ্ধে অতি দ্রুত কঠিন ব্যবস্থা নিতে হবে ও বড় শাস্তির আওতায় আনতে হবে। যাতে করে তাদের শাস্তি দেখে অন্য কোম্পানিগুলোও ভয় পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..