1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর রাসুল (সঃ) এর প্রতি দরূদ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন - লাল সবুজের দেশ
বুধবার, ২৩ জুন ২০২১, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মোঃ আলী হোসেন শিশির (সি,আই,পি) কে সম্বর্ধনা সাংবাদিক হত্যাচেষ্টাকারীদের দ্রুত বিচারের মূখোমূখি করুন : বিএমএসএফ শ্রীপুরে মিজানুর রহমান খান মহিলা ডিগ্রী কলেজ’র পরবর্তি সভাপতি নিগার সুলতানা ঝুমা। নীলফামারী ডোমারে আনসার ও গ্রামপ্রতিরক্ষা বাহিনীর বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত । কেশবপুরে করোনা ভাইরাস সংক্রামন রোধে বুধবার থেকে সপ্তাহব্যাপী কঠোর লকডাউন সোনাগাজী উপজেলার সকল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের (আংশিক) কমিটি ঘোষণা বরিশাল-ঢাকা নৌ-রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ নতির কোলে চড়ে ভোট দিলেন বৃদ্ধা আলেমা রংপুর র‌্যাব-১৩, কর্তৃক মোবাইল চোর চক্রের সংঘবদ্ধ ৩ জন গ্রেফতার। মানিকগঞ্জে জননী সাহসিকা কবি সুফিয়া কামালের ১১০তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে International webinar অনুষ্ঠিত

কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর রাসুল (সঃ) এর প্রতি দরূদ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন

  • আপডেট টাইম: শনিবার, ৫ জুন, ২০২১
  • ৬৫ বার পঠিত

ধর্ম ডেস্ক

যে সময় দরূদ পড়লেই মিলবে মুহাম্মাদ (সা.)-এর সুপারিশ।
দরূদ পড়া আল্লাহর নির্দেশ। কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে তাঁর রাসুল (সঃ) এর প্রতি দরূদ পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। দরূদ পড়ার নির্দেশ দিয়ে মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেন-
আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর  (সাঃ) এর প্রতি সালাত (রহমত) ও সালাম  প্রেরণ করেন।

হে মুমিনগণ! তোমরাও নবী (সঃ) এর জন্য সালাত তথা  দরুদ প্রেরন  কর এবং তাঁর প্রতি বেশি বেশি সালাম পাঠাও।’

(সুরা আহজাব : আয়াত ৫৬)

জুমআর দিন মুমিন মুসলমানের জন্য সেরা পাথেয় হচ্ছে বেশি বেশি দরূদ পড়া। এমনিতেই দরূদ পাঠকারীর জন্য রয়েছে সুপারিশের ঘোষণা। একবার দরুুদ পড়লে ১০টি গুুনাহ মাাপ হয়। হাদিসের একাধিক বর্ণনায় তা প্রমাণিত।

১. হজরত উম্মু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যা ১০ বার আমার ওপর সালাত (দরূদ) পাঠ করবে; সে কেয়ামতের দিন আমার শাফায়াত বা সুপারিশ পাবে।’ (মাজমাউয যাওয়াইদ)

২. হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‘যে ব্যক্তি প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর জুমআর দিন ১০০ বার দরুদ পাঠ করে, সে কেয়ামতের দিন এমন অবস্থায় উঠবে যে, তার চেহারায় নূরের জ্যোতি দেখে লোকেরা বলাবলি করতে থাকবে- এই ব্যক্তি কী আমল করেছিল!’ (কানজুল উম্মাল)
৩. রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি জুমআর দিন আসরের নামাজের পর নিজ স্থান থেকে ওঠার আগে ৮০ বার এই দরুদ শরিফ পাঠ করে-
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আ’লা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আ’লা আলিহি ওয়া সাল্লিমু তাসলিমা।’
তার ৮০ বছরের গোনাহ মাফ হবে এবং ৮০ বছর ইবাদতের সাওয়াব তার আমলনামায় লেখা হবে। সুবহানাল্লাহ! (আফজালুস সালাওয়াত)
জুমআর দিনের দরূদের আমল মুমিন মুসলমানের সেরা পাথেয়। আর তা পেতে হলে এ দিন সুর্যাস্তের আগে বেশি বেশি দরূদ পড়ার বিকল্প নেই। তাছাড়া বিশুদ্ধ হাদিসের আলোকেই জুমআর দিনের দরূদের এ আমল প্রমাণিত।
সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, জুমআর দিন শেষ বেলা প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি বেশি বেশি দরূদ পড়া। হাদিসের ঘোষিত ফজিলত ও বৈশিষ্ট্যগুলো পাওয়ার চেষ্টা করা।
আল্লাহ তাআলা উম্মাতে মুহাম্মাদিকে জুমআর দিনসহ সপ্তাহের প্রতিটি দিনই বেশি বেশি দরূদ পড়ার মাধ্যমে কুরআনের নির্দেশ বাস্তবায়ন করার তাওফিক দান করুন। দরূদের পাথেয় রহমত ও সুপারিশ পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..

© All rights reserved © 2020 lalsabujerdesh.com ।
Theme Customized By BreakingNews