1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করেছিলেন বঙ্গবন্ধু: ড.কলিমউল্লাহ বাংলাদেশ বিপুল পর্যটন সম্ভাবনাময় একটি দেশ – প্রধানমন্ত্রী উখিয়ায় ৭ কোটি টাকার ইয়াবার বিশাল চালানসহ ইয়াবা সম্রাট আলমগীর আটক চন্দনাইশ থেকে প্রায় ৫৩ লক্ষ টাকার ইয়াবা উদ্ধার, ২ মাদক ব্যবসায়ী আটক রংপুরে জাতীয় দলের স্বপ্নাকে বরণ করতে জেলা প্রশাসকের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত রংপুরে অসাধু চক্রের দৌড়াত্ম, অনিয়ম অব্যবস্থাপনা ও জনদূর্ভোগের প্রতিবাদ জানিয়ে চিকিৎসকদের মানববন্ধন সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনে তালা প্রতীক পেলেন ইমাম উদ্দিন চৌধুরী দুর্গাপুরে সাবেক এমপি জালাল তালুকদারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠিত নবাগত পুলিশ সুপারের সাথে “প্রিয় রাঙামাটি” সামাজিক সংগঠনের সাথে  সৌজন্য সাক্ষাৎ অভয়নগরে সড়ক দূর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

৯ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পাচ্ছেন সেই আ.লীগ নেতা

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১২ মে, ২০২১
  • ১১৯ বার

 

সালথা-ফরিদপুরঃ

ফরিদপুর সালথার আলোচিত মলয় বোস হত্যা মামলায় নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে ৯ বছর কারা ভোগের পর ফাঁসির দন্ড প্রাপ্ত আসামি ইনামুল হোসেন (তারা মিয়া) অবশেষে মুক্তি পাচ্ছেন। ইমামুল হোসেন উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও অবিভক্ত নগরকান্দা-সালথা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। সে উপজেলার সিংহপ্রতাপ গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।

জানা যায়, তারা মিয়াকে উপজেলার আটঘর ইউপির আলোচিত সাবেক চেয়ারম্যান মলয় বোস হত্যা মামলায় আসামী করা হয়। এ মামলায় তার ফাঁসির আদেশ হয়। দীর্ঘ ৯ বছর কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পেতে যাচ্ছেন।

ইমামুল হোসেন (তারা মিয়া) এর ভাই মোহন মিয়া মুক্তি এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান আমার ভাই (তারা মিয়ার) কাগজপত্র জেলখানায় এসে পৌঁছেছে। দু-এক দিনের ভিতর তিনি মুক্তি পেতে পারেন। তবে তার মুক্তি পেতে এখন আর কোন বাঁধা নেই।

এ বিষয়ে সালথা উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শওকত হোসেন মুকুল জানান, তারা মিয়া একটি মিথ্যা ষড়যন্ত্রমুলক মামলায় দীর্ঘদিন কারাভোগের পরে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে মুক্তি পাচ্ছেন বলে শুনেছি। তিনি বলেন, খালাসের কাগজপত্র কোর্ট থেকে সোমবার (১০ মে)জেলখানায় পৌঁছেছে বলে জানতে পেরেছি। সোমবার অথবা আগামীকাল মঙ্গলবার তিনি মুক্তি পেতে পারেন।

এ বিষয়ে মলয় বোস এর স্ত্রী ও মামলার বাদী ববিতা বোসে বক্তব্য জানতে একাধিকবার মোবাইলে যোগাযোগ করে মোবাইল বন্ধ থাকায় বক্তব্য জানা যায়নি।

প্রসঙ্গত, ফরিদপুরের সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের সাবেক আলোচিত চেয়ারম্যান মলয় বোসকে (৪৫) ২০১২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী প্রকাশ্যে দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। মলয় বোস আটঘর ইউনিয়নের সাড়ুকদিয়া গ্রামের মৃত মনিন্দ্রনাথ বোসের ছেলে। এ হত্যা মামলায় সাবেক গট্টি ইউপি চেয়ারম্যান ইমামুল হোসেন (তারা মিয়া)কে আসামী করা হয়।

জানা যায়, ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি জরুরী কাজ শেষ করে মলয় বোস মোটরসাইকেল নিয়ে ২০১২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী দুপুর ১২টার দিকে আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের উদ্দেশে রওনা হন।
পথিমধ্যে, সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের রণকাইল এলাকায় পৌঁছালে ৫ থেকে ৬ জনের একদল দুর্বৃত্ত রাস্তার উপর নছিমন রেখে তার গতিরোধ করে।

মোটরসাইকেল থামানোর সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ধাঁরালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি মাথায় আঘাত করে। এ সময় ঘটনাস্থলেই চেয়ারম্যান মারা যান। মোটরসাইকেলে থাকা অপর আরোহী সোহাগকেও কুপিয়ে মারত্মকভাবে জখম করা হয়।

এ সময় সোহাগের চিৎকারে আশপাঁশের লোকজন এগিয়ে আসলে নছিমন নিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। হত্যার দুই দিন পর ৯ ফেব্রুয়ারি মলয় বোস এর স্ত্রী ববিতা বোস বাদী হয়ে ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও পাঁচ থেকে ছয়জনকে আসামি করে ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-৪-এ স্থানান্তর করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..