1. admin@lalsabujerdesh.com : ডেস্ক :
  2. lalsabujerdeshbd@gmail.com : Sohel Ahamed : Sohel Ahamed
বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনা শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনের অযৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের প্রতিবাদে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সাভারে সাংবাদিক সোহেল রানাকে প্রকাশ্যে হত্যার চেষ্টা দুর্নীতিতে আক্রান্ত রুটিরুজিও? জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল উদ্ধোধন মনে পড়ে ড্রিম গার্ল শ্রীদেবীকে? ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের মাধ্যমে নরসিংদী সদর প্রেস ক্লাবের কমিটি গঠন। ফেনী শহরের আবাসিক হোটেল গুলোতে মাদক, জুয়াসহ চলছে রমরমা দেহ ব্যবসা,ধ্বংসের মুখে তরুণ সমাজ বঙ্গবন্ধুর সংবেদনশীলতা ছিল অতুলনীয়: ড.কলিমউল্লাহ সাবেক সিনিয়র সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী (সৌরেন)আগামী নমিনেশনের জন্য দলের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে প্রচারনা চালাচ্ছেন বঙ্গবন্ধু বাঙালির প্রতি ভালবাসার অফুরান ঝর্ণাধারার উৎস: ড.কলিমউল্লাহ বঙ্গবন্ধু অধ্যবসায়ী নেতা ছিলেন: ড.কলিমউল্লাহ

খসরু.. মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র তারকা।

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৯৬ বার

আবুল হাসান ঃ

অনেক বেশি জৌলুস নিয়ে বাণিজিক ছবির নায়ক হননি, হয়েছেন বাস্তবের বীর মুক্তিযোদ্ধা হয়ে চলচ্চিত্রে তার প্রয়োগের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র তারকা।

খসরু ছিলেন বাস্তবের নায়ক। পাকিস্তান আমলেই ছাত্রনেতা ছিলেন। আইয়ুব খানের অপশাসনের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্রনেতা সবসময় সোচ্চার ছিলেন। পুরো নাম কামরুল খসরু।

খসরু বাস্তবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতাকেই তিনি চলচ্চিত্রে দেখিয়েছেন। অভিজ্ঞতা থেকে চলচ্চিত্রে রূপায়ণের জন্যই অভিনেতা মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা-র সাথে সহ-প্রযোজনা থেকে নির্মাণ করেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ওরা ১১ জন।’ প্রথমে ছবিটি পরিচালনার জন্য ভেবে রেখেছিলেন জহির রায়হান-কে কিন্তু জহির রায়হান তখন বড়ভাই শহীদুল্লাহ কায়সার-কে খুঁজতে গিয়ে নিজেও নিখোঁজ হয়ে যান। পরে এর পরিচালনার দায়িত্ব আসে চাষী নজরুল ইসলাম-এর হাতে। নির্মিত হলো ‘ওরা ১১ জন।’ ছবির প্রথম সিকোয়েন্সে দেশাত্মবোধক গান ‘ও আমার দেশের মাটি’-তে দাড়িওয়ালা খসরুকে দেখা যায়। গ্রাম-বাংলার প্রকৃতি দেখানো হয় গানটিতে। ‘আমায় একটি ক্ষুদিরাম দাও’ এ গানটিও অসাধারণ ছিল। ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের বৈঠকে জাগরণের গান ছিল এটি। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র-র অবদান দেখানো হয় ছবিতে। নূতন বন্দি শিবির থেকে বের হবার পর খসরুর কোলে ঢলে পড়ে মারা যায় তখনই বেজে ওঠে এ ছবির কালজয়ী গান-‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে।’

খসরুর ‘সংগ্রাম’ (১৯৭৪) ছবিটিও ছিল চাষী নজরুল ইসলামের পরিচালনায়। এ ছবিতে খসরু ছিলেন অন্যতম প্রধান চরিত্রে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর স্যালুট গ্রহণের একটি দৃশ্য আছে এ ছবিতে। এ দৃশ্যে শ্যুট করানোর জন্য বঙ্গবন্ধুর কাছে অভিনয়ের প্রস্তাব নিয়ে যে টিমটি দেখা করেছিল খসরু ছিলেন সে দলে। বঙ্গবন্ধু রাজি হন অভিনয়ের জন্য। এবং বঙ্গবন্ধু চলচ্চিত্রে অভিনয়ও করেন। সেট সাজানোর পর কুচকাওয়াজের দৃশ্য শেষে বঙ্গবন্ধু স্যালুট গ্রহণ করেন সশস্ত্র বাহিনীর। খসরু কুচকাওয়াজের সিকোয়েন্সে ছিলেন।

খসরু একবার দৈনিক ইত্তেফাক-এর কার্যালয়ে এসেছিলেন। সেখানে সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীকে তিনি বলেছিলেন-‘শোনো, আমাদের সময়টাকে যদি বুঝতে চাও তাহলে তোমার বয়স হতে হবে ৬৫। আমার মতো হতে হবে তাহলে বুঝতে পারবে কী ছিল সেই দিনগুলো। সবকিছুই বাস্তব ছিল আমরা যখন কাজ করেছি।’ খসরুর এ কথাগুলোর তাৎপর্য গভীর বিশেষ করে সেইসব নির্মাতাদের জন্য যারা আজকাল মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র তৈরি করছে ইচ্ছেমতো, কোনো বাস্তবসম্মত বিষয় ছাড়াই।

খসরু বেঁচে থাকবেন মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্রের তারকা হয়ে আর এ বেঁচে থাকার গর্বটা সবচেয়ে বেশি কারণ তিনি মুক্তিযোদ্ধা এবং চলচ্চিত্রে সে অভিজ্ঞতাকে দেখিয়েছেন। বিনম্র শ্রদ্ধা, সম্মান ও ভালোবাসা তাঁর জন্য।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরো খবর..