1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ১২:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাদাইমা’ খ্যাত কৌতুক অভিনেতা আহসান আলী (৫০) মারা গেছেন সুনামগঞ্জে যুবলীগের উদ্যোগে শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরন চুয়াডাঙ্গা টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন সভাপতি পদে হেরে শিক্ষকসহ দুই জনকে মারধর দুর্গাপুরে নেতাই নদীতে নিখোঁজ যুবকের ২৪ ঘন্টা পর লাশ উদ্ধার টেকনাফের নয়াপাড়া সদর ২,০০০ পিস ইয়াবাসহ তিনজন গ্রেফতার। শিক্ষকের মারের চোটে হাসপাতালে শিক্ষার্থী রংপুর মেডিকেলে প্রথম বারের মত এন্ডোস্কপিক ব্রেইন টিউমার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন নাঙ্গলকোটে শাহ্ আলী সুপার বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পুকুরে, প্রাণ গেল মাছ ব্যবসায়ীর

শহীদ বুদ্ধিজীবী রামকৃষ্ণ অধিকারী

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২২ মে, ২০২১
  • ৭১ বার

 

রামকৃষ্ণ অধিকারী ছিলেন রংপুর কারমাইকেল কলেজের বাংলার অধ্যাপক। তবে তিনি শুধু অধ্যাপনাই করতেন না, লেখক ও গবেষক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতেও সচেষ্ট ছিলেন। কিন্তু সেই সময় পেলেন না। হানাদার পাকিস্তানি সেনারা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

শহীদ রামকৃষ্ণ অধিকারীর জন্ম ১৯৪৪ সালের ১০ জানুয়ারি বরিশালের বাবুগঞ্জ থানার সুগন্ধা নদীর পাশে বাবুগঞ্জ বন্দর এলাকায়। বাবা রাইচরণ অধিকারী ছিলেন বর্গাচাষি। মা সরলা দেবী। তাঁরা দুই ভাই। রামকৃষ্ণের জন্মের ৯ মাসের মধ্যে তাঁর মা মারা যান। এরপর বউদি বকুল বালা দেবী তাঁকে লালন-পালন করেন।

বাবুগঞ্জ উচ্চবিদ্যালয় থেকে ১৯৬১ সালে মাধ্যমিক ও বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে ১৯৬৩ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করে রামকৃষ্ণ অধিকারী ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে। সেখান থেকে ১৯৬৭ সালে সম্মানসহ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৮ সালে কারমাইকেল কলেজে বাংলা বিভাগে শিক্ষকতায় যোগ দেন।

সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি তাঁর ছিল বিশেষ অনুরাগ। ছিলেন রাজনীতিসচেতন। সাংগঠনিক ও নেতৃত্বের গুণাবলি ছিল তাঁর মধ্যে। মুক্তিযুদ্ধের প্রতি জনমত গড়ে তুলতে কাজ করছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তাঁর বাবুগঞ্জের বাড়িতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা লুটতরাজ করে আগুন লাগিয়ে দেয়। বাংলা একাডেমির শহীদ বুদ্ধিজীবী কোষগ্রন্থ ও আগামী প্রকাশনীর শহীদ বুদ্ধিজীবী কোষগ্রন্থে অধ্যাপক রামকৃষ্ণ অধিকারীর জীবনী রয়েছে।

একাত্তরের মার্চেই বেশির ভাগ অধ্যাপক ও কর্মচারী ক্যাম্পাস ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়

একাত্তরের ৩০ এপ্রিল। রামকৃষ্ণ অধিকারী ছিলেন অবিবাহিত। তিনি থাকতেন ক্যাম্পাসের জি এল (গোপাল লাল) ছাত্রাবাসের উত্তর-দক্ষিণে অবস্থিত টিনশেডের একটি কক্ষে। ওই দিন রাতে হানাদার বাহিনী বেশ কয়েকজন অধ্যাপককে ধরে নিয়ে যায়। রামকৃষ্ণ অধিকারী ছিলেন তাঁদের একজন। ঘাতকেরা কলেজ থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে দমদমা সেতুর কাছে নিয়ে ওই রাতেই তাঁদের গুলি করে হত্যা করে। দমদমার আশপাশের মানুষ এ হত্যাকাণ্ড দেখেছে। পরে সেখানেই রামকৃষ্ণ অধিকারীর মরদেহ পাওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..