1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
ভৈরবে প্রতিপক্ষের হুমকি, ভাংচুর ও হত্যার ভয়ে বন্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ॥ শতাধিক শ্রমিক কর্মহীন - লাল সবুজের দেশ
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুমিল্লায় ডিবি পুলিশ কতৃক ইয়াবাসহ আটক ১ গার্মেন্টস খোলায় সংক্রমণ আরও বাড়বে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগে নারী গ্রেফতার হারাগাছ পৌরসভার নতুন করে কর আরোপ ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা ত্রিশালে মটরযান শ্রমিকদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ: শিবপুরে মৃত্যুর ২ মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন সিলেট বিভাগে আরও ৯ জন আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু ও শনাক্তে নতুন রেকর্ড শোকাবহ আগস্ট উপলক্ষ্যে জানিপপ-এর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত প্রবাসে ভৈরব মনফালকনে ইতালি সংগঠনের উদ্যোগে ৬০ বস্তা চাউল বিতরণ নবীগঞ্জে সরকারি স্বাস্থ্য বিধি না মানায় ১৭টি মামলা ১৫ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা

ভৈরবে প্রতিপক্ষের হুমকি, ভাংচুর ও হত্যার ভয়ে বন্ধ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ॥ শতাধিক শ্রমিক কর্মহীন

  • আপডেট টাইম: বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১
  • ৪০১ বার পঠিত

 

ভৈরব প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে প্রতিপক্ষের দাবিকৃত মোটা অংকের চাঁদা পরিশোধ না করায় দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে বন্ধ রয়েছে গ্লোবাল ডেভলপমেন্ট সার্ভিস নামক একটি পাথর ক্রাশিং মিল। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভৈরব পৌর এলাকার জগন্নাথপুর ব্রহ্মপুত্র ব্রীজ এলাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন কয়েক দফায় তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভোক্তভোগী ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেন মামুন। এছাড়াও ওই পাথর ক্রাশিং মিলে কর্মরত কর্মচারী ও শ্রমিকরাও একই অভিযোগ করেন।
প্রতিপক্ষের হামলা, ভাংচুর ও হত্যার হুমকির আতংকে বন্ধ থাকায় শতাধিক শ্রমিক ও কর্মচারী কয়েক মাস ধরে কর্মহীন হয়ে পড়ে। এতে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে হচ্ছে তাদের।
প্রতিষ্ঠানটির মালিক সাজ্জাদ হোসেন মামুন তিনি নিজেও প্রতিপক্ষের হামলার ভয়ে তাঁর প্রতিষ্ঠাটি চালু করতে না পাড়ায় শ্রমিকের বেতন দিতে পারছেন না। কোটি টাকা ঋণ থাকায় ব্যাংকের সুদ পরিশোধ ও শ্রমিকের বেতন সব মিলে অসহায় দিন যাপন করতে হচ্ছে তাকেও। মালিক পক্ষ কয়েকবার চেষ্টা করেও মিলটি চালু করতে পারছেনা।
এ বিষয়ে ভৈরব উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৪) ভৈরব ক্যাম্প বরাবার ভোক্তভুগী ব্যবসায়ী সাজ্জদ হোসেন মামুন লিখিত অভিযোগ দেন। স্থানীয়ভাবে বিষয়টি সূরাহার চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় গত ২৮জুন, ২০২১ খ্রি. ভোক্তভোগী ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেন মামুন বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং-০২, কিশোরগঞ্জে পিটিশন মোকাদ্দমা করেন।
মামলার অভিযোগে জানাযায়, উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে চলতি বছরের ২৮-৪-২০২১ খ্রি.বুধবার আনুমানিক বেলা বিকাল ৪টায় একই এলাকার বাবুল মিয়ার নেতৃত্বে একদল চাঁদাবাজ রামদা, কিরিচ, ছুঁরি ও হকিস্টিক নিয়ে গ্লোবাল ডেভলপমেন্ট সার্ভিসের সত্ত্বাধিকারি ভোক্তভোগী ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেন মামুনে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অনধিকার জোরপূর্বক প্রবেশ করিয়া দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তাদের দাবিকৃত চাঁদা পরিশোধ না করলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে বলে এমন হুমকি দেন। তখন চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় ভোক্তভুগী ওই ব্যবসায়ীকে মারধর করে এবং তাঁর ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ইট পাটকেল নিক্ষেপ, ভাংচুর ও লুটপাট করে নগদ সাড়ে তিন লাখ টাকা নিয়ে যায়। এসময় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তার সিসি ক্যামেরা, আসবাবপত্র ও কম্পিউটারের যন্ত্রপাতি ভাংচুর করে আরো অন্তত আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করে। একই কায়দায় বাবুল মিয়ার নেতৃত্বে গত ৩-৫-২০২১খ্রি. সোমবার আনুমানিক বেলা পৌনে ১১টার দিকে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পুন:রায় একই প্রতিষ্ঠানে হামলা চালায়।
অভিযোগে আরো জানাযায়, হামলা ও ভাংচুরের ঘটনার অনেক আগে থেকেই ভোক্তভোগী ব্যবসায়ীসহ তাঁর পরিবারের লোকজনকে নানাভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করায় ভোক্তভোগীর বড় ভাই সাখাওয়াত হোসেন সুজন তাদের নিরাপত্তার জন্য ভৈরব থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। জিডি নং- ২৮৩।

জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত আমির হোসেনের পুত্র ও গ্লোবাল ডেভলপমেন্ট সার্ভিসের সত্ত্বাধিকারি ভোক্তভোগী ব্যবসায়ী সাজ্জাদ হোসেন মামুন জানান, এলাকার চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও ভূমিদস্যু শাহানা বেগম মিতা ও বাবুল ,উল্লাস,মনির গংরা আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা নয়ত সোয়া ৩ শতাংশ জমি দিতে হবে তাদের। তিনি জানান, বেআইনীভাবে শাহানা বেগম মিতা গংরা ৩.০৬ শতাংশ জমির মালিকানা দাবি করছে।
শাহানা বেগম মিতা ২৮০৬ নং দলিলে সারওয়ার শাওনের কাছ থেকে ২০১০সালে চন্ডিবের মৌজার ৩.০৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। অথচ শাহানা বেগম মিতা ২০১২ সালে সহকারি জজ আদালত বাজিতপুরে মামলা করেন জগন্নাথপুর মৌজা উল্লেখ্য করে। মামলা নং-৬৩।
মামুন বলেন, তিনি ৭৭৫৬ দাগে (২০১৪ সালে) সারওয়ার শাওনের কাছ থেকে সোয়া তিন শতাংশ জায়গা ক্রয় করেন। ৪নং বিবাদী হিসেবে আমার ক্রয়কৃত জমি ১৫৩১ (৯-১) ২০১৪-২০১৫ নং নামজারী মুলে নামজারি বহাল থাকলেও শাহানা বেগম মিতা দাবি করছেন ১৩৫৬ ((৯-১) ২০১৫ নং নামজারি বাতিল হয়েছে।
এদিকে সাজ্জাদ হোসেন মামুন আরো জানান, মৃত সাইদুর রহমানের ছেলে মনিরুজ্জামান ভূঁইয়া ও মতিউর রহমান ভূঁইয়া গংদের কাছ থেকে জগন্নাথপুর মৌজায় ১৭ শতাংশ জমি ক্রয় করি। ক্রয়কৃত জমি আমার নামেই খারিজ করা আছে। ২০১১ সালে আরওআর এবং ২০১৫ সালে বিএস রের্কড করা হয়। তিনি বলেন তার সকল দলিল ও কাগজপত্র সঠিক রয়েছে। অথচ আমার ক্রয়কৃত জমি দখলের পাঁতারা করছে এলাকার চিহিৃত ভূমিদস্যুরা। তারা আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে। আমার শ্রমিকরা কাজ করতে চাইলে মারধর করে কাজ করতে দেয়না। আমি ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করেছি, ব্যবসা বন্ধ থাকায় আমি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। তাই সুষ্ঠু বিচারের আশায় আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2020 lalsabujerdesh.com ।
Theme Customized By BreakingNews