1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩০ কেজি তামার তারসহ আটক ২ শাকিব খানকে নিয়ে যা বললেন অপু বিশ্বাস চুনারুঘাট হাসপাতালের পুরাতন মালামাল নিলামে অনিয়মের অভিযোগ, অসদাচরণ করলেন সিভিল সার্জন দুর্গাপুরের রাস্তার এক পাগলির আশ্রয় মিলল সরকারি আশ্রয় কেন্দ্রে বরগুনায় শুরু হয়েছে মাস ব্যাপি শিশু আনন্দ মেলা চৌদ্দগ্রামে বাসের ধাক্কায় কলেজ ছাত্রীসহ নিহত ২ নালিতাবাড়ীর বিভিন্ন পূজা মন্ডপে আর্থিক অনুদান প্রদান নাঙ্গলকোটে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় দুর্বৃত্তদের হামলায় যুবকের পা বিচ্ছিন্ন ‘একটি স্বপ্ন-সোপান’এর আয়োজনে নালিতাবাড়ীতে রচনা প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত

পদ্মায় কোথা থেকে আসে এত স্পিডবোট?

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৫ মে, ২০২১
  • ১০২ বার

 

মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ও মাদারীপুরের বাংলাবাজার ও মাঝিকান্দি নৌরুটে পদ্মা নদীতে যাত্রী পারাপারে চলে প্রায় চার শতাধিক স্পিডবোট। এসব স্পিডবোটের কোনও নিবন্ধন নেই। চালকের নেই কোনও লাইসেন্স। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিটিএ) স্পিডবোট ঘাটের ইজারা প্রদান করলেও এখনও এসব স্পিডবোটের নিবন্ধন করেনি। এভাবে নিবন্ধিত না হয়েই বছরের পর বছর ধরে বিশাল পদ্মার বুক চিরে চলছে স্পিডবোট। কোথা থেকে আসে এসব স্পিডবোট?
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলায় এসব স্পিডবোট তৈরি করা হয়। ইঞ্জিন ও কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করে দেশে কারিগররা স্পিডবোটের কাঠামো তৈরি করে। মূলত সরকারি বিভিন্ন বাহিনী ছাড়াও বেসরকারি পর্যায়ের বিভিন্ন লোক এসব স্পিডবোটের গ্রাহক। যার সামর্থ্য ও ইচ্ছা আছে সেই স্পিডবোট কিনে নৌরুটে যাত্রী পারাপার করছে। এজন্য শুধু ইজারাদারের সঙ্গে সমঝোতা করলেই যথেষ্ট। নিবন্ধনের কোনও বালাই নেই।
মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের কুমারভোগে অবস্থিত মেসার্স মুন ইন্টারন্যাশনাল তেমনি একটি স্পিডবোট তৈরির কারখানা। সরেজমিন দেখা যায় ৬/৭ জন কারিগর স্পিডবোট তৈরির কাজে ব্যস্ত। কথা হয় কারখানার মালিক মহসিন আহমেদের সঙ্গে।
তিনি বলেন, আমরা ছাড়াও কুমারভোগ এলাকার খলিল ব্যাপারীর কারখানা, আবু বোর্ড বিল্ডার্স, সোনাকান্দা ডকসহ অনেক জায়গাতেই স্পিডবোট তৈরি করা হয়। স্পিডবোটের ইঞ্জিন মূলত জাপান থেকে আমদানি হয়। বাংলাদেশে কোনও ইঞ্জিন তৈরি হয় না। এমনকি স্পিডবোটের বোর্ড তৈরির কাঁচামাল জিন ফাইবারও মালয়েশিয়া, কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, চীন থেকে আমদানি হয়। আমাদের কারিগররা স্পিডবোটের কাঠামো তৈরি ও রঙ করে। একেক কারিগর একেক অংশ তৈরি করার পর সব অংশ জোড়া লাগিয়ে একটি সম্পূর্ণ স্পিডবোট বানানো হয়। গড়ে ১৫ জন কারিগরের প্রায় দুই সপ্তাহ লাগে একটি বোট বানাতে।
গ্রাহক ও স্পিডবোটের দাম সম্পর্কে তিনি বলেন, পদ্মা নদীতে যেসব স্পিডবোট চলাচল করে সেগুলো আমাদের মতো কারখানা থেকেই ক্রয় করে। কখনও নিজেদের মধ্যে স্পিডবোট মালিকেরা বেচাকেনা করে। ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত এসব স্পিডবোট বেচাকেনা হয়।
তিনি আরও জানান, করোনা মহামারির কারণে এখন ব্যবসা খুব খারাপ যাচ্ছে। গত ৮/৯ মাসে একটিও স্পিডবোট বিক্রি করতে পারিনি। শুধু কিছু পুরাতন স্পিডবোট মেরামত করে প্রতিষ্ঠানের খরচ চালিয়ে নিচ্ছি।
এদিকে, শিমুলিয়া বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী পরিচালক শাহাদাত হোসেন দাবি করেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন অধিদফতর বেশ কয়েক বছর আগে প্রায় ২৫ ভাগ স্পিডবোটের নিবন্ধন করেছিল। তবে, আমাদের কাছে সেসবের কোনও নথি নেই।
প্রসঙ্গত, সোমবার সকালে মাদারীপুরের শিবচরে পুরাতন কাঁঠালবাড়ি ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে স্পিডবোটের সঙ্গে বালুভর্তি বাল্কহেডের সংঘর্ষে ২৬ জন নিহত হয়।

ওই ঘটনায় সোমবার দিবাগত রাতের চরজানাজাত নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক লোকমান হোসেন বাদী হয়ে চার জনকে অভিযুক্ত করে মামলা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..