1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
আউয়ালের রাজত্বের ভয়ন্কর কাহিনী ফাঁস। - লাল সবুজের দেশ
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মোঃ আলী হোসেন শিশির (সি,আই,পি) কে সম্বর্ধনা সাংবাদিক হত্যাচেষ্টাকারীদের দ্রুত বিচারের মূখোমূখি করুন : বিএমএসএফ শ্রীপুরে মিজানুর রহমান খান মহিলা ডিগ্রী কলেজ’র পরবর্তি সভাপতি নিগার সুলতানা ঝুমা। নীলফামারী ডোমারে আনসার ও গ্রামপ্রতিরক্ষা বাহিনীর বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত । কেশবপুরে করোনা ভাইরাস সংক্রামন রোধে বুধবার থেকে সপ্তাহব্যাপী কঠোর লকডাউন সোনাগাজী উপজেলার সকল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের (আংশিক) কমিটি ঘোষণা বরিশাল-ঢাকা নৌ-রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ নতির কোলে চড়ে ভোট দিলেন বৃদ্ধা আলেমা রংপুর র‌্যাব-১৩, কর্তৃক মোবাইল চোর চক্রের সংঘবদ্ধ ৩ জন গ্রেফতার। মানিকগঞ্জে জননী সাহসিকা কবি সুফিয়া কামালের ১১০তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে International webinar অনুষ্ঠিত

আউয়ালের রাজত্বের ভয়ন্কর কাহিনী ফাঁস।

  • আপডেট টাইম: শনিবার, ২২ মে, ২০২১
  • ১৪২ বার পঠিত

লাল সবুজের  দেশ  রিপোর্ট ঃ

লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের সাবেক এমপি এমএ আউয়াল। বাড়ি লক্ষ্মীপুর হলেও থাকত ঢাকায়। মিরপুরের পল্লবী এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল সাবেক এই এমপি। অন্যের জমি দখল, হামলা, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করাই ছিল তার নেশা। একসময় কিছুই না থাকলে এক যুগে পাল্টে গেছে লাইফস্টাইল। মাঝে সংসদ সদস্য হওয়ার পর মাস্তানিটা আরও বেড়ে যায়। বাড়তে থাকে তার দখল ও হামলার দৌরাত্ম্যও। মিরপুরের সিরামিকস এলাকার পূর্ব পাশের সরকারি, খাস ও অন্যের জমি জোরপূর্বক দখলে নিয়ে হাউজিং প্রজেক্ট গড়েছে সে। প্রথমে সে ভুক্তভোগীদের জমি কেনার প্রস্তাব দিত। সেই প্রস্তাবে সাড়া না দিলেই বাসায় গিয়ে চালাত প্রকাশ্যে হামলা, এরপর মিথ্যা মামলা। এসব দিয়েও দমানো না গেলে শেষমেশ ওই ব্যক্তিকে হত্যা করা হতো। আবার কাউকে গুম করেও দিত। পরে লাশ মিলত বিভিন্ন জায়গায়। আর এসব অপকর্ম চালানোর জন্য তার ছিল ৮ ক্যাডার বাহিনী। এই ক্যাডার বাহিনী পল্লবীর বিভিন্ন এলাকা দাপিয়ে বেড়াত। ভয়ে কেউ কোনো কথা বলত না। আউয়ালের পরিকল্পনা ও মদদে প্রতিপক্ষকে প্রকাশ্যে হামলা চালাত তার বাহিনীর সদস্যরা। এসব বিষয় ভুক্তভোগী পবিরারগুলো বিভিন্ন সময়ে পল্লবী থানা পুলিশকে জানালেও কোনো লাভ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ কোনো ধরনের পদক্ষেপ না নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করেছে। ফলে তাদের বারবার হামলা ও মামলার শিকার হতে হয়েছে সাবেক এই এমপির হাতে।
আউয়ালের ৮ ক্যাডার বাহিনী : পল্লবীর বিভিন্ন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ও থানা পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সাবেক এমপি আউয়াল ওই এলাকায় দখল, হামলা ও মামলায় ছিল সেরা। প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি দেখানো ও প্রকাশ্যে হামলার জন্য ছিল তার ৮ ক্যাডার বাহিনী। এসব বাহিনীর প্রধানদের নেতৃত্বে থাকত ২০ থেকে শুরু করে কয়েক শতাধিক যুবক। যাদের অধিকাংশ ওই এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আউয়ালের এই ৮ বাহিনী হলোÑ সিরামিকস এলাকার সুমন বাহিনী, জমির প্রজেক্ট দেখভালের জন্য ডেবরা সুমন বাহিনী, পল্লবী এলাকার ত্রাস স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি আমানুল্লাহ আমান বাহিনী, বিন্দাবন এলাকার রনি বাহিনী, ইব্রাহীম ও বকর বাহিনী, ডিশ সুমন বাহিনী, হাবিব গ্রুপ বাহিনী ও শাহিন গ্রুপ

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2020 lalsabujerdesh.com ।
Theme Customized By BreakingNews