বিচারের দাবিতে ষষ্ঠ দিনের মত উত্তাল বশেমুরবিপ্রবি ক্যাম্পাস

মোঃ রাসেল হোসেন ,বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ বিচারের দাবিতে ষষ্ঠ দিনের মত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থী ধর্ষণ ও হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
মঙ্গলবার (১ মার্চ) বেলা ১১ টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষার্থীরা।
এসময় গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে আসামীদের ছাড় না দেয়ার অনুরোধ জানান তারা।

শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের দ্বিতীয় দাবি ছিলো ধর্ষণের প্রতিবাদে আন্দোলন কর্মসূচিতে হামলাকারীদের চিহ্নিত করা ও শাস্তির আওতায় নিয়ে আসতে হবে। গতকাল আমাদের শিক্ষকরা বলেছেন বৃহস্পতিবারের মধ্যে হামলাকারীদের নামে মামলা করা হবে। যদি তারা বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে ব্যর্থ হন, আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো এবং আরো কঠোর কর্মসূচিতে যাবো।

সর্বশেষ দাবি হিসাবে ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ চান শিক্ষার্থীরা।

প্রসঙ্গত, বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। বিচারের দাবিতে ভোর থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ধর্ষকদের বিচার চাওয়ার জেরে স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্তৃক দুই দফা হামলার শিকার হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এরই প্রেক্ষিতে ধর্ষক ও হামলাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে আন্দোলন করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

আগামী বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত বশেমুরবিপ্রবি-র ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা

 

মোঃ রাসেল হোসেন,বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। আগামী আগামী বৃহস্পতিবার পযর্ন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রাজিউর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আজ রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক এ কিউ এম মাহবুব এর সভাপতিত্বে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের এক জরুরী অনুষ্ঠিত হয়। পরে এ সভায় ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। তবে প্রশাসনিক সকল কার্য্ক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ সভায় অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের অন্যান্য সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন। সকলের মতামতের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়।

পবিপ্রবিতে জেল হত্যা দিবস পালিত

চৈতি রায় বৃষ্টি/পবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ
যথাযোগ্য মর্যাদায় পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জেল হত্যা দিবস’ ২০২১ পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ৩ নভেম্বর, বুধবার সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে অবস্থিত জয়বাংলা পাদদেশে ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর এর দায়িত্বে থাকা কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর মোহাম্মদ আলী। একই সাথে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এর নৃশংস হত্যাকান্ডের পর আওয়ামীলীগ কে নেতৃত্বশূন্য করতে এই জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয় যা পৃথিবীর ইতিহাসে জেলখানার মধ্যে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এমন হত্যাকান্ডের নজির নেই। তিনি জাতীয় চার নেতার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যলয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা, প্রক্টরসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কেজিএফ এর জেনারেল বডির সম্মানিত সদস্যবৃন্দের HSTU Multi-crop Dryer প্রজেক্ট পরিদর্শণ

 

এম হাসান রিয়াদ-হাবিপ্রবি, দিনাজপুর:

কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন (কেজিএফ) এর অর্থায়নে এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) কর্তৃক বাস্তবায়িত “TF-29 AM/17 Design and development of two stage drying technique for drying high moisture grain” শীর্ষক প্রকল্পটির প্রযুক্তি সরজমিনে সৈয়দা এলমিস চৌধূরী অটো রাইস মিল, দিনাজপুর জেলার রানিগঞ্জ মোড় ও আজমাইন এগ্রো ইন্ডাট্রিজ ও ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, তেরো মাইল গড়েয়ার হাট, দিনাজপুর পরিদর্শণের উদ্দেশ্যে কেজিএফ এর জেনারেল বডির সম্মানিত সদস্যবৃন্দগণ গতকাল হাবিপ্রবি সফর করেন।
হাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম কামরুজ্জামান এর উপস্থিতিতে উক্ত পরিদর্শণ দলে ছিলেন বিএআরসি এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়াার, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এর ভাইস-চ্যান্সেলর ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া, বিএআরআই এর মহাপরিচালক ড. মোঃ নাজিরুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর মহাপরিচালক জনাব মোঃ আসাদুল্লাহ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এর পরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, হরটেক্স ফাউন্ডেশন এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর জনাব মোঃ মনজুরুল হান্নান, কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ অব ইরি বাংলাদেশ ড. হুমনাথ ভান্ডারী, এসিআই এ্যাগ্রোবিজনেস লি. এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এবং সিইও ড. এফ এইচ আনসারী, এগ্রিকনসার্ন লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. শেখ আব্দুল কাদের, উইন ইনকরপোরেট এবং উইন মিয়াকী এর ড. কাশফীয়া আহম্মেদ এবং কেজিএফ এর সি. প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (চুক্তিভিত্তিক) ড. তপন কুমার দে, HSTU Multi-crop Dryer প্রজেক্ট এর পিআই হাবিপ্রবির ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সাজ্জাত হোসেন সরকার, কো পিআই প্রফেসর ড. মফিজউল ইসলাম, এসোসিয়েট প্রফেসর মোঃ আব্দুল মোমিন শেখ এবং প্রকৌশলী মোঃ এজাদুল ইসলাম, শাহরিয়ার আলম ও হাসান তারেক মন্ডল।

এ সময় এসিআই এ্যাগ্রোবিজনেস লি. এর ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এবং সিইও ড. এফ এইচ আনসারী বলেন আমরা চায়না থেকে ২০০ টি এ ধরণের শস্য শুকানোর মেশিন ক্রয় করেছি। অথচ আমাদের দেশের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের উদ্ভাবিত এই ড্রায়ার মেশিন সম্পর্কে আমাদের জানা ছিলো না। আমরা পুরো মেশিনটি দেখলাম, সাথে আমাদের কোম্পানির ইঞ্জিনিয়ার ও এসেছেন আমরা খুবই আশাবাদী এই মেশিনটি নিয়ে।

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের গবেষকগণ কাজ করে যাচ্ছেন। অনেক গবেষণা করে এ ধরণের মেশিন উদ্ভাবন করতে হয়। তিনি এর সাথে জড়িত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

বিএআরসি এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার বলেন কেজিএফ এর অর্থায়নে পরিচালিত এই প্রকল্পটি সরজমিনে পরিদর্শণের জন্যই আমাদের আসা। আমি এর উদ্ভাবক ধন্যবাদ জানাই। এটি কিভাবে কৃষকদের মাঝে প্রান্তিক পর্যায়ে অল্প খরেচে ছড়িয়ে দেয়া যায় সেই নিয়ে আমরা কাজ করবো। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে আর্দ্রতার কারণে কৃষকরা ভুট্টাসহ বিভিন্ন শস্য জাতীয় ফসল নিয়ে বিপদে পড়ে যান। অনেকেই লোকসানের শিকার হন। এই ড্রায়ার মেশিন তাদের অনেক উপকারে আসবে।

হাবিপ্রবির মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম কামরুজ্জামান বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ। এরই ধারাবাহিকতায় কৃষিতে এই মেশিন গুরুপ্তপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করি। তিনি বলেন এই প্রজেক্টটি সরকারের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের ভুর্তুকি খাতের অন্তর্ভুক্ত হলে এসডিজি অর্জনে ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি সামনে কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন এ ধরণের প্রজেক্টে আরও বেশি বেশি অর্থায়ন করবে বলে আমি আশা রাখি। এ সময় তিনি উপস্থিত অতিথিবৃন্দসহ HSTU Multi-crop Dryer প্রজেক্ট এর পিআই হাবিপ্রবির ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. সাজ্জাত হোসেন সরকারসহ এই প্রজেক্টের সাথে জড়িত সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এছাড়াও বিকাল ০৩ টা ১৫ মিনিট হতে ০৫ টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর ভিআইপি কনফারেন্স রুমে হাবিপ্রবির ভাইস-চ্যান্সেলর এর সভাপতিত্বে কৃষি বিষয়ক চারটি অনুষদের ডীনবৃন্দ/মনোনীত প্রতিনিধিগণ নিজ নিজ অনুষদের গবেষণা সামর্থ্য, চলমান গবেষণা প্রকল্প এবং ভবিষৎ গবেষণা পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। কেজিএফ এর জেনারেল কমিটির আগত সদস্যগণ বিভিন্ন প্রকল্প দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নতুন নতুন প্রকল্পে অর্থায়নের আশ্বাস প্রদান করেন। সভার শেষে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় আমন্ত্রিত সদস্যগণ এবং অনুষদীয় ডীন/ডীনের মননীত প্রতিনিধিগণকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এ সময় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম. কামরুজ্জামান এ বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে নিতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার আহবান জানান।

১৭ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে খুলছে বিশ্ববিদ্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এর আগে টিকা সংক্রান্ত সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ছক আকারে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) তথ্য পাঠাতে হবে। যে বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ টিকার আওতায় আসবে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন হলসহ সব কার্যক্রম শুরু করতে পারবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে বৈঠক হয়। সেখানে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
তবে এর আগে বৈঠকে ১৫ অক্টোবর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খোলার কথা জানানো হয়। কিন্তু পরে এদিন শুক্রবার হওয়ায় সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ১৭ অক্টোবর (রোববার) করা হয়।
বৈঠকে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের (ভিসি) আলোচনা শেষে ইউজিসি চেয়ারম্যান কাজী শহীদুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে জানতে চান শিক্ষামন্ত্রীর কাছে।
এ সময় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে বিশ্ববিদ্যালয় খোলা যেতে পারে। তার আগে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কতজন শিক্ষক-শিক্ষার্থী টিকা নিয়েছেন তার তথ্য ছক আকারে ইউজিসিতে পাঠাতে হবে। তার মধ্যে কতজন টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন, আর কতজন এক ডোজ নিয়েছেন, আবাসিক হলের কতজন শিক্ষার্থী টিকার আওতায় এসেছে এ সংক্রান্ত তথ্য ইউজিসিতে পাঠাতে হবে।
বৈঠকে আরও বলা হয়, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) আছে, কিন্তু টিকা পাননি তাদের তথ্য পাঠাতে। আর যাদের এনআইডি নেই তাদেরও তথ্য পাঠাতে বলা হয়। গণটিকা চালুর আগে তাদের এনআইডি করে দ্রুত সময়ে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এটা না হলে বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়।
দীপু মনি বলেন, তথ্য বিবেচনা করে সন্তোষজনক হলে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমোদন দিতে পারবে ইউজিসি। তবে যাদের টিকা কার্যক্রম শেষ হবে না তাদের বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেন তিনি।
এদিকে একই বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আবারও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়। এই ছুটি বাড়ানো হয় ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক
চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা নভেম্বরের মাঝামাঝি ও ডিসেম্বরের শুরুতে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) বিকেলে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।
দীপু মনি বলেন, এসএসসির ফরম পূরণ আগেই হয়ে গেছে। এইচএসসিরটা আজকে থেকে শুরু হয়েছে। আমরা আশা করছি এসএসসি পরীক্ষা নভেম্বরের মাঝামাঝি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের দিকে শুরু করতে পারবো। আমাদের সেই প্রস্তুতি আছে।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস দেওয়া হয়েছে, তার উপরে পরীক্ষা হবে। তারা যেন অ্যাসাইনমেন্ট জমা দেয়, বই পড়ে। তাহলে প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। বই পড়ে, অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে ইনশাল্লাহ।
‘অভিজ্ঞতা বলে গত বছর সেপ্টেম্বরের দিকে সংক্রমণ কমে গিয়েছিল। আর এখন তো টিকা দেওয়া হচ্ছে। কাজেই আশা করছি সেই সময়ে আমরা পরীক্ষা নিতে পারবো। আর যদি কোনো কারণে অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি না হয়, আমরা মনে করছি না হবে। তাহলে তখন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। ’
সংক্রমণের হার এখন ২০-২২ শতাংশ হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এজন্য সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

জবিতে ভর্তি এবং পরীক্ষা ফি জমা দেওয়ার সময় বৃদ্ধি

 

রাকিবুল ইসলাম রিয়াদ,জবি

দেশের করোনা পরিস্থিতি ও চলমান লকডাউন বিবেচনা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের ভর্তি ও ফরম পূরণের সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জবির সকল ইনস্টিটিউট ও বিভাগসমূহে আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে এবং ১৪ জুলাই পর্যন্ত ফরম পূরণ করা যাবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ইনস্টিটিউট ও বিভাগসমূহের যে সকল শিক্ষার্থী বর্তমান মহামারী করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ভর্তি প্রক্রিয়া ও ফরম পূরণ সম্পন্ন করতে পারেনি, তাদের বিষয়ে বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দের আবেদনের প্রেক্ষিতে অনলাইনে আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি এবং আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত ফরম পূরণের সময়সীমা বর্ধিত করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট পরিচালক, চেয়ারম্যানবৃন্দ নেটওয়ার্কিং এন্ড আইটি দপ্তরের সহায়তায় অনলাইনে ভর্তি ও ফরম পূরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

এদিকে ১০ আগস্ট থেকে সশরীরে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৯ জুনের মধ্যে অনলাইনে সেমিস্টারের ভর্তি ও পরীক্ষার ফি জমা দেয়ার জন্য নোটিশ দিয়েছিলো বিভাগগুলো।

পবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর হলেন প্রফেসর ড.স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত

 

মোঃ শাহিন আলম পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি :

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) নতুন ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট কৃষি বিজ্ঞানী পবিপ্রবি’র কৃষিতত্ত¡ বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ও কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোঃ নূর-ই-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর জনাব মোঃ আব্দুল হামিদ তাঁকে চার বছর মেয়াদের জন্য এ নিয়োগ প্রদান করেন।
প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত ১৯৯০ সালের আগস্ট মাসে পটুয়াখালী কৃষি কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি পবিপ্রবি’র রেজিস্ট্রার (অ.দা.), পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন হলের প্রভোস্টসহ বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি পবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ এবং নীল দলের বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছাত্রাবস্থায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের শাহজালাল হল শাখার ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটিতে দপ্তর সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত বাংলাদেশ সোসাইটি অফ এগ্রোনমি, সিড সায়েন্স সোসাইটি এবং বাংলাদেশ কৃষিবিদি ইনস্টিটিউশনের আজীবন সদস্য। প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্সসহ স্নাতকোত্তর এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৫ সালে পিএইচডি ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। তিনি ১৯৬২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার দ‚র্গাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলরের মেয়াদ গত ০৪.০১ ২০২১ খ্রি. তারিখ শেষ হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন মোতাবেক ০৬.০১.২০২১ খ্রী. থেকে প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত ভাইস-চ্যান্সেলরের রুটিন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অদ্য ১৭. ০৫. ২০২১ খ্রী. তারিখে ভাইস-চ্যান্সেলর হিসাবে যোগদান করেন এবং যোগদান শেষে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন।

প্রফেসর ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত ভাইস-চ্যান্সেলর হিসাবে নিয়োগ পাওয়ায় তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং সকলের নিকট আশির্বাদ কামনা করেন।

দেশে কওমির ছাত্র-শিক্ষকদের রাজনীতি নিষিদ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক :  সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতে ইসলামের সহিংস কর্মকাণ্ডের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের সব কওমি মাদরাসার ছাত্র-শিক্ষকদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

রোববার কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী বোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের স্থায়ী কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিন বিকেলে বোর্ডের অফিস সম্পাদক মু. অছিউর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই বিবৃতিতে জানানো হয়, সভায় কওমি মাদরাসার ছাত্র ও শিক্ষকরা প্রচলিত সর্বপ্রকার রাজনীতি থেকে মুক্ত থাকবে মর্মে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

এছাড়া সভায় ঠিক করা হয় যে, কওমি মাদরাসা সম্পর্কিত যাবতীয় বিষয়ে সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপ নেবে আল-হাইআতুল উলয়া। আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন এক বা একাধিক বোর্ড কিংবা কোনো সংগঠন বা ব্যক্তি আল-হাইআতুল উলয়ার সিদ্ধান্ত ব্যতীত পৃথকভাবে কওমি মাদরাসা বিষয়ক কোনো সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ বা উদ্যোগ নিতে পারবে না।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে জামিয়া ইসলামিয়া দারুল উলূম মাদানিয়া মাদরাসায় স্থায়ী কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন আল-হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসান।

প্রাথমিকের পাঠ পরিকল্পনায় আসতে পারে পরিবর্তন

ডেস্ক রিপোর্ট : সারাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ পরিকল্পনায় পরিবর্তন আসতে পারে।

জানা গেছে, নতুন পাঠ পরিকল্পনা অনুযায়ী শিক্ষকদের সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের বাসায় গিয়ে পড়াতে হতে পারে। তবে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবং জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (ন্যাপ) কাজ করছে।

প্রাথমিক শিক্ষাক্রম সদস্য ড. এ কে এম রিয়াজুল হাসান জানান, আগে প্রতি সপ্তাহে একদিন ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত থাকলেও করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তা বাতিল করা হয়েছে।

তিনি বলেন, নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহে একদিন স্কুল শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে অভিভাবকদের কাছে ওয়ার্ক শিট দেবেন। পরবর্তী সপ্তাহে তা জমা নিয়ে পুনরায় নতুন ওয়ার্ক শিট দেবেন। প্রাথমিক বইয়ের প্রতি অধ্যায় শেষে বা বইয়ের মধ্যে যে ওয়ার্ক শিট দেয়া আছে, সেগুলো ফটোকপি করে অভিভাবকদেরকে দেয়া হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের যে ক্লাস্টার এবং সাব-ক্লাস্টার আছে, প্রতিটি ক্লাস্টারের মধ্যে শিক্ষকরা তাদের ক্যাচমেন্ট এরিয়া ভাগ করে নিতে পারেন। অথবা প্রতি শ্রেণির শিক্ষকরা শিক্ষার্থী সংখ্যা ভাগ করে এ কাজ করতে পারেন।

তিনি জানান, বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে নতুন পাঠ পরিকল্পনা পাঠানো হবে। সেখান থেকে অনুমোদন দেয়া হলে এটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে।